HEADLINE
পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট! বাংলাদেশের মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই এমপি রুহুল হক ভোমরায় পাসপোর্ট যাত্রীদের তল্লাশির নামে বিজিবির হয়রানি সাতক্ষীরা পৌরমেয়র চিশতিসহ পৌর বিএনপির ১০ নেতা আটক শাশুড়ির কামড়ে জামাইয়ের কান ও জামাইয়ের কামড়ে শাশুড়ির হাতের শিরা বিছিন্ন কালিঞ্চী এ. গফ্ফার মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বন্দে আদালতে মামলা বৈকারীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার রাত পোঁহালেই দেবহাটা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রকান্ডে ফাঁসিয়ে ভারতে পালালেন মূলহোতা নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই, আমরা গণতান্ত্রিক দল : সাতক্ষীরায় আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

ঈদকে সামনে রেখে ঝাউডাঙ্গা-কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকছে ভারতীয় পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৭২
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

আসন্ন ঈদুল ফিতরের বাজার দখলে প্রতিদিন রাতের আধারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ও কলারোয়া সীমান্ত পথে লাখ লাখ টাকার ভারতীয় পন্য পাচার হয়ে আসছে। ফলে দেশীয় পন্য অবিক্রিত হয়ে পড়ায় সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

সীমান্তবাসির উদ্ধৃতি দিয়ে একাধিক সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে আসন্ন ঈদের বাজার দখল করার জন্য গভীর রাতে সীমান্তের রাস্তাঘাট জনশূন্য হলে ভারতীয় পন্য পাচারের ঢল নামে। সোনাই নদী ও ইছামতি নদী সীমান্তে এসব পন্য বাংলাদেশে আনার জন্য অসংখ্য নৌকা নিয়োজিত রয়েছে। এজন্য সীমান্তের রেউই, কেঁড়াগাছি চারাবাড়ি ঘাট, কেঁড়াগাছি কুটিবাড়ি ঘাট, কেঁড়াগাছি রথখোলা ঘাট, কেঁড়াগাছি গাড়াখালী ঘাট, দক্ষিণ ভাদিয়ালী ঘাট, ভাদিয়ালী তেতুলতলা ঘাট, উত্তর ভাদিয়ালী কামারবাড়ি ঘাট, রাজপুর খা-বাগানের ঘাট, চান্দা সুইচ গেট ঘাট, বড়ালী সুইচ গেট ঘাট, উত্তর বড়ালী ঘাট, হিজলদী ভদ্রশাল ঘাট, হিজলদী শিশুতলা ঘাট, সুলতানপুর ঘাট, সুলতানপুর তালসারি ঘাট, গোয়ালপাড়া ঘাট, চান্দুড়িয়া ঘাট, কাদপুর ঘাট দিয়ে ভারতীয় পন্য প্রবেশ করছে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে এসব ঘাট দিয়ে আসন্ন ঈদের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী আসছে। এরমধ্যে ছোলা, বুট, জিরা, মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, আঙ্গুর, আপেল, মালটা, ন্যাশপতি, বেদানা, কিসমিস, শার্ট পিস, প্যাণ্ট পিস, রকমারী পাজ্ঞাবী, থ্রিপিস, টুপিস, জর্জেট শাড়ী, ওড়না, গেঞ্জি, শিশু পোষাক, বালিশের কভার, বেডশীট, তোয়ালে, সীট কাপড়, উন্নতমানের বোম্বে প্রিণ্ট শাড়ী, সাউথ ইন্ডিয়ান সিল্ক শাড়ী, কাতান, বেনারসী, আতর, সেণ্ট, বডি লোশন, সেভিং লোশন, সেভিং ক্রীম, বিভিন্ন প্রকারের ইমিটেশন অলঙ্কার, হাড়ি, কড়াই, ষ্টীলের প্লেট, গ্লাস, বাটি, গামলা, বালতি, কড়ির কাপ, পিরিচ, প্লেট, গামলা, ডিনার সেট, শিশু খেলনা, সেনেটারী ব্যাসিন, পাইপ, প্যান, বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেণ্ট, এলইডি বাল্ব, ঘর ওয়ারিং সামগ্রী সুইচ, সিলিং রোজ, সকেট, জুতা, রকমারী স্যান্ডেল অন্যতম। পন্য গুলো বাই সাইকেল, মটর সাইকেল, ইঞ্জিন ভ্যান, নসিমন বা আলমসাধু ভরে যশোর জেলার বাগঁআচড়া, বাঁকড়া, কলারোয়া, ঝাউডাঙ্গা, কেশবপুর, রাজগঞ্জ, মনিরামপুর, যশোর, নওয়াপাড়া, পাটকেলঘাটা ও চুকনগরে প্রবেশ করে। এরপর এসব পন্য চাহিদা মত খুলনা, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন বাজার সহ রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে সুত্র জানায়। সুত্র মতে আরো জানা গেছে, সীমান্তবর্তী সোনাবাড়িয়া, গয়ড়া, বালিয়াডাঙ্গা, খোর্দ্দ সরসকাটি বাজারে ভারতীয় জুতা ও কাপড় বিক্রির পৃথক দোকান খোলা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বৈধ পথে ভারতীয় পন্য সামগ্রী আনার দাবী করে। তবে বৈধ পথে আমদানীর বহু গুণ চোরাই পথে আনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়। তাছাড়াও গোপন সূত্রে জানা যায় কলারোয়ার ভাদিয়ালী সীমান্ত আলিমের ঘাট দিয়ে পানির নিচ দিয়ে দড়ির মাধ্যমে ভারতীয় রৌপ্য গহনা হরহামেশাই পার হয়ে রাজ্জাকের মোড় হয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে যায় বলে খবর পাওয়া গেছে। এভাবে দক্ষিণাঞ্চলে হাট বাজার এখন সস্তা দামের চাকচিক্যময় ভারতীয় পন্যে সয়লব হয়ে গেছে। এতে দেশীয় পন্য অবিক্রিত হয়ে পড়ছে। ফলে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। সীমান্তের কতিপয় অসাধু জনপ্রতিনিধি এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা মোটা অংকের নিয়ে চোরাচালানে সহায়তা করছে এবং সেইসাথে অসাধু সীমান্তরক্ষীরা টাকার বিনিময়ে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে সীমান্ত সুত্রগুলো জানান।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ