শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

শার্শার সোনাতনকাটি ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী তিন লম্পট কর্তৃক ধর্ষনের শিকার

টিটু মিলন / ৫৬২
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

যশোরের শার্শা থানাধীন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বামুনিয়া সোনাতনকাটি গ্রামে ১৩ বছরের নাবালিকা কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২৪শে জুলাই শনিবার রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

কিশোরী পার্শ্ববর্তী পরশীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে সোনাতনকাটি গ্রামের আক্তারুলের ছেলে সাগর হোসেন (১৮), শফিকুল ইসলাম (কলু) ছেলে সুমন হোসেন(১৮) ও কলারোয়ার ধানঘুরা গ্রামের রেজাউল সর্দারের ছেলে নাহিদ (২৫) নামের লম্পট এই তিন যুবক অন্ধকারে পথ আটকে মুখ চেপে ধরে টেনে হেঁচড়ে পুকুর পাড়ের জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ শেষে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে মারা চেষ্টা রত অবস্থায় কিশোরীর বাবা আত্মীয়-স্বজন খোঁজাখুঁজি ও নাম ধরে ডাকতে থাকলে ধর্ষণকারীরা নাগ পর্যন্ত পানিতে ডুবিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। এমনত অবস্থায় কিশোরীর পিতা গরীব ভ্যান চালক ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। মেয়েটি ঘটনার বর্ণনা দিলে জানাজানির পরে একটি মহল ধামাচাপা দেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করলে গতকাল ২৬শে জুলাই সোনাতনকাটি গ্রামের পাড়ার ভিতরে একটি রুমের ভিতর তালা বদ্ধ ঘরের ভিতরে মেয়ে পক্ষকে রেখে অর্থের প্রলোভন দেখানো হলে মেয়েটির বাবা জঘন্য ন্যাক্কার জনক ঘটনার সুবিচার দাবি করলে গ্রাম্য সালিশি আয়োজন কারীরা চড়াও হয়। শালিস বিলম্ব করার এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিটের পেয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে জেনে ওই কুচক্রী মহলটি সটকে পড়ে। ঘটনাস্থলে বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপস্থিত হলে গ্রাম্য সালিশ কারিরা পালিয়ে গেলে পুলিশ আসামি সাগরকে আটক করে।

এ ঘটনায় শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বদরুল আলম জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি সাগর(১৮) স্বীকার করেছে তারা তিনজন মিলে এ অপকর্ম লিপ্ত হয়েছিল বাকি ২ আসামি আটকের চেষ্টা চলছে। আজ মঙ্গলবার মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ