বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন গুলির মধ্যে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন একটি অন্যতম

জহিরুল ইসলাম (শাহিন) / ৮১৩
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২২

সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোট ৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে। উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গুলোর মধ্যে যেগুলি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ এবং সমৃদ্ধশালী তার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ অন্যতম। এই ইউনিয়ন পরিষদের নাম জানেনা এমন কেহ সাতক্ষীরা জেলায় আছে বলে আমার জানা নেই। ইউনিয়ন পরিষদটি কেন এত পরিচিত বা প্রসিদ্ধ সবার কাছে এবং জনপ্রিয় তার পিছনে কিছু কারন আছে। এ মুহুর্তে আমরা খুব সহজেই ধরে নিতে পারি ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ জেলার ভিতর ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন গুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান। কারন এই ইউনিয়নটির মাঝখান দিয়ে হাইওয়ে রোড যার মাধ্যমে ঝাউডাঙ্গা বাজারের উপর দিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত জেলা গুলিতে অতি সহজেই যাতায়াত করা যায়। ঝাউডাঙ্গা বাজারের পশ্চিমদিকে ভারত সীমান্ত ঘেষে ভাদিয়ালী পর্যন্ত পূর্বদিকে পাটকেলাঘাটা বাজার দক্ষিন দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও জেলা শহর এবং একেবারে নিকটে কলারোয়া পৌরসভা এবং উপজেলা অবস্থিত সুতরাং জেলা শহর থেকে শুরু করে কলারোয়া উপজেলা এবং পশ্চিম ও পূর্বে সমস্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত সুন্দর। ঝাউডাঙ্গা বাজারটি সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় যতগুলি বড় বাজার রয়েছে তার মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্যের দিক থেকে অনেক অংশে এগিয়ে রয়েছে। আমরা দেখেছি সেই ষাট দশক থেকে শুরু করে আজ অবধি কাপড়ের পাইকারী ও খুচরা ব্যবসা। সুদুর যশোর জেলা থেকে শুরু করে খুলনার পাইকগাছা, কপিলমনি এবং সাতক্ষীরার দেবহাটা, তালা, পাটকেলঘাটা থেকে ও ব্যবসায়ীরা আসে ঝাউডাঙ্গা বাজারে মোকাম করতে। এছাড়া উক্ত বাজারে বেশ কিছু অটোরাইচ মিল রয়েছে যার মাধ্যমে বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চল থেকে শুরু করে পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চল পর্যন্ত আতপ ও সিদ্ধ চাল এবং ধান সরবরাহ করা হয়। বাজারের চারপাশে জুড়ে রয়েছে উন্নত মানের চাষের বেশ কিছু বড় বড় মাছের ঘের যেখানে উৎপাদন করা হয় কাতলা, মৃগেল, রুই, সিলভারকাপ, মিনারকাপ, পাঙ্গাঁস, ভেটকি, চিতল, বাগদা, গলদা, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ যাহা প্রতিদিনই রাজধানী শহর সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী করা হয়। এই বাজারটি আম, কাঁঠাল, সুপারী, পান, নারিকেল, জাম ও হলুদ ব্যবসার জন্য ও প্রসিদ্ধ। ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নটি শিক্ষা দিক্ষার ক্ষেত্রে ও জেলার যে কোন ইউনিয়নের চাইতে এগিয়ে আছে বলে আমি মনে করি। এই ইউনিয়নে ৪টি উচ্চ বিদ্যালয় যার মধ্যে একটি বালিকা বিদ্যালয়, প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১২টি এবং ৩টি মাদ্রাসা রয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি প্রি-ক্যাডেট স্কুল ও আছে। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলি ও ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেজাল্ট প্রত্যেকবারই নজরকাড়ার মত। প্রতি বছরই ইউনিয়ন থেকে এম, বি, বি, এস কোর্স, ইনঞ্জিয়ারিং কোর্সসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাচ্যের অক্সফোর্ট খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর অসংখ্যা শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করার সুযোগ পেয়ে থাকে। এই ইউনিয়নে দুইটি মহা বিদ্যালয় রয়েছে এবং কারিগরি শিক্ষালাভ করার জন্য ও অনেকগুলি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখান থেকে প্রতিবার শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল লাভ করেছে। সাতক্ষীরা জেলাতে যতগুলি ডিগ্রী বা অনার্স অধিভুক্ত কলেজ রয়েছে তার মধ্যে আমাদের ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ অন্যতম প্রধান। এই কলেজে প্রায় ২০০০ ( দুই হাজার) ছেলে মেয়ে পড়াশুনা করে। প্রত্যেকবারই এইচ, এস, সি, সহ সম্মান শ্রেণিতে ভাল ফলাফল করে থাকে। এই কলেজটিতে ৯টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু আছে আর ও কয়েকটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুর জন্য এবং ৩টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালুর জন্য প্রস্তাবনা রয়েছে। প্রত্যেকটি বিষয়ে অতি দক্ষতার সাথে শিক্ষকরা পাঠদান করে থাকেন। এলাকার শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বাইরে খুব একটা যাওয়ার প্রয়োজন হয়না। এই ইউনিয়ন থেকে অসংখ্যা মেধাবী শিক্ষিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের সচিবলায় থেকে শুরু করে সরকারের অনেক উচ্চ পদস্থ প্রতিষ্ঠানে চাকরীরত আছেন। ইউনিয়নের এম, বি, বি, এস, ডাক্তার, ইনঞ্জিনিয়ার, কলেজ শিক্ষক হাইস্কুল শিক্ষক এবং বিশেষ করে মাস্টার্স ডিগ্রী ধারী মানুষের সংখ্যা এতই বেশী যে অন্যান্য ইউনিয়নে সেটা দুষ্প্রাপ্য বলে আমি মনে করি। এই ইউনিয়নে সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, এশিয়া ব্যাংক, গ্রামীন ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক, আশা, জাগরনী, সুশীলন এনজিওসহ অনেক গুলি বেসরকারী অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ইউনিয়নটি ঐতিহ্যবাহী হবার পিছনে আরেকটি কারন আছে, সাতক্ষীরা জেলার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস ঝাউডাঙ্গা বাজারের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। বাজারের উন্নয়ন, সামাজিক অবকাঠামো, আর্থিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক অবস্থান ইতিবাচক এবং মানুষের ভিতরে রয়েছে বেশ মিল। ইউনিয়নের জনগণ অত্যান্ত শান্তি প্রিয়। এখানে মানুষের মধ্যে নেই কোন সংঘাত-কোলহল। সবাই শান্তি প্রিয়, হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে কোন হিংসাত্মক মনোভাব দেখা যায় না। সবাই সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির ভিতর দিয়েই সহ অবস্থান করছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে একে অপরের সাহায্য সহযোগীতায় হাত বাড়িয়ে দেয়। পারস্পরিক সহযোগীতা, সমঝোতা সহমর্মিতা এবং ভ্রাতৃত্ব বোধখুবই বেশী। ঝাউডাঙ্গা বাজারে বা এই ইউনিয়নে কোথাও কোন দূনীর্তি ঘুষ ইত্যাদির কোন ছোয়া নাই। কারণ স্থানীয় প্রশাসন এবং বর্তমান চেয়ারম্যান খুবই সচ্ছতার সাথে এবং জবাবদিহীতার মাধ্যমে সকল ধরণের কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমান সময়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আজমল উদ্দিন জনগনের সকল প্রকারের চাহিদা পূরন করার জন্য দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এ অত্যন্ত কৃতিত্বের সহিত মেধা তালিকায় বি, এস, এস, সম্মান এবং এম, এস, এস, ডিগ্রী নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে অর্জন করেন। তিনি পরপর চতুর্থ বারের মত অত্যন্ত দক্ষতা ও যোগ্যতার সাথে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তারমত সৎ যোগ্য দক্ষ নির্ভেজাল, সুদ ঘুষ মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত চেয়াম্যান বা নেতা বা প্রশাসক খুবই কম মিলে। আমার জানামতে তিনি একজন অকুতোভয় সাহসী সৈনিক যার হাত দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ এর সকল প্রকার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা খুবই সহজ। অন্যায় এর সাথে তিনি কখন ও আপোষ করেননি। যত বড় আত্মীয় হোক, যত বড় বন্ধু হোক তিনি কখনও কারোর সাথে স্বজন প্রীতি ও করেননি এবং কখনও করবেন না এটাও সবার জানা। তিনি হচ্ছেন এই ইউনিয়রে গর্ব এবং অহংকার। ইউনিয়ন বাসীর নয়নের মণি। ইউনিয়নবাসী তারমত যোগ্য নেতা পেয়ে ধন্য। তিনি অত্যন্ত ধার্মিক। গরীব, দুখী, আতুর, দুস্থ কোন লোক কখনও তার কাছ থেকে ফিরে যাননি। যেভাবে সাহায্য সহযোগিতা করলে মানুষ খুশী হয় তাহা তিনি করেন। মানুষের সেবা দেয়াই তাহার প্রধান ধর্ম। বিভিন্ন ধরনের আদর্শিক গুনাগুন গুলি তার মধ্যে রয়েছে। সুতরাং ইউনিয়নটি অত্যন্ত দ্রুত সাতক্ষীরা জেলার ভিতর রোল মডেল হয়ে থাকবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এমন সৎ যোগ্য নেতৃত্বের কারনে উক্ত ইউনিয়নের জনগন মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। উনার আগেও যারা চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তারও ইউনিয়ন বাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। যেহেতু আমাদের দেশটি এখনও পর্র্যন্ত উন্নয়নের চরম শিখরে পৌছাতে পারেনি তাই তারই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা জেলাও কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে এবং ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নেও কিছু কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। সমস্যা গুলির মধ্যে কিছু কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করছি: যেমন বাজারের অবকাঠামোর কোন উন্নতি হচ্ছেনা। আমরা যে কোন গ্রামে গেলে উন্নয়নের অনেক রুপ রেখা দেখতে পাই। এমনকী গ্রামের ভিতর ও ৪/৫ তলা বাড়ী, দোকান পাট, গোডাউন এবং স্যাটেলাইটের ব্যবহার ও দেখি। কিন্তু ঝাউডাঙ্গা বাজারটি ব্যবসা বাণিজ্যের দিক দিয়ে অতন্ত উন্নত হলেও বাজারে তেমন কোন ভৌত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়না। বাজারে কোন দোতলা তিনতলা চার তলা বা বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মান করা যাচ্ছে না। আসলে কারণ কি আমরা কেউ বলতে পারিনা। বহুতলা বিশিষ্ট ভবন করতে গেলেই নাকি নায়েব অফিস থেকে বাধা আসে। কেন বাধা আসবে? বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। সুতরাং ঝাউডাঙ্গা বাজার থেকে প্রতি বছর যে পরিমাণ ব্যবসায়িক লেনদেন হয় অনেক বাজারে বা ইউনিয়নে তা সম্ভব নহে। তাই বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি রাখবো সরোজমিনে তদন্ত করে যাতে অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাজারকে আরও সম্প্রসারিত করা যায় এবং বহুতল ভবন নির্মান করা যায় তার সার্বিক সহযোগীতার জন্য। উক্ত বাজারে আরও একটি বড় সমস্যা, বর্ষাকাল আসলেই সেই সমস্যায় পড়তে হয় বাজারের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত বেতনা নদী বর্তমান সময়ে যার কোন জোয়ার ভাটা নেই। নদীটি সংস্কারের বিশেষ প্রয়োজন এবং বেতনার গা ঘেষে একটি খাল যা ভাংড়ার খাল নামে পরিচিত। গোবিন্দকাটি গ্রামের ভিতর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের পাশ দিয়ে কলারোয়া উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। খালটি একেবারে বিলীন হবার উপক্রম, বৃষ্টি নামলেই খালের দুইধার প্লাবিত হয় এবং আশে পাশের জনগণের বসবাস করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। শুধু তাই নয় শতশত একর জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এই এলাকার মানুষ একটি মাত্র ফসল পায়। অতিবৃষ্টির কারনে খাল ধারের লোকজনদেরকে হাইওয়ে রাস্তার ধারে আশ্রয় নিতে হয়। সুতরাং খালটি খনন করা ছাড়া অন্য কোন উপায় আছে বলে আমি মনে করি না। তাই জেলা প্রশাসন সহ বর্তমান সময়ের সদরের এমপি মহোদয়, সুযোগ্য চেয়ারম্যানসহ সকল প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানের কাছে আমাদের এই মুহুর্তের আকুল আবেদন যাতে খালটি পুনরায় খনন করে এলাকার মানুষ আবারো পূর্বের ন্যায় সোনার ফসল ফলাতে পারে এবং নির্ভিকভাবে বসবাস করতে পারে তার সার্বিক সহযোগিতা করা। পরিশেষে আমাদের বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব মো: আজমল উদ্দীন সকল সমস্যা গুলি চিহিুত করে একে একে সমাধান করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দৃষ্টি আকর্ষন করবেন এমন আশাই ইউনিয়ন বাসী করেন। এমুহুর্তে চেয়ারম্যান সাহেব ইউনিয়নের একপ্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত মানুষের সুবিধা-অসুবিধা নিজ হাতেই দেখভালো করছেন এবং সমস্ত ইউনিয়ন বাসী তার নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করার জন্য খুবই খুশি ও সন্তুষ্ট। তিনি ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে অবশিষ্ট কর্মকান্ডগুলি নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করতে পারবেন বলে ইউনিয়ন বাসী আশা রাখেন। আমরা সকলেই করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করি। চারদিকের পরিবেশ সুন্দর রাখি এবং সকলেই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি। চেয়ারম্যানের হাতকে আমরা আরও শক্তিশালী করি এবং সকল কাজে তাকে সহযোগিতা করি। ভাল থাকি সুস্থ্য থাকি।

লেখকঃ জহিরুল ইসলাম (শাহিন)
সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি)
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ,
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ