HEADLINE
পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট! বাংলাদেশের মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই এমপি রুহুল হক ভোমরায় পাসপোর্ট যাত্রীদের তল্লাশির নামে বিজিবির হয়রানি সাতক্ষীরা পৌরমেয়র চিশতিসহ পৌর বিএনপির ১০ নেতা আটক শাশুড়ির কামড়ে জামাইয়ের কান ও জামাইয়ের কামড়ে শাশুড়ির হাতের শিরা বিছিন্ন কালিঞ্চী এ. গফ্ফার মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বন্দে আদালতে মামলা বৈকারীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার রাত পোঁহালেই দেবহাটা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রকান্ডে ফাঁসিয়ে ভারতে পালালেন মূলহোতা নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই, আমরা গণতান্ত্রিক দল : সাতক্ষীরায় আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

শিক্ষা ও জাতীয়তাবাদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত

জহিরুল ইসলাম শাহিন / ৩৬৫
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২

শিক্ষার সাথে জাতীয়তাবাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এটা হওয়া স্বাভাবিক, কেননা জাতীয়তাবাদ কোন বস্তুর নাম নয়, এ হচ্ছে একটি চেতনা, আর চেতনার বিকাশ ঘটানো হচ্ছে এবং চারদিকে সম্প্রসারিত করা হচ্ছে শিক্ষার একটি প্রধান কাজ। কিন্তু জাতীয়তাবাদের সংগে শিক্ষার সম্পর্ক যেমন ইতিবাচক হতে পারে, তেমনি আবার নেতিবাচক ও হতে পারে। বিশেষ করে আমাদের দেশে যে গণতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে আমরা ভাবছি তারক্ষেত্রে। কারন শিক্ষা সাধারনত জনগন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, নিয়ন্ত্রিত হয় রাষ্ট্র মন্ত্র যারা পরিচালনা করেন তাদের দ্বারা। আর শাসক যদি বিদেশী হয় তারা কখন ও জাতীয়তাবাদ শিক্ষা দেবে না। আর যদি স্বদেশী হয় তবে সে ধরনের জাতীয়তাবাদই শিক্ষা দিতে চাইবে যেটি তাদের শাসনকে স্থায়ী করে। সে শিক্ষা হবে অধিকার ও সুযোগ চাইবার যে চেতনা তার বিরোধী অর্থাৎ গণতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদের পরিপন্থী। কেউ যদি দেখতে শেখে তাহলে কেবল চিহ্নিত বস্তুই দেখবে, অন্যদিকে তাকাবে না, তা হয় না। চোখ নানা দিকে চলে যায়। নানা কিছু দেখে ফেলে। সে জন্যে শাসক শ্রেণী মুখে যাই বলুক অন্তরে কখনোই চায় না যে, শিক্ষা সর্বজনীন হোক। অত্যাচারী শাসকের প্রতি আনুগত্য জাতীয়তাবাদ বিরোধী। ব্যক্তি যেখানে জাতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়, নিজের স্বার্থ দেখে, দেখতে গিয়ে সমষ্টিগত স্বার্থের প্রতিপক্ষে পরিনত হয়। রামায়ণ এ দেখি দুই ধরনের লোকের প্রতি বিস্তার ঘৃণা সুযোগ পেলেই প্রকাশ পাচ্ছে, একজন নাস্তিক, অন্য জন মূর্খ। নাস্তিক অর্থ অবাধ্য যে ধর্মকে বিশ্বাস করে না। নিজের কর্মকাÐ, নিজের গুনকে বেশী প্রাধান্য দেয়। অন্যদের কাছে সে একেবারে অবিশ্বাসী। মূর্খ অর্থ কাÐজ্ঞানহীন, নির্বোধ, বোকা, বিবেকহীন ও চেতনাহীন। দুই রানী কৈকেয়ীর প্ররোচনায় রাজা দশরথ পুত্র রামচন্দ্রকে বনবাসে পাঠাচ্ছে; সেই দৃশ্য দেখে শোকাতুর নগরবাসী রাজাকে বলছে, মূর্খ, নইলে স্ত্রীর বুদ্ধিতে চলে? অন্যদিকে হনুমান যে গ্রাহ্য হচ্ছে তার কারন বানর হলেও সে দেবভাষা সংস্কৃতিতে অধিকার রাখে। ‘‘মহাভারত’’ এ যুধিষ্ঠীর সম্পর্কে বারংবার বলা হচ্ছে যে, তিনি জ্ঞানী, তিনি বিদ্বান তবু যখন ভ্রান্ত কেউ কেউ এবং স্ত্রী তাকে বলেন মূর্খ। ঐ মহাকাব্যে দ্বিজ ব্রাক্ষণদের প্রধান বলই হচ্ছে বাক্য বল। অসংখ্য ঘটনায় তার প্রমান পাওয়া যাবে। অন্যত্র শকুন্তলা দুষ্মন্তকে ধিক্কার দেয় এই বলে যে, নৃপতি মূর্খ মানুষের মত আচরণ করেছে। আমরা সকলেই জানি মুসলমান হিন্দু খৃষ্টান বৌদ্ধ সকলেরই ধর্ম আছে প্রত্যেকেরই ঐশ্বরিক গ্রন্থ রয়েছে। এবং প্রত্যেক ধর্মই ওই গ্রন্থ গঠনের ও তার নির্দেশ পালনের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। শিক্ষার তুলনায় জাতীয়তাবাদী চেতনার বয়স আসলে কম। জাতীয়তাবাদের ধারণাটি এসেছে মূলত ইউরোপ থেকে। এর সূচনা মার্টিন লুথারের ধর্ম সংস্কার আন্দোলনের সংগে যুক্ত। সেই যে তিনি জার্মান ভাষায় ল্যাটিন বাইবেলের অনুবাদ করলেন সেই ঘটনার পেছনে একদিকে যেমন কাজ করেছে রোমের আধিপত্য প্রত্যাখ্যান করা, অন্যদিকে তেমনি কার্যকর ছিল জাতিগত স্বাতন্ত্র বোধের নবীন জাগরণ। আধিপত্য বিরোধীতা ও স্বাতন্ত্রবোধ একসংগে কাজ করছে। মার্টিন লুথারের সময় থেকেই শুরু তারপর ওই দুই বোধ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। জাতি রাষ্ঠ্র গঠিত হয়েছে, সেই সংগে আবার একজাতি অন্যজাতিকে আক্রমন ও করেছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে রয়েছে জাতীয় ভাষার চর্চা। কেউ কেউ বলেন যে, ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদের সূচনা ঘটে তুর্কি বিজয়ের পর থেকে। উপমহাদেশের ইতিহাসে তখন থেকেই মুসলমান হিন্দুর বিভাজনের সূত্রপাত। আর ওই বিভাজনের রেখার এপাশে ওপাশেই আতœ সচেতন সাম্প্রদায়িক স্বাতন্ত্র বোধের বিকাশ, তা আমরা তাকে জাতীয়তাবাদই বলি কি সাম্প্রদায়িকতাই বলি। কিন্তু এ কথা ঠিক নয়। কারন ভারত বর্ষে জাতীয়তাবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা উভয়েরই সূচনা আসলে ঘটেছে বৃটিশের আধিপত্য স্থাপনের পরে, এবং ঘটেছে নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর হিন্দু ও মুসলিম এই দুই অংশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দিতার কারনে যার পেছনে উস্কানি ছিল বৃটিশ শাসকদের। ইংরেজ আগমনের আগে এখানে যে, শিক্ষা ব্যবস্থা চালু ছিল, যার প্রাথমিক ভিত্তিতে ছিল টোল ও মক্তব, সেটা জাতীয়তাবাদের বিকাশের ব্যাপারে উৎসাহী ছিল না, মোটেই না। ব্যক্তিগত কারনে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে, ব্যক্তিগত কাজ-কর্মের দক্ষতার জন্যই শিক্ষার আয়োজন করা হতো। মেয়েরা সেখানে তেমন একটা অংশগ্রহণ করতো না। কাজকর্মের জন্য অংক দরকার হতো। এবং জোর টাও ছিল অংকের ওপর। শ্রুতি ও স্মৃতি ছিল প্রধান অবলম্বন। ছাপানো বই ছিল না, কেন্দ্রীয়ভাবে চালু করা কোন পাঠ্যসূচি ও থাকতো না নিয়ন্ত্রণ ও ছিল না কারোর। ১৮৫৬ সালে লেখা একটি রিপোর্টে পাঞ্জাবে নিযুক্ত ইংরেজ ডিপিআই আরনল্ড বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন এটা দেখে যে, সেখানে হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে সবাই ফারসী পড়ছে। তারা আসলে কি পড়ছে, বুঝুক বা না বুঝুক ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক সবাই ছিল সন্তুষ্ট। ওই সংস্কৃতি শুধু পাঞ্জাবে নয় সবত্রই চালু ছিল। আরনল্ড আরো লক্ষ্য করেছেন যে, শিক্ষার্থীরা ভূগোল সম্পর্কে খুবই উদাসীন ছিল। ভূগোল বলে যে কোন বিদ্যা আছে এ তো তারা জানেই না, এমনকি নিজের এলাকার ভূগোল সম্পর্কে ও কোন জ্ঞান বা কৌতুহল রাখে না। সুতরাং ইতিহাস থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, অন্য শাসকদের মতোই ইংরেজরা স্থানীয়দের কে তাদের পণ্য ক্রয়ের জন্য উপযুক্ত করে তোলার প্রয়োজনেই শিক্ষার ব্যবস্থা। এরপর ইংরেজদের প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনলো। তারা ভূগোলের জ্ঞান আনলো, আনলো ইতিহাসের জ্ঞান যদি ও ভূগোল ও ইতিহাস বলতে তারা বোঝাতে চাইতো তাদের নিজেদের ভূগোল, নিজেদের ইতিহাস, জনগন শিক্ষিত হোক এটা তারা চাইতো না। শিক্ষা ওপরে ঢালবে, ঢেলে এমন একটি শ্রেণী তৈরি করবে যারা জনগনকে শোষণ করবার ব্যাপারে শাসক ইংরেজকে সাহায্য করবে এই ছিল তাদের উদ্দেশ্য বা অভিপ্রায়। প্রকাশ্যই গোপন নয়। বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দুজন গ্রাজুয়েটের একজন; সে বার পরীক্ষা দিয়েছিল তেরো জন, পাস করলো মাত্র দুজন। বঙ্কিম চন্দ্রের মত প্রতিভাবান ছাত্রকে ও গ্রেস নম্বর নিতে হয়েছিল, নইলে আটকে যাচ্ছিলেন। যারা পাস করে তাদেরকে ও করুণা ভিক্ষা করতে হয় নম্বরের ব্যাপারে এই দুই বৈশিষ্ট্য থেকে শিক্ষা ব্যবস্থা এখনো যে মুক্ত তা নয়। সুতরাং লেখাপড়ার ক্ষেত্রে ইংরেজরা সব সময় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতো যাতে করে এখানকার ছাত্ররা বেরিয়ে আসতে না পারে। শিক্ষার এই যে আয়োজন এর পিছনে একটাই উদ্দেশ্য, স্থানীয়দের অধীনে রাখা এবং সেই সংগে বৃটেনে উৎপাদিত পন্যের বাজার তৈরি করা। অর্থাৎ জাতীয়তাবাদের চেতনাকে সাহায্য করা দুরে থাক, তাকে ধ্বংস করাই ছিল মুল লক্ষ্য। তবু ও জাতীয়তাবাদের চেতনা গড়ে উঠেছে কিছুটা বৈকি। ইংরেজরা স্থানীয়দের মধ্যে দালাল চেয়েছেন, মানুষ চাননি। সব সময়ই স্থানীয়দের দাবিয়ে রাখার চেষ্টাটাই করেছেন। এই শ্রেণীটি আসবে মূলত বাঙালীদের মধ্য থেকেই। বাঙালীদের সম্পর্কে ম্যাক ওয়েলের ধারনা ছিল বড্ডই খারাপ। তিনি বাঙালীদের কখনও সম্মান শ্রদ্ধা ভালবাসা দিতেন না, সব সময় ঘৃণাই করতেন। তারা প্রতারক কথা দিয়ে কথা রাখে না, বিশ্বাসঘাতক, নিজেদের সংগে জালিয়াতি করে। বাঙালীরা আবার ভিরু, কাপুরুষ, নিজেদের দেশ অন্যরা জয় করে নিচ্ছে, বাড়ী ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে, সন্তান সন্ততি খুন হচ্ছে অথবা শিকার হচ্ছে অসম্মানের এসব তারা দেখতো কিন্তু শত্রæকে যে আঘাত করবে সেই চিন্তা নেই তাদের। সুতরাং দেখা যায় ম্যাকওয়েলের মনোভাব আর অতীত কালের আর্যদের মনোভাবে পার্থক্য নেই, পার্থক্য নেই ঘৃণাভাজন স্থানীয়দেরকে নিজেদের কাজে ব্যবহার করবার ব্যাপারে ও। ১৯১৯ তে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রনেতা ভারত সচিব মন্টেও লিখেছিলেন, ‘‘ভারত বর্ষীয়দের মধ্যে যারা রাজনীতি-সচেতন, বুদ্ধিবৃত্তির দিক থেকে তারা আমাদের সন্তান,’’। আমরা যে সব চিন্তা তাদের সামনে উপস্থিত করেছিলাম সে গুলো তারা নিজেদের মধ্যে উদ্দীপ্ত করেছে। তাদের জন্য এটা কৃতিত্বের ব্যাপার। কেবল মাইকেল মধূসুদন দত্ত নন, মধূসুদন চরম কাজ করেছেন, মাইকেল হয়েছেন কিন্তু তার মত অনেক তরুনই তখন ইংরেজ হতে চেয়েছেন, যার প্ররোচনা ইংরেজদের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ে নিরন্তর দেওয়া হচ্ছিল, কলকাতাবাসী তরুনকে। মধূসুদন ফিরে এসেছেন, এসে বাঙালী লেখক হয়েছেন, তার কারন তার ছিল মনীষা, যে মনীষা তাকে পীড়িত করেছে ব্যর্থতাবোধের গøানি জাগিয়ে এবং ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলা ভাষার আশ্রয়ে। অন্যদের অনেকেই পারেননি। তারা না ঘরের না ঘাটের অবস্থায় রয়ে গেছে। পরাধীন দেশে জাতীয়তাবাদের একটা বিদ্রোহ থাকে। মধূসুদন বিদ্রোহী ছিলেন। বেশ কিছুকাল পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে একজন উপাচার্য বলেছিলেন ১৮৬০ এ রাষ্ট্রের জন্য যতগুলো রক্ষাকবচ রয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে নিশ্চিত উত্তম ও সস্তাটি হচ্ছে শিক্ষা। ভাষা ভিন্ন হলে ও অনেক কাল আগে এ্যরিস্টটলের চিন্তাতে ও এই সত্য ধরা পড়েছিলেন বৈকি। রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের জন্য এ্যরিস্টটল ও শিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। তার শিক্ষক প্লেটোর সঙ্গে এই বিষয়ে তিনি একমত ছিলেন, অন্য অনেক বিষয়ে ভিন্নমত হলে ও। কিন্তু ঐ সাধারনত সত্যের সংগে উপাচার্য যা যোগ করেছিলেন, সেটুকু তাৎক্ষণিক ও স্থানীয়। তিনি বলেছিলেন, ‘‘কুমারিকা থেকে হিমালয় পর্যন্ত সব মানুষকে শিক্ষিত করুন, তাহলে দেখবেন ১৮৫৭ এর বিদ্রোহ দি¦তীয়বার ঘটা অসম্ভব হবে।’’ ১৮৫৭ সিপাহী অভ্যুথানের বছর এবং উক্ত সালে কলকাতাসহ তিন প্রধান শহরে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ও বছর। এইভাবে এরপর থেকে সমগ্র ভারতবর্ষে শিক্ষা দীক্ষা এগিয়ে নেওয়ার জন্য ইংরেজ কর্তৃক কোন বাধাকে উপেক্ষা করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে এবং সব জায়গাতেই স্থানীয়রা স্বাধীন ভাবে শিক্ষার সুযোগ লাভ করতে থাকে। সুতরাং আমরা নির্দিধায় একথা বলতে পারি শিক্ষার সাহায্যে উৎসাহিত মানুষ তৈরী করতে পারলে আর সমস্যা থাকবে না। তবে বৃটিশ শাসনামলের আইন, সামরিক-অসামরিক আমলাতন্ত্র, অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যবস্থা এবং ইংরেজী ভাষা সবই রয়ে গেছে। লোক বদলেছে, ব্যবস্থা বদলায়নি। তাই আসুন সবাই মিলে আমরা উন্নত ব্যবস্থার আদৌলে সকল সমস্যার সমাধান করে স্বাধীন ভাবে মত প্রকাশের জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাই।

লেখকঃ জহিরুল ইসলাম শাহিন
সহকারী অধ্যাপক
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ