বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:১৪ অপরাহ্ন

শ্যামনগরে দু’টি সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি / ২৭৫
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২

শ্যামনগর উপজেলার হরিনাগাড়ি ও মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় স্কুল সংস্কারের জন্য অর্থবছরের বাজেট থাকলেও দেখা মিলিনি স্কুলের কোন সংস্কারের কাজ। শুধু তাই নয় স্কুলের শিক্ষকদের ও ঠিকমত স্কুলে দেখা যায় না। যেমনটা সহকারী শিক্ষক শরৎ চন্দ্র মন্ডলকে ২৬-৭-০২২ তাং মঙ্গলবার স্কুলে দেখা মেলেনি এবং স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের ও খুব বেশি দেখা যায়নি যেমন তৃতীয় শ্রেণিতে ৩জন চতুর্থ শ্রেণীতে ৮জন ও পঞ্চম শ্রেণীতে ৯জন ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা কম থাকলেও কাউকে স্কুল ড্রেস পরা দেখা যায়নি। এরপরেও নোংরা পরিবেশে স্কুল পরিচালনা করে যাচ্ছে স্কুলের প্রধান শিক্ষক। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক সাদিকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য দিতে নারাজ। তবে অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী কাজের কথা জানতে চাইলে বলেন আমরা এখনো চেক হাতে পায়নি তারপরও আমরা নিজেদের টাকা দিয়ে গ্রীল তৈরি করতে দিয়েছি। বিদ্যুৎ এর সংকটের কারনে গ্রীলটা আনা হচ্ছে না। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জুন মাসের মধ্যেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংস্কারের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষকেরা যেন গড়িমসি শুরু করেছে। কারন এভাবে দিন কে দিন পার করে দিলে টাকা টা প্রধান শিক্ষকদের পকেটে চলে আসবে এমনটা ধারনা করেন সচেতন মহল এবিষয়ে ১৫২নং হরিনাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নিরঞ্জন বদ্ধ বলেন এসব বিষয় ফোনে কথা না বলে সরাসরি কথা বলা ভালো।এদেকে ৮৭নং মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজল কান্তি গাইনের নামে স্কুলে না আসার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ও ছাত্র ছাত্রীদের বক্তব্যই জানা গেলো প্রধান শিক্ষক কাজল কান্তি গাইন প্রতি সপ্তাহে ৩দিন দিন স্কুলে প্রধান শিক্ষকে দেখা যায় না। একজন প্রধান শিক্ষক যদি সপ্তাহে ৩দিন স্কুলে না আসে তাহলে সহকারী শিক্ষকদের গড়িমসি করে দিন পার করে দিচ্ছে। শুধু তাই নয় স্কুলে সংস্কারের জন্য অর্থবছরের বাজেট থাকলেও কোন কাজ দেখা যায়নি সেখানে সহকারি শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইলে বলেন প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণে আসতে পারে না আর আমরা বাজেট অনুযায়ী কাজ করার জন্য সিল্পের টাকা দিয়ে গ্রিল তৈরি করতে দিয়েছি বিদ্যুত সংকটের কারণে গ্রিল টা নিয়ে আসতে পারছিনা দর্শক শ্যামনগরের প্রতিটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা যদিএই হয়। তাহলে কোমলমতি বাচ্চাদের লেখাপড়া কিভাবে চলবে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হলেও টনক নড়ছে না উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের তাহলে কি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সবই ম্যানেজ। যদি ম্যানেজ নাই হবে তাহলে অভিযোগ পেয়েও কোন ব্যবস্থা নেন না তারা উল্লেখ্য 72নং পূর্ব কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবাশিস মন্ডল এর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামবাসী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছিলো উপজেলা শিক্ষা অফিসার অভিযোগের কফি পেয়েও এখনো পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেননি দর্শক শ্যামনগরের প্রাথমিক শিক্ষাখাতে হচ্ছে কি লক্ষ লক্ষ টাকা যাচ্ছে কোথায় এ বিষয়ে 87নং মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি বলেন প্রধান শিক্ষক অসুস্থতার কারণে একটু কম আসে স্কুলে এবং আমাদের অর্থ বছরে 2 লাখ টাকা বাজেট আছে সত্য কিন্তু আমরা এখনো চেক হাতে পায়নি সিল্পের টাকা দিয়ে গ্রিল তৈরি করতে দিয়েছি ৮৭বং মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজল কান্তি গাইন বলেন আমি একটু অসুস্থ আছি এজন্য দেখা করতে পারিনি নাম্বার সেভ করে নিয়েছি কথা বলবো। এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিজ মিয়া ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ