বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৯ অপরাহ্ন

শিল্পের প্রসার ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়

জহিরুল ইসলাম শাহিন / ৯৯
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১

এ মুহুর্তে তৃতীয় বিশ্বে বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। দরিদ্রতা কিছুটা বিমোচন হয়েছে। কৃষ্টি কালচার বা সভ্যতা কিছুটা বেড়েছে। প্রকৃত শিক্ষা আমরা না পেলেও শিক্ষার হার ও কিছুটা বেড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ডিকেডে বেশ উন্নতি লাভ করেছে। মানুষে মানুষে সামাজিক আচার রীতি নীতি স্বভাব আত্মীয়তার বন্ধন কিছুটা পরিচয় দেবার মত অবস্থা তৈরী হয়েছে। সব মিলিয়ে তৃতীয় বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ মাথা উচু করে দাড়িয়ে থাকার মত একটা পরিবেশ তৈরী হয়েছে। রাজনীতির ক্ষেত্রে অস্থিরতা দূর করে নির্ভয়ে রাজনীতি করার মত একটা গনতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরী করতে পারলে হয়ত বাংলাদেশ অচিরেই বিশ্বের দরবারে মর্যদাপূর্ণ একটা উন্নত রাষ্ট্রে উপনীতি হতে পারবে। আর সর্বদিক দিয়ে একটা জিনিসের অভাব যেটা হলো সবাই মিলে যদি শিল্পের দিকে, মিল কল কারখানার দিকে একটু নজর দিলেই বাংলাদেশ একটি মডেল দেশে রূপান্তরিত হতে পারে কারন বিশ্বে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময়ী দেশ। মংস্য শিল্প কৃষি শিল্প তামাক শিল্প ও পোষাক শিল্প তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সুতরাং শিল্পে উন্নত দেশ গুলির সাথে পাল্লা দিয়ে যদি সামনের দিকে এগুনো যায় তবে বাংলাদেশ হবে উন্নত বা স্বয়ংসপূর্ণ দেশ। উন্নয়নশীল দেশ নয় এ জন্য দরকার সরকারের সদিচ্ছা এবং কিছু নিখুত পরিকল্পনা যার মাধ্যমে অতি দ্রæত শিল্প উন্নত দেশে বাংলাদেকে রূপান্তরিত করা সম্ভাব পর হয় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাহায্য ও সহযোগিতাও এ মুহুর্তে প্রয়োজন। এ কথা সত্য আমাদের দেশের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বিজ্ঞানী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষের গুরত্ব বিদেশে অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলদেশ অনেকটা এগিয়ে গেছে এর পিছনে কৃষি ভিত্তিক উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ ভৃমিকা রেখেছে। সুতরাং উন্নতির চরম শিখরে বা শীর্ষে পৌছাতে হলে সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন সাধনের জন্য শিল্পক্ষেত্রে এর প্রসারতার যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দেশের পক্ষে কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতির চেয়ে শিল্প ভিত্তিক অর্থনীতি অধিকতর কাম্য বলে বিবেচিত। এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ শিল্পোন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় শিল্পের দিক দিয়ে আমাদের পূর্বাঞ্চল সম্পূর্ণ উপেক্ষিত ছিল। সুতরাং শিল্পের দিকে গুরুত্ব প্রদান একান্তই স্বাভাবিক। বিভিন্ন শিল্প কলকারখানার উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নতি কোন ভাবেই সম্ভব নয়। বেশ কিছু বেসরকারী উদ্দ্যোগে দেশে মুলধন বিনিয়োগে যথেষ্ট উৎসাহ দেখা না যাওয়ায় অতীতে সরকারই শিল্পোন্নয়ন সংস্থা গঠন করে শিল্প প্রসারের উদ্যোগ গ্রহন করে। সরকার নিয়ন্ত্রিত শিল্প উন্নয়ন সংস্থা শিল্পোন্নয়নের দায়িত্ব গ্রহণ করায় শিল্পের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়। ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে তামাক শিল্প, পাট শিল্প, কাগজ শিল্প, ইস্পাত ও লৌহ শিল্প সার কারখানা, চিনি ও খাদ্য শিল্প ইত্যাদি ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শুধু মাত্র শিল্পোন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার বা রাষ্ট্র দেশে শিল্পের সম্প্রসারনের জন্য শিল্প ব্যাংক স্থাপন করেছে, শিল্প ঋণ সংস্থা স্থাপন করেছে এবং এ ধরনের আরো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শিল্পকে আরো বেশী পরিমান সম্প্রসারন করার জন্য আজকের অধিকাংশের বড় বড় শিল্প কারখানাই এখন শিল্পোন্নয়নের পথ রেখা যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। আজকের পাট শিল্প, মৎস শিল্প, তামাক শিল্প, কৃষি শিল্পের সাফল্যের উপর দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি অনেকখানি নির্ভরশীল। দেশের বর্তমান অনেক গুলো পাট শিল্প আছে এবং এতে যে পন্য উৎপাদিত হচ্ছে তা আমাদের দেশের প্রয়োজন মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়ে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটাচ্ছে। পরিমানগত ও গুনগত দিক থেকে পৃথিবীর পাট উৎপাদন কারী দেশ গুলোর মধ্যে বাংলাদেশের কোন প্রতিদ্বন্ধী নেই। কিন্তু ১৯৩০ সাল পর্যন্ত আমাদের দেশে কোন পাটকল স্থাপিত হয় নি। উৎপাদিত সব কাচা পাট বিদেশে রপ্তানি হতো। ১৯৫১ সালে নারায়নগঞ্জের কাছে আদমজী নগরে প্রথম পাটকল স্থাপিত হয়। ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত এখানে ৭৭ টি পাটকল স্থাপিত হয়েছে। সম্প্রতি আদমজী পাটকলটি বি এন পি সরকারের সময়ে বিলুপ্ত করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এবং আট হাজার পাটকল শ্রমিক ঐ সময়ে তাদের চাকরী হারায় এবং মানবেতর জীবন যাপন করেন। বর্তমানে চট্রগ্রাম, খুলনা এবং নারায়নগঞ্জ এ তিনটি প্রধান পাট শিল্প কেন্দ্র। এ ছাড়া ডেমরা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী, গৌরিপুর, চাঁদপুর, হাজিগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার প্রভৃতি স্থানে পাটকল রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও বেসরকারী উদ্যেক্ততার অভাবে এদেশে বস্ত্র শিল্প তেমন বেড়ে ওঠেনি। ১৯৪৮ সালে আমাদের দেশে মাত্র ৯ টি কাপড়ের কল ছিল। ১৯৭০ সাল নাগাদ তাহা বেড়ে হয়েছে ৩৪ টি। এটা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগন্য। ঘন জনবসতির দেশে মাত্র কয়েক টি পোষাক তৈরীর কারখানার মাধ্যমে বস্ত্র সংকুলান সম্ভব নয়। বিশেষ করে ঢাকা, টঙ্গি, নারায়নগঞ্জ ও নরসিংদী জেলায় পোষাক শিল্পের প্রধান কেন্দ্র গুলি অবস্থিত। এ ছাড়া কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদহ ভেড়ামারা জেলা শহরে, কুমিল্লা, চট্রগ্রাম, কালিগঞ্জ প্রভৃতি স্থানে পোষাক কারখানা আছে। বাংলাদেশের চিনি কলগুলি প্রধানত উত্তরে ও পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এখানে ১৮ টি চিনি শিল্প কারখানা স্থাপিত হয়েছে। দেশে প্রতি বছর যে পরিমানে চিনির প্রয়োজন হয় তা এই কারখানা গুলি উৎপাদন করতে মোটামুটি সক্ষম। দর্শনায়, হারিয়ানা, মোবারকগঞ্জ, গোপালপুর, জয়পুর, জয়তি, পঞ্চগড়, ঠাকুরগা, চরসিন্দুর(ঢাকা) সহ কিশোরগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ এবং কালিয়া চাপড়া প্রভৃতি স্থানে চিনি শিল্প কারখানা আছে। বিশেষ করে শিক্ষা সভ্যতার একটা বিশেষ মাধ্যম হচ্ছে কাগজ। কাগজ বোর্ড ও নিউজপ্রিন্ট শিল্পে প্রচুর কাঁচামাল থাকায় এদেশে এসব শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। এদেশের সবচেয়ে বড় সরকারী কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিল। ১৯৫৩ সালে এই কাগজ মিলটি কাগজ উৎপাদন শুরু করে। ১৯৫৯ সালে শিল্প নগরী খুলনাতে নিউজ প্রিন্ট মিল স্থাপন করা হয়। পাবনা জেলার পাকশীতে কাগজের মিল রয়েছে এবং এই মিলের কাজ এদেশে ছাত্র ছাত্রী অভিভাবক এবং শিক্ষকদের কাছে খুবই প্রিয় কাগজ হিসাবে পরিচিত। এ ছাড়া দক্ষিনের বিভাগীয় জেলা শহর খুলনাতে রয়েছে হার্ডবোর্ড কারখানা। এদেশে কাগজ শিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারনের কারনে নিজ প্রয়োজন মিটিয়ে এখন বিদেশে ও কাগজ রপ্তানী করা হয়। এটা আমাদের জন্য গর্বের যে, আমাদের দেশের তৈরি কাগজ বিদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। কাগজের ক্ষেত্রে আমরা বিদেশীদের কাছে নির্ভরশীল নই। আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অভূত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে সার কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এবং সাভাবিক গতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার বিশেষ মনোযোগ বা গুরুত্ব দেওয়ার কারনে দেশে সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৬১ সালে সিমেন্টের ফেঞ্চুগঞ্জে সর্ব প্রথম বৃহৎ সার কারখানা স্থাপিত হয়। ঘোড়াশালে প্রাকৃতিক গ্যাস অবলম্বনে সার কারখানা, খুলনার ট্রিপল সুপার ফসফেট কারখানা, চট্রগ্রামে সুপার ফসফেট কারখানা, আশুগজ্ঞে প্রতিষ্ঠিত সার কারখানা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সার কারখানার উপর সরকারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকার কারনে কৃষকদের জমিতে সার ব্যবহার এর ক্ষেত্রে তেমন একটা ভোগান্তি পেতে হয় না। এটা কৃষকদের জন্য একটা মুখের খরচ তারা পর্যাপ্ত সার পাওয়ার কারনে তাদের সোনার ফসল অত্যন্ত আনন্দের মাধ্যমে ঘরে তুলতে পারছে। এ ছাড়া আরও অনেক ধরনের শিল্প আছে যাহা দেশ বা জাতিকে স্বনির্ভরতার দিকে নিয়ে যেতে গেলে রাষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তার মধ্যে ভারী লৌহ জাত শিল্প। ভারী লৌহজাত শিল্প স্থাপনের জন্য বর্তমান সরকার বেশ গুরুত্ব দিয়েছে। শিল্পোন্নয়ন কর্পোরেশনের মাধ্যমে চট্রগ্রাম ইস্পাত কারখানা স্থাপিত হয়েছে। বৃহত্তর ঢাকা জেলাতে অর্থাৎ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে স্থাপিত হয়েছে মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী। এ সব শিল্প কারখানায় নানা ধরনের লৌহজাত পন্য উৎপাদিত হয়ে দেশের অভাব পূরন করেছে। এ ছাড়া ১৯৪৭ সালে আমাদের খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও নারায়নগঞ্জ ক্ষুদ্র জাহাজ মেরামত কারখানা ছিল এবং এখনও তাহা আছে। দেশের প্রথম জাহাজ তৈরীর কারখানাটি ১৯৭১ সালে খুলনায় প্রতিষ্ঠিত হয়। রেশম শিল্প, চা শিল্প, চামড়া শিল্প, লবন শিল্প, সিমেন্ট কারখানা, রাসায়নিক কারখানা, মেডিসিন কারখানা, কাঠ শিল্প ইত্যাদি ক্ষেত্রেও আমাদের দেশে যথেষ্ঠ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিল্পোন্নয়নের সাথে সাথে সরকারী খাতের পাশাপাশি বেসরকারী খাতের অর্থ বিনিয়োগ পর্যাপ্ত অনুপ্রেরনা ও উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প সরকার জাতীয়করণ করেছে। এটা একটা সুখের খবর। বেসরকারী উদ্যোগের মাধ্যমে আরও নতুন নতুন কারখানা ফ্যাক্টরী মিল শিল্প সম্ভাবনার মাধ্যমে বা ক্ষেত্রে নির্বাচনের কাজ চলছে। বর্তমান সরকার বেশী মনোযোগ দিয়েছে এ মুহুর্তে বেসরকারী মুলধন বিদেশী মুলধন আকর্ষনের দিকেও। স্বাধীন দেশের চেতনায় ও জাগ্রত উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সমৃদ্ধ ও উন্নতির স্বার্থে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল কে সংগে নিয়ে একত্রে শিল্পোন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা শিল্প উন্নত দেশ জাপান, কোরিয়া, তাইওয়ান, চীন, জার্মান, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট ইত্যাদি দেশের দৃষ্টান্ত অনুসরন করতে পারি। ইচ্ছা থাকলে এবং উদ্যোগ নিতে পারলে মটরযান,নৌযান, আকাশযান সহ সকল ধরনের যানবাহনের নিজস্ব ভাবে নির্মান করতে পারি। তখন আর বিদেশী পন্যের উপর বা যন্ত্রাংশের উপর আমাদের নির্ভর করতে হতো না। দেশ আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেত। বেশি উদ্দ্যোগ বা মনোনিবেশ না নেওয়ার কারনে রাষ্ট্রয়াত্ব শিল্পের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক কালে যথেষ্ট ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। কল কারখানায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমাদের দেশে শিল্পনীতি তে কিছুটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সরকার বর্তমানে দেশে অনেক গুলো রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল গড়ে তুলেছেন। বিদেশে মুলধন বিনিয়োগের জন্য চেষ্টা চালাতে হবে। বেশী বেশী পুজি বা মুলধন বিনিয়োগ করা গেলে এ সব পরিকল্পনা অনেক স্বার্থক বা লাভ জনক হতে পারে। ব্রিটিশ শাসনামলে আমাদের দেশে শিল্প কারখানা তেমনটা গড়ে ওঠেনি যাহা গড়ে উঠেছে বা পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছিল সেটা ভারতে। সুতরাং এদিক দিয়ে আমাদের কে অনেকটা পিছিয়ে পড়তে হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার বৃহদায়তন শিল্পকারখানা গুলো সরকারীকরণ করেছে সেই সাথে বেসরকারী উদ্দ্যোগে নতুন নতুন শিল্প কল কারখানা গড়ে ওঠেছে উৎসাহিত করেছে। সুতরাং আমাদের মনে রাখা উচিত শিল্পোউন্নয়ন ছাড়া পৃথিবীতে কোন দেশ স্বনির্ভর হতে পারেনি এবং কোন উন্নয়নও সম্ভব হয়নি। তাই আপামোর জনসাধারনের সরকারের পাশাপাশি উদ্যোগ নিতে হবে কিভাবে শিল্পোন্নয়ন করে দেশ কে পরনির্ভরশীলতার হাতথেকে রক্ষা করা যায়।

লেখকঃ জহিরুল ইসলাম শাহিন
সহকারী অধ্যাপক
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ