HEADLINE
পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট! বাংলাদেশের মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই এমপি রুহুল হক ভোমরায় পাসপোর্ট যাত্রীদের তল্লাশির নামে বিজিবির হয়রানি সাতক্ষীরা পৌরমেয়র চিশতিসহ পৌর বিএনপির ১০ নেতা আটক শাশুড়ির কামড়ে জামাইয়ের কান ও জামাইয়ের কামড়ে শাশুড়ির হাতের শিরা বিছিন্ন কালিঞ্চী এ. গফ্ফার মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বন্দে আদালতে মামলা বৈকারীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার রাত পোঁহালেই দেবহাটা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রকান্ডে ফাঁসিয়ে ভারতে পালালেন মূলহোতা নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই, আমরা গণতান্ত্রিক দল : সাতক্ষীরায় আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

নির্বাচনকালীন বাকবিতন্ডাকে কেন্দ্র করে কাশিমাড়ীতে ছাত্রলীগ নেতাকে মারপিট

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৬৬১
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২

শ্যামনগরের কাশিমাড়ী তে সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকালীন বাকবিতন্ডা কে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতাকে বেধড়ক মারপিট করার ঘটনা ঘটেছে।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা আক্রমণের শিকার হওয়া ছাত্রলীগ নেতার নাম মো. আরাফাত। তিনি বর্তমানে ০২ নং কাশিমাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রলীগ নেতা মো. আরাফাত মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, শনিবার (১২ ই মার্চ) আনুমানিক সন্ধ্যা ০৭ টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত, যুবলীগ সদস্য রাসেল ও স্বাধীনতা প্রজন্মলীগের একজন সহ-সভাপতি এই তিন জন একটি মোটরবাইক যোগে শংকরকাটি বাজার থেকে কাশিমাড়ী বাজারে যাচ্ছিলো। মাঝপথে গোবিন্দপুর নতুন বাজারে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া, নৌকা প্রতীকের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ এর ভাই মো. আসাদুল ইসলাম ও তার ছেলে পরাগ। প্রথমেই পরাগ তাদেরকে পথরোধ করে মোটরসাইকেল বন্ধ করতে বলে। এবং সে চড়াও হয়ে আরাফাত এর দিকে ধেয়ে আসলে আরাফাত এর দুইজন সফরসঙ্গী তারা প্রাণের ভয়ে দৌঁড়ে পালায়। এমতাবস্থায় পরাগ প্রথমে আরাফাত কে শার্টের কলার ধরে ধমকাতে থাকে এবং বলে- আমারে কি বলছিলে যেন, আর ওর পিতা আসাদুল ইসলাম সহ আশপাশে আনিচ চেয়ারম্যান এর কয়েকজন সমর্থক কে ডাকতে থাকেন। এসময় আসাদুল ইসলামও চড়াও হয়ে আরাফাত কে ধমকাতে থাকেন এবং বলেন- তুই নৌকার পক্ষে ভোট করেছিস, আমাদের ৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এখন তোর ওই নৌকার বাপদের ডাক, এখন তোরে কে বাঁচাবে। তখন আনিচ চেয়ারম্যান এর ছেলে গাজী অমিউজ্জামান অমি কে ফোন করে পরাগ। তখন অমি আরাফাত কে মারার নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় আসাদুল ইসলাম, পরাগ হোসেন, গাজী আরিফুজ্জামান পারভেজ, মোস্তাফিজুর রহমান, মিনারুল ইসলাম, নয়ন হোসেন, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আলী হাসান, আব্দুস সাত্তার সহ নাম না জানা আরও ১০/১২ জন লাঠিসোটা সহকারে আরাফাত কে বেধড়ক মারধর করেন। এমতাবস্থায় আরাফাত এর চিৎকার শুনে এবং পথচারীদের তথ্য প্রদানের পর শংকরকাটি বাজার থেকে ৯৯৯ হটলাইনে ফোন করলে শ্যামনগর থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে আরাফাত কে উদ্ধার করেন। গোবিন্দপুর নতুন বাজার থেকে ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত কে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ