বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

প্রতিবন্ধীদের ঘৃণা না করে তাদের প্রতি সদয় হোন

জহিরুল ইসলাম (শাহিন) / ১১৬
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২

প্রতিবন্ধীদের প্রতি সবাই মিলে দৃষ্টি দেই তাদেরকে দেখভালো করি। তারা বড় অসহায়। সমাজে তারা বড়ই ঘৃনিত, উপেক্ষিত, নিপীড়িত, শোসিত, অবহেলিত, অত্যাচারিত, নির্যাতিত, সকল শ্রেণির অধিকার থেকে বঞ্চিত। সমাজে বোঝা স্বরূপ। এমনকি পরিবারের কেউ তাদেরকে খোজ খবর নেয় ন, বাবা মা ও পর্যন্ত। মায়ের কাছেও অনেক সময় আদর যতœ পায় না। মা ও নিরুপায়, তেমন সেবা যতœ দিতে পারে না। এমন চিত্রটাই গ্রামে, গঞ্জে, পাড়ায়, মহল্লায়, শহরে দেশের সর্বত্রই। গ্রামে শহরে বা গঞ্জে ঘুরলে বা খোজ খবর নিলেই সত্যি মনটা দুঃখে ভরে ওঠে। কিন্তু কি করার। একদিন গ্রামে যেয়ে দেখি অসহায় একটা প্রতিবন্ধী মেয়ের আর্তনাদ, আকুতি, মিনতী, সে যেন মাথা নাড়িয়ে কিছুটা একটা বলতে চাচ্ছে। হাটতে পারে না, চলতে পারে না, কথাও তেমন বলতে পারে না কিছুই বুঝতে পারছি না। মনে হলো সে কিছু একটা চাচ্ছে। তার জন্য সেই মুহুর্তে যতটুকু পারলাম ততটুকু সেবা দেবার চেষ্টা করলাম। কি অবস্থা এদের, একটু ভাবুনতো। এরা শারিরিকভাবে, মানসিকভাবে এতটাই অথর্ব, বেচে থেকেও মৃত। বেঁচে থাকার স্বাদ, আহলাদ, আদর, আবদার বলতে এদের কিছুই নেই। সমাজ এদের কে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করছে। এদের দিকে অবশ্যই সুনজর দিতে হবে। এদের কে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এদের অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে। এদের কে বাচতে দিতে হবে। এদের মুখে হাসি ফুটাতে হবে। আমাদের চারপাশে খোজ খবর নিলে দেখা যাবে এরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় কোন গোয়াল ঘরে বা কোন বারান্দায় বা আলাদা কোথাও বাস করছে। একজন সুস্থ, সবল দেহের অধিকারী স্বাভাবিক মানুষের মত তারা ইচ্ছে মতো যে কোন কাজ করতে পারে না। মূলত এই জাতীয় মানুষই আমাদের সমাজে প্রতিবন্ধী হিসাবে পরিচিত। একথা অত্যন্ত সত্য একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে তাদের বেচে থাকা অনেক বেশী বেদনা দায়ক ও আর্তনাদের। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ব গড়ে তোলা উচিত এবং তাদের প্রতি জনগনের জনসচেতনতাও বৃদ্ধি করা উচিত। দুর্ভাগ্যবশত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাভাবিক বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, সকল ক্ষেত্রে বাধা গ্রস্থ হয়ে পড়ে। ইচ্ছে থাকা সত্বেও তারা হাটতে পারে না, চলতে পারে না, খেতে পারে না, নানা শ্রেনীর প্রতিবন্ধী দেখা যায়, যা চোখে দেখলে হৃদয়ে ঝড়ের মত প্রকম্পন শুরু হয়ে যায়। শারিরিকভাবে বা মানসিকভাবেও একজন মানুষ প্রতিবন্ধী হতে পারেন। আবার কেউ কেউ জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী হতে পারেন। আবার কেউ কেউ জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী হতে পারেন। চিন্তাশক্তিহীন, স্মরণশক্তিহীন, পঙ্গু, বোবা, বা দৃষ্টি শক্তিহীন বা অনেক সময় দেখা যায় দুই টি হাত নেই বা পা নেই বা একটি হাত বা একটি পা নেই, কিন্তু দৃষ্টি আছে বা স্মরণশক্তি আছে কিন্তু কিছু করার ক্ষমতা নেই, এরুপ নানা শ্রেণীর প্রতিবন্ধী আমাদের সমাজে দেখা যায়। প্রতিবন্ধীদের সমস্যা খুবই কষ্টকর তাদের এ ব্যক্তিগত সমস্যাকে ছাপিয়ে প্রকট হয়ে ওঠে পারিবারিক ও সামাজিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও অবহেলা সামাজিক নানা বৈষম্যের স্বীকার হন তারা। একজন অন্ধ দৃষ্টি শক্তিহীন ব্যক্তির উপর বা যে ব্যক্তি পঙ্গু তার উপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করা একেবারে অমূলক। জীবন যুদ্ধে টিকে থাকার জন্য যখন সে একজনের সহযোগিতায় দ্বারে দ্বারে আবেদন করে সামান্য সাহায্যের জন্য বা ভিক্ষার জন্য তখন আমাদের অত্যন্ত সহনশীল হতে হবে, আমাদেরকে মানবিক সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের প্রতি যতটুকু পারা যায় দরদ বা ভালোবাসা দেখাতে হবে। কারণ ভালোবাসা কি, মমতা কি ¯েœহ কি, সহমর্মিতা কি, এ সম্পর্কে তারা কিছুই জানে না। তারা তো কখনও আমাদের কাছ থেকে কিছু পায় না। আমরা যেন অবিবেচক বা নিষ্ঠুর বা নির্দয় বা অমানবিক না হই তাদের উপর। করুণা উপহাস, মর্যাদাহীন জীবন যাপন তাদেরকে মানুষিক ভাবে আরোও দূর্বল বা পঙ্গু করে ফেলে। জীবন চলার পথে তারা সমান ভাবে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। সমাজে তারা যেন অতিরিক্ত ভার বা বোঝা এ ধারনা তাদেরকে আরও বেশি পীড়া দেয় এবং প্রতিবন্ধী করে গড়ে তোলে। তারা যেন একসময় হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হয়। পরিবারের, সমাজের বা রাষ্ট্রের কিংবা দুনিয়ার আনন্দ মঞ্চে বা সুখের সাগরে তারা একেবারে উপেক্ষিত ও অবহেলিত। ভালোবাসাহীন, ঘৃণা, অনাদর, অবহেলা ঘৃণা বা উপেক্ষা তাদের অভিশপ্ত জীবনকে ঠেলে দেয় অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। তারা সমাজে চরম দুর্বিষহ যন্ত্রনায় ও আতœ বিশ্বাসহীনতায় ভোগে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপে দেখা যায় যে, পৃথিবীর শতকরা প্রায় দশ ভাগ লোক কোন না কোন ভাবে প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী হবার পিছনে নানা কারন থাকতে পারে। জন্মগত, অপুষ্টিগত, অসুস্থতা জনিত বা দূর্ঘটনাজনিত বা কোন কোন মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে। আবার একজন শিশুর গর্ভপূর্ববর্তী প্রস্তুতির কোন অসুবিধা, গর্ভকালে জন্মের সময় বা জন্মপরবর্তী রোগব্যধি যেমন পোলিও, বসন্ত, টাইফয়েড, রিকেট ইত্যাদি রোগ, অপুষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা অজ্ঞাত কোন কারনে প্রতিবন্ধী হতে পারে। প্রতিবন্ধীদের জন্য অনেকটা সুখবর বয়ে আনে ১৯৮২ সালে যখন ইউএন অর্থাৎ জাতিসংঘ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবন যাপনের অগ্রগতি উন্নয়ন ও মানষিক বিকাশ সাধনের জন্য বিশ্বজনীন কর্মসূচী ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দশক ঘোষনা করেন। জাতি সংঘের উদ্দ্যোগেই প্রতি বছর ৩ ডিসেম্বর সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হয়। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কিছুটা উজ্জীবিত হয় এবং প্রাণ ফিরে পায়। কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে এই ভেবে যে, না আমাদের সাথে জনগণ আছে, যে তারা আমাদের নিয়ে ভাবে। আমাদের জন্য বিশ্বের জনগন কিছু একটা করতে চায়। নতুন আশা বুকে নিয়ে তখন তারা বেচে থাকতে চায়। আমাদের দেশেও প্রতিবন্ধীদের অবস্থা বিবেচনা করলে দেখা যায় যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীরা সমাজে উপেক্ষিত এবং অবহেলিত। আমাদের দেশে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি বিশ লাখের মত। ১,২০,০০,০০০ প্রতিবন্ধী সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব, অশিক্ষা, সচেতনার অভাব, অপুষ্টি, অসাবধানতা এবং অসতর্কতা এবং দূষনযুক্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারনে এ সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সুতরাং একটু দায়িত্ব পালন করলেই সমাজে আন্দোলন গড়ে তুললে হয়তোবা প্রতিবন্ধীর সংখ্যা অনেকটা হ্রাস করা সম্ভব হতে পারে। প্রতিবন্ধী সমাজের বোঝা নয়। একটু মমতা বা ভালবাসা পেলেই তারা নিজেদের প্রমান করতে পারেন। আমাদের দেশে অর্থাৎ বাংলাদেশে এমনই এক বাস্তবতা প্রমান করে দেখিয়েছেন একজন, যার কথা আমি বলছি তিনি আর কেউই নন তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মমতাময়ী মা, বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য উত্তরসূরী সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। সারা বিশ্বে অটিস্টিক শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার কাজ করে যাচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক খ্যাত বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসছেন। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানষিক স্বাস্থ্যের উপর বিশেষজ্ঞ প্যানেলের একজন সদস্য। একজন লাইসেন্স প্রাপ্ত মনোবিজ্ঞানী। সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের উদ্দ্যোগেই ২০১১ সালে ঢাকায় প্রথম বারের মতো অটিজমের মতো অবহেলিত একটি বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে ভারতের কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধি অংশ গ্রহণ করেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলাদেশে নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিজএ্যবিলিটি ট্রাস্ট এ্যাকট ২০১৩ পাশ করা হয়। সেই সংগে তার প্রদান করা পরামর্শের উপর ভিত্তি করেই জাতিসংঘে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উল্লেখ্য যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যাবলীতে অটিজমের বিষয়টি সর্বপ্রথমে তিনিই সংযুক্ত করেন। বাংলাদেশে অটিজম বিষয়ক বিভিন্ন নীতি নির্ধারনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভের পর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেই অটিজম বিষয়ক শুভেচ্ছা দূত হিসাবে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল আজও পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন। সুতরাং এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র দেশ হওয়া স্বত্বেও জাতি সংঘে আজকের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের গর্ব, বাংলাদেশের অহংকার, বাংলাদেশের অলংকার, আয়কন বঙ্গকণ্যার সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। বাংলাদেশে আজকেরদিনে যারা প্রতিবন্ধী তারা ভাবতে পারেন এখন তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বেশ কিছু পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় এবং অটিজম গবেষক ও বিশিষ্ট মেেনা বিজ্ঞানী সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের উদ্দ্যোগে আমাদের দেশে প্রতিবন্ধীরা লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। খেলাধুলা করার সুযোগ পাচ্ছে। এমনকি সরকারী চাকুরীতে প্রতিবন্ধী কোটা চালু করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ভাবে আর্থিক সহযোগিতা করার প্রচেষ্টা চলছে। আজকের আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশীর খবর যে, এইচ এস সি পরীক্ষায় এক প্রতিবন্ধী মেয়ে যার দুইটা হাত এবং একখানা পা নেই অথচ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন এ+ পেয়েছে। একটা মাত্র পায়ের উপর ভর করে এবং পা দিয়ে লিখে সুনামের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। উল্লেখ্য যে জীবনের সব পরীক্ষায় সে গোল্ডেন এ+ পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। এ বৎসরে এইচ,এস,সি পরীক্ষায় এর চাইতে আর কোন ভাল সুখবর আছে কি না আমি মনে করি না। পত্র পত্রিকার মাধ্যমে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীর দৃষ্টিতে আসে এবং সাথে সাথে প্রধান মন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রী মেয়েটির খোজ খবর নেন এবং মেয়েটির ইচ্ছা পূরনের জন্য অর্থাৎ মেডিকেল পড়ার জন্য হয়তো বা সকল দায়িত্ব সরকার গ্রহন করবেন আমরা এটা আশা করি। আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে ও আমাদের পক্ষ থেকে অত্যন্ত সফলতার জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। অনেক প্রতিবন্ধীই প্রতি বছর জে, এস, সি এস, এস, সি বা এইচ, এস, সি তে ভাল ফলাফল করে আসছে। তাদের কে ও আমরা আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তাদের দেখাদেখি দেশের গ্রামে গঞ্জে আনাচে কানাচে যারা প্রতিবন্ধী আছে তারাও আজ উজ্জীবিত হবে। তারা আজ কুসংস্কার থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। একদিন নিজেদের পায়ে দাড়াতে পারবে এবং দেশ ও দশের এবং নিজ পরিবারের সেবা দিতে পারবে এবং দেশ গড়ার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদেরকে তারা নির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে পারবে এ আশা আমরা করতে পারি। অবহেলা, অনাদর, ঘৃনা, শোষন, নিপীড়ন নিমর্মতা, যারা তাদের উপর দেখিয়েছিল বা তাদের কে নিরুৎসাহিত করেছে আজ আমরা তাদেরকে ঘৃনা করতে শিখি, প্রতিবন্ধীরা তো আমাদের সন্তান কেউ তাদের মধ্যে আমাদের ভাই বা বোন বা আমাদের নিকট তম জন। আজ আমরা বা আমাদের সন্তানরাও তো প্রতিবন্ধী হতে পারতাম। তাই পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ আল কোরআন এবং আমাদের বিভিন্ন শিক্ষা লাভ করার ক্ষেত্রে একটা বিষয স্পষ্ট, কাউকে কখনও ঘৃনার চোখে দেখা যাবে না। কাউকে খাটো করা যাবে না। ছোট হোক বা বড় হোক, সাদা বা কালো হোক, ধনী বা দরিদ্র হোক সবাইকে সমান ভাবে ভালবাসতে হবে। তাই আসুন আমরা হিংসা দ্বেষ, ক্লেশ, বিদ্বেষ, লোভ- লালসা ভূলে যেয়ে সবাইকে সমান ভাবে দেখার চেষ্টা করি এবং বিশেষ করে প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও হক প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাতœক চেষ্টা করে যাই। ভাল থাকি, সুস্থ থাকি আমরা সবাই।

লেখকঃ জহিরুল ইসলাম (শাহিন)
সহঃ অধ্যাঃ ইংরেজী
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ