HEADLINE
কালিঞ্চী এ. গফ্ফার মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বন্দে আদালতে মামলা বৈকারীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার রাত পোঁহালেই দেবহাটা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রকান্ডে ফাঁসিয়ে ভারতে পালালেন মূলহোতা নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই, আমরা গণতান্ত্রিক দল : সাতক্ষীরায় আ.ক.ম মোজাম্মেল হক কুলিয়ায় পানিতে ভাসছে কাফনের কাপড় পরিহিত লাশ সাতক্ষীরায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা: তদন্ত পিবিআইতে সাতক্ষীরায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়ী বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত কলারোয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২৫ ইভটিজিং প্রতিরোধে আমাদের করণীয়
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২৭ অপরাহ্ন

অনিয়ন্ত্রিত দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস

জহিরুল ইসলাম শাহীন / ১০১
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২

জহিরুল ইসলাম শাহীনঃ তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এখন ও পর্যন্ত বলা যায় শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের জীবন যাত্রার মান নি¤œ। কারণ তাদের বেশির ভাগ কৃষক আবার হত দরিদ্র কৃষক এবং ভূমিহীন কৃষক ও আছে। কিছু মানুষ আছে দিন আনে দিন খায়। আবার কিছু মানুষ আছে তাদের আয় রোজগার ও অনেক কম। এছাড়া এদেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অস্থিশীলতা, জনসংখ্যার ক্রম বৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যায় জর্জরিত। দেশ যদিও স্বাধীন, স্বাধীন সার্বভৌম দেশে জনগণ বাস করে। মুখে মুখে গণতান্ত্রিক দেশ। আসলে আমাদের দেশটা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে এখনও স¦াধীন হয় নাই। স্বাধীনতা ভোগ করবে তখন, যখন এদেশের মানুষ মুক্ত মনে তার মনের ইচ্ছা ব্যক্ত করতে পারবে তাদের পছন্দ মত নির্বাচনে প্রাথীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারবে এবং নিরপেক্ষ ভাবে ভোটের মাঠে যেয়ে ভোট দেয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। কিন্তু দেশ স¦াধীন হওয়ার পর আর কোন টাই করা সম্ভব হয়নি। যখন যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই আইন প্রনয়ন করছে দেখভাল করার কেউ নেই। সব কিছুই নিয়ন্ত্রনের বাইরে। সকালে ঘুম থেকে বাজারে যেয়ে দেখছি এক রকম, রাতারাতি তা পরিবর্তন হয়ে হচ্ছে অন্য রকম। এমতবস্থায় দেখা যায় যারা প্রথম শ্রেণীর জীবনযাপন করে তাদের পক্ষে কোন সমস্যা তৈরি হয় না। সমস্যায় জর্জরিত কৃষক-শ্রমিক নিম্ন মধ্যবর্তী ইত্যাদি শ্রেণীর মানুষ এরাই প্রকৃত অর্থে দেশকে ভালবাসে। সারাদিন শ্রম ব্যয় করে যা পায় তা দিয়ে কোন রকম বেঁচে থাকে। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ইউরোপের দুটো দেশ পরাশক্তির বৃহত্তম দেশ রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে দুই দেশের আভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় নিয়ে থেমে থেমে যুদ্ধ হচ্ছে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে কিছু ব্যাঘাতের সৃষ্টি হচ্ছে। ইউরোপের দেশ গুলোর মধ্যে এর কিছু নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কিন্তু এশিয়াতে অতটা নয়। বাংলাদেশ তো কৃষি প্রধান দেশ। নদী মাতৃক দেশ। মাছে ভাতে বাঙ্গালি, এখানে ততটা প্রভাব পড়ার কথা নয় কিন্তু কিছু প্রভাবশালী অসাধু ব্যবসায়ী কিছু সিন্ডিকেট, কিছু চক্র সাধারণ জনগনের সংঙ্গে প্রতারণা করে কোন নীতি নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে আকস্মিক ভাবে বাজার নিয়ন্ত্রন করে। বাজারে আকষ্কিক এই নিয়ন্ত্রন কথা কেউ বুঝে উঠতে পারেনা ফলে আমাদের মত সাধারন মানুষের বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয়। আমাদের দেশে হঠাৎ করে কোন কারণ ছাড়াই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি জন সাধারণের জীবনকে করেছে দূর্বিষহ। কালো বাজারি, মুনাফা খোর,মজুতদার প্রভৃতি অসামাজিক কার্যকলাপ সামাজিক পরিস্থিতিকে করে তুলেছে বিপর্যয়। এখন পরিস্থিতি দেশে সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে চরম ভাবে। আর তাই পরিনতিতে দ্রব্যমূল্য লাগামহীন অশ্বের মতো ছুটে চলেছে উধ্বগতিতে। দ্রব্য মূল্য হঠাৎ করে এমন একটা পর্যায়ে এসে গেছে যা সাধারণ মানুষের ধরা ছোয়ার বাইরে বললে ও অত্যুক্তি হয় না। বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশ। জনসংখ্যা আয়তনের তুলনায় অনেক বেশি মারাতœক বলা যায়। কৃষি প্রধান দেশ হিসাবে যে উৎপাদন হয়ে থাকে তা দিয়ে অধিক সংখ্যক জনগোষ্টীর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। তাই যোগানের চেয়ে চাহিদা বেশি হওয়ায় দ্রব্য মূল্য দ্রুত বাড়াতে থাকে এটা ঠিক কথা। অনেক সময় অনাবৃষ্টি অতিবৃষ্টি এবং বন্যা,ভূমি ধস এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন হ্রাস করে থাকে। আর এ হ্রাসের ফলে দ্রব্য মূল্য বৃৃদ্ধি ঘটতে পারে। কৃষকরা অনেক সময় মৌসুমের পূর্বে স্থানীয় স্বার্থপর সুদখোর ঘুষখোর মহাজন টাউট বাটপারদের কাছ থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হয় এবং তা পরিশোধ করার সময় তার জমির ফসল উক্ত মহাজনের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়। এভাবে উৎপাদিত ফসল কুক্ষিগত করে রাখা হয়, যার ফলে দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি ঘটে। এছাড়া দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হলে অর্থাৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি আন্দোলন, হরতাল, ধর্মঘট, মারামারি, রাহাজানি ইত্যাদি কারণে একস্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানোর ক্ষেত্রে পণ্য সামগ্রী পরিবহনে বিঘœ সৃষ্টি হয়। ফলে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায় যা পরবতীতে দ্রব্যের সংকট দেখা দেয় ফলে মূল্য কিছু টা বাড়ে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী যেমন শাকসবজি, মাছ, মাংস, চাল, ডাল, গম, আটা ইত্যাদির দাম বেড়ে যায়। আর একবার যার দাম বাড়ে তা আর কখন ও কমে না। আবার অন্যদিকে শহরাঞ্চল থেকে যে সমস্ত দ্রব্য মিল কারখানার মাধ্যমে উৎপাদিত হয় তা গ্রামাঞ্চলে যাওয়ার কথা তাও পরিবহনের পরিবেশের অভাবজনিত কারণে যেতে পারে না, ফলে সেগুলোর দাম ও অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। সুতরাং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারনে হয় তাতে সন্দেহ নেই। মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব। সমাজে একে অপরের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। মানুষের এই সমাজে, তাল মিলিয়ে চলার প্রবণতা থেকে প্রতিযোগিতার জন্ম নেয়। একজন প্রতিবেশীর ঘরে যে জিনিস আছে তার চেয়ে বেশী দামে জিনিসপত্র ক্রয় করে বাহাদুরী করার মানসিকতা আমাদের সমাজে বিরল নয়। এজন্য অনেক জিনিস ক্রয় করতেও দ্বিধা গ্রস্থ হন না অনেকেই। এভাবেও দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া আমাদের দেশে বর্তমানে প্রশাসনের দূর্নীতি, ঘুষ যে পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে সেটা কোন নতুন ঘটনা নয়। যেমন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পবিত্র জায়গা এখানে দক্ষ যোগ্য শিক্ষক দ্বারা পাঠদান করা হয়, সেখানে আমরা কি দেখি ম্যানেজিং কমিটির বা গভর্নিং বডির যোগ সাজেশ প্রশাসনের প্রধানরা সামান্য চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী থেকে শিক্ষক নিয়োগ পর্যন্ত বড় ধরনের ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত। যে সমস্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে ¯িøপের টাকা আসে স্কুলের সংস্কার মূলক কাজে তাও কমিটি ও প্রধান শিক্ষক একেবারে উধাও করে ফেলে এমন নজির ও আছে। প্রত্যেকটা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে যান দেখেন কি অবস্থা, একেবারে পিওন থেকে শুরু করে নায়েব পর্যন্ত কত টাকা দিতে হবে নির্দিষ্ট করা আছে। এরপর তো উপজেলা বা জেলা ভূমি অফিস, কথায় নেই খোঁজ নিয়ে দেখেন এই দেশের এমন কোন সেক্টর নেই যে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়। যেহেতু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সহ নি¤œ শ্রেণীর যত কর্মচারী আছে প্রায়ই সবাই ঘুষ খায় তাই তাদের নাকের ভোগায় দুর্নীতি পরায়ন ও অবৈধ ভাবে জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি করে চলেছে। কিন্তু সরকারের প্রশাসন তা দেখে ও না দেখার ভান করে থাকে। এ ছাড়া স্বার্থন্বেষী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ খেয়ে এ সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাস্তির ব্যবস্থা না করে ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা ও কম নয়। দুর্নীতি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। আমিতো মাত্র একটা দুই টা উদাহরণ দিলাম। তাই ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজ দের খপ্পরে পড়ে দেশ ও দেশের মানুষ আজ দিশেহারা। আজ যদি নি¤œ মধ্যবিত্ত কোন বাড়ী যেয়ে খোঁজ নেন, বা কোন অসহায় দরিদ্র কৃষক, শ্রমিক তাদের বাড়িতে মাঠে- ঘাটে হয় সেই শাক, কলমী শাক, হেলেঞ্চা শাক, পাটের ডগা, কুমড়া লাউয়ের পাতা ইত্যাদি দিয়ে তারা কোনরকম দু-বেলা আধা পেট খেয়ে বেঁচে আছে। সস্তা মাছ বা পোলট্রির মাংস হয়তো বা সপ্তাহে একদিন জোটে। আজ হচ্ছে আমাদের দেশে বর্তমান অবস্থা, এইগুলো দেখ ভাল করার জন্য আমি মনে করি প্রশাসন যারা এখনও সজ্জন ন্যায়পরায়ণ, আদর্শবান, দায়িত্বশীল কর্তব্য পরায়ণ দেশ প্রেমিক অফিসাররা বা প্রশাসকরা আছেন একটু ভেবে কৃষক, শ্রমিক, নি¤œ মধ্যবিত্ত এদের কথা একটু ভেবে ব্যবস্থা নিন। এ মুহুর্তে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কোন কারণ নেই। হয়তো সরকার কোন একটা নির্দিষ্ট কারনে তেলের দাম বাড়াতে পারে হতে পারে দুই একটা পণ্য দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি কিন্তু রাতারাতি হঠাৎ করে সূচ, পান, জর্দ্দা, তামাক শাক-সবজি থেকে শুরু করে সব জিনিসের দাম একসংগে কিভাবে বাড়তে পারে তা আমার বোধগম্য নয়। সব নিজ প্রয়োজনীয় পন্য দ্রব্য তো ইউক্রেন বা রাশিয়া থেকে আসেনা। শাকসবজি মাছ, মাংস, দুধ ও গুলো তো দেশীয় পণ্য কিন্তু কিভাবে এদের মূল্য বাড়লো? আমি মনে হয় দেশকে এমুহুর্তে অস্থিতিশীল করার জন্য বা পুজিবাদীরা আরও পুজি উপার্জনের জন্য, ধনীরা আরও ধনী হওয়ার জন্য এমন অবস্থার সৃষ্টি করছে। দরিদ্ররা দিনে দিনে আরও দরিদ্র হচ্ছে। কাজেই যারা দুর্নীতির সঙ্গে, ঘুষের সঙ্গে জড়িত এবং অবৈধ ভাবে, অসামাজিক ভাবে ব্যবসা বাণিজ্যে জড়িয়ে দরিদ্র মানুষের রক্তের সংঙ্গে ছিনিমিনি করছে তাদের কে চিহ্নিত করুন এবং সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসুন। সবাই মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই আমরা শস্য শ্যামলা, সুজলা, সুফলা সুন্দর বাংলাদেশে ডাল, ভাত, মাছের সাথে ভাত খেয়ে টিকে থাকতে পারব। যেভাবে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, বিসিএস এর মাধ্যমে সরকারী কলেজের শিক্ষক নিয়োগ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক ক্যাডারে, এছাড়া বর্তমানে পুলিশে, নৌ বাহিনীতে, বিমান বাহিনীতে, বিজিবিতে এবং সেনাবাহিনীতে নিরপেক্ষ ভাবে জবাবদিহিতার সাথে, সচ্ছতার সাথে, দুনীতি মুক্ত পরিবেশে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, একই ভাবে যদি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের বাইরে যদি প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, সহঃ প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ ও মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ও সুপার এবং তৃতীয় শ্রেণীর শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা করেন হয়তো বা অতি দ্রæত দুর্ণীতি মুক্ত ঘুষ মুক্ত সোনার ও স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে পারবো। পরিশেষে যে সমসÍ কারণে দুর্ণীতি ঘুষ বা সময় অসময়ে দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি ঘটছে, সে সমস্ত কারণ সমূহ সবাই মিলে সচ্ছতার সাথে, সচেতনতার সাথে প্রতিরোধ করতে পারলেই বাজারে দ্রব্য মূল্য পুনরায় স্থিতিশীল অবস্থ্্্্্্্্্ায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। আর প্রত্যেকটা মানুষ তার কাংখিত দ্রব্যটি পাবে তার নায্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে।

লেখক: জহিরুল ইসলাম শাহীন
সহঃ অধ্যাপক
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ