HEADLINE
সাতক্ষীরা সীমান্তে অপরাধ দমনে বিজিবি ও বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক ঝাউডাঙ্গা হাইস্কুল জামে মসজিদের ওযুখানা নির্মাণ কাজ উদ্বোধন শ্যামনগরে বিদ্যুৎস্পর্শে কৃষকের মৃত্যু কাশ্মিরি ও থাইআপেল কুল চাষে সফল সাতক্ষীরার মিলন ঝাউডাঙ্গা সড়কে বাস উল্টে ১০জন আহত ঝাউডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে শুরু হচ্ছে পৌষ সংক্রান্তি মেলা কালিগঞ্জে শীতার্ত মানুষের পাশে ”বিন্দু” মাদ্রাসা শিক্ষক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ফের ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ স্বামী বিবেকানন্দ দর্শন আমাদের মুক্তির পথ : সাতক্ষীরায় ১৬০তম জন্মবার্ষিকী উৎসবে আলোচকরা আ’লীগ নেতার বাড়িতে ডাকাতি, ১৫ লাখ টাকা ও ৩৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট 
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

ত্রিশ বার সেচ্ছায় রক্তদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সাতক্ষীরার হামিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯২৮
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

মাত্র সাতাশ বছর বয়সে ত্রিশ বার নিজের রক্ত সেচ্ছায় দান করে মানবসেবায় অন্যান্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সাতক্ষীরার তরুন যুবক আব্দুল হামিদ শেখ।

হামিদ আগামী স্বপ্ন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক, ঢাকাস্থ সাতক্ষীরা জেলা সমিতি’র সদস্য, মানবিক ফাউন্ডেশনের সাতক্ষীরা সদর থানা কমিটির সদস্য, ঝাউডাঙ্গা সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সভাপতি, মাদক নির্মূল যুব কমিটির সাতক্ষীরা সদর থানা কমিটির সাবেক যুগ্ন-সাধারণ, বাল্য বিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধ কমিটির ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ শেখ সোমবার ২৬ জুলাই একজন রক্তশূণ্য নারীর জন্য ঝাউডাঙ্গা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তার ব্যক্তিগত ৩০ তম রক্তদান করেন।

মানবতার এ সেবক সম্পর্কে আগামী স্বপ্ন ফাউন্ডেশন সভাপতি আমজাদ হোসেন বলেন, আব্দুল হামিদ কেবল একজন নিয়মিত রক্তদাতাই নন, একজন দক্ষ সংগঠকও। নিজে রক্তদানের পাশাপাশি নতুন রক্তদাতা সংগ্রহ, নিয়মিত রক্তদাতাদেরকে উদ্বুদ্ধ করা, হাসপাতাল, ক্লিনিকে যেয়ে রোগীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং সংগঠনের অন্যান্য কাজ অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে করে থাকেন এই মানবপ্রেমী। যেকারনে রক্তদাতা হিসাবে ২০১৭ সালে ফেনী ব্লাড ফাউন্ডেশনের বার্ষরিক সমাবেশে তাকে সন্মানিত ক্রেস্ট প্রদান করেন। তার মতো একজন তরুণ আমাদের সমাজের জন্য অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

এ ব্যাপারে তরুন উদিয়মান মানবপ্রেমি যুবক সকলের ভালবাসার পাত্র আব্দুল হামিদ শেখ বলেন, যখন একটি অসহায় অসুস্থ মানুষকে রক্ত দেওয়ার পরে তাকে সুস্থ হতে দেখে তার মুখের হাসিটা দেখলে আমি মনে করি পৃথিবীর বুকে এর থেকে বড় কোন পুরস্কার আর হতে পারেনা। সবথেকে আনন্দঘন মুহুর্ত আমি ঐ সময়টা ফিল্ড করি। আমি সাতক্ষীরার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে এই মহান কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে পেরে আমি অত্যান্ত গর্বিত মনে করি। আমার এই কাজের পিছনে সবচেয়ে যাদের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ ছিলো সামাজিক সংগঠন ”ঝাউডাঙ্গা সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ” এই সংগঠনের সকল সদস্য বড় ভাইদেরকে আমি চির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ