HEADLINE
পরীক্ষার সময় পরিবহন চলা নিয়ে নিশ্চিত নয় জবির পরিবহন পুল উপকূলে সংকট বাড়ছে, সংকট সমাধানে প্রয়োজন সুপেয় পানি সহ টেকসই বেড়িবাঁধ খলিশাখালিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, প্রশাসনের সহযোগীতা চান ভূমিহীনরা একটি ছবি হয়ে উঠেছে আদর্শ ও অনুপ্রেরণা উৎস : তথ্য প্রতিমন্ত্রী খুলনায় ইউপি ভবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৩ আশাশুনিতে পারস্পরিক শিখন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর বল্লীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা কেশবপুরের বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে তরমুজ চাষে কৃষকের সাফল্য সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারণ্য থেকে ৩ জেলেসহ মাছ ধরা ট্রলার আটক অসহায় মানুষের পাশে “আল নূর” পরিবার
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুকে কেন আমরা জাতির জনক বলি?

জহিরুল ইসলাম শাহিন / ৭৪
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১

আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশে বাস করি। যে দেশ স্বাধীনতা সংগ্রামে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। পরাধীন কোন দেশে আমরা এখন আর বাস করি না। পরাধীনতার গøানি বা কালিমা আমাদের মধ্যে নাই। ইতিহাস সমৃদ্ধ দেশ বাংলাদেশ। পৃথিবীর মানচিত্রে ইতিহাস সৃষ্টি করে যে দেশগুলি স্বাধীনতা লাভ করেছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। নারী, পুরুষ, কিশোর, শিশু, কবি, সাহিত্যিক, সরকারী কর্মচারী, কর্মকর্তা, আবল, বৃদ্ধ এবং রাজনীতিবিদরা স্বতস্ফুর্তভাবে যুদ্ধ ও সংগ্রামে অংশ গ্রহন করে পরাধীনতার মালিকের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করেছে। এবং এর পিছনে যে ব্যক্তির দুরদর্শী ও বিচক্ষন দিক নির্দেশনা ছিল যে ব্যক্তির নেতৃত্বে আপামর জন সাধারন ঐক্য বদ্ধভাবে একডাকে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে পরাধীন শাসন তন্ত্রের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করলো এবং স্বাধীন দেশের পতাকা উড়ালো, তিনি কেউই নন, এই জাতির প্রতিষ্ঠাতা, এই জাতির নির্দেশক, এই জাতির ভরসা, এই জাতির হৃদয়, এই জাতির স্পন্দন, এই জাতির চির স্মরনীয় ও উজ্জল নক্ষত্র, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানী হানাদার শাসক গোষ্ঠী যখন বাঙালী জাতিকে নয়া উপনিবেশে পরিনত করলো, ঠিক সেই মুহুর্তে তিনি বাঙালী জাতিকে শোনালেন মুক্তির ও অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে আসার অগ্নিবানী। গাঁ শিহরিয়ে উঠা এবং আগুন ঝরা ভাষন আপষহীন দৃড়তা এবং প্রতিশ্রæত মনোভাবের কারনে তিনি পরিনত হলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানে, শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ নেতার একজন এবং বাংলার অবিসংবাদিত নেতায়। এবং সারা বাঙালীর হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়ে তিনি হলেন বাংলার একমাত্র নেতা এবং সকলের কাছে হয়ে উঠলেন হৃদয়ের বঙ্গবন্ধু। আবহমান কাল ধরে বাঙালীর স্বপ্নে ললিত স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চিরস্মরনীয় এবং অ¤øান হয়ে আছেন ইতিহাসের পাতাসহ বাঙালী জাতির হৃদয় স্পন্দনে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তিনি গোপালগঞ্জের এক ছায়া সুনিবিড় পরিবেশে টুঙ্গি গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। বঙ্গবন্ধুর পিতার নাম প্রয়াত শেখ লুৎফর রহমান, মাতা সায়রা খাতুন, তিনি ছিলেন পরিবারের বড় ছেলে, তাই সবার নজর একটু বেশী ছিল বড় খোকার দিকে অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর দিকে। সবার আদর ও পাইতেন বেশী তিনি। তার সপ্তম পূর্ব পুরুষ দরবেশ শেখ আব্দুল আউয়াল ১৪৬৩ খৃঃ ইসলাম ধর্মের প্রচার কাজে এদেশে আসেন এবং গোপালগঞ্জে বসবাস শুরু করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে ঐ সময়ে দরবেশ শেখ আব্দুল আউয়াল ও বায়োজিদ বোস্তামী (রঃ) একসাথে তৎকালীন ভারত বর্ষের অত্র এলাকায় আগমন করেন। অতএব নিঃসন্দেহে বলা যায়, তিনি জন্ম ও বংশ পরিচয়ের দিক থেকে উত্তম ব্যক্তি বর্গের এবং ঐতিহ্যবাহী পরিবারের অন্যতম। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছিলেন প্রতিবাদী এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে উদ্ধত উচ্চারন তাই ছাত্র জীবনেই তিনি ওতপ্রোতভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। একবার অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শের-ই বাংলা এ কে ফজলুল হক (প্রধান মন্ত্রী অবিভক্ত বাংলা) অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে বললেন, “একদিন তুমি এ জাতিকে নেতৃত্ব দিবে।” ১৯৪৬ সালে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হলে তদানীন্তন সময়ে মুসলিম লিগের তরুনদের মধ্যে যারা ছিল অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জল বাহক তাদের মধ্যে ছিলেন পূর্ব বাংলার অন্যতম প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। ঐ সময়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা কালীন বিশ্ব বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলন করার জন্য বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তপক্ষ বঙ্গন্ধুকে জরিমানা করেন কিন্তু বঙ্গবন্ধু কোনভাবেই জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। এবং ছাত্রত্ব খারিজ করা হয়। কিন্তু তিনি কাহারো কাছে মাথা নত করেন নি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করেছেন মাত্র। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে যথার্থ দর্শন পেয়েছেন সেই সময়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, শের-ই বাংলা ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, নেতাজী সুভাষ চন্ত বসু এবং শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী প্রভৃতি জনদরদী নেতৃত্বের কাছ থেকে। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তাদের সাহচর্য ও অনুপ্রেরনা লাভ করেন। দেশের আপমর জনসাধারনের অধিকার আদায়ের জন্য বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তাকে অনেকবার কারাগারে যেতে হয়েছিল। এমনকি ১৯৫২ সালে ভাষা সৈনিকদের উপর গুলি বর্ষনের প্রতিবাদে তিনি কারাগারের ভিতরেই অনশন চালিয়ে যান। ১৯৬৬ সারে তিনি পাক শাসকদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের মুক্তির জন্য ৬ দফা দাবি পেশ করেন। পাকিস্তানী উপনিবেশিক রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে উক্ত ছয় দফাকেই সেই সময় বলা হতো বাঙালীর জাতির মুক্তির সনদ। এর পর পরই পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী বাঙালী জাতির মুক্তির দিশারী শেখ মুজিব কে বিচ্ছিন্ন করতে বিভিন্ন ধরনের মামলায় জড়ানো হয় এমনকি রাষ্ট্রোদ্রোহী মামলায়ও জড়ানো হয়। এই রাষ্ট্রোদোহী মামলাই বাংলার ইতিহাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং ১৯৬৯ সালে বাংলার দামাল ছেলেদের সাহসী সংগ্রাম ও আন্দোলন গণঅভ্যূত্থানে রূপ নেয় এবং ষড়যন্ত্রকারীরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় এবং অন্য কোন ষড়যন্ত্র না করে তাকে নির্দিধায় মুক্তি দেয়। বন্দী দশা থেকে মুক্তির পর ২৩ ফেব্রæয়ারী ১৯৬৯ ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ছাত্র জনতার বিশাল জনসভায় সেই সময়ের ডাকসু ভিপি সাবেক মন্ত্রী এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদের মাননীয় সাংসদ, বাংলাদেশের দক্ষিনে অবস্থিত ভোলা জেলার কৃতি সন্তান জনাব তোফায়েল আহমেদ বাংলার কিংবদন্তীর সেরা নায়ক শেখ মুজিবুর রহমান কে ‘বঙ্গবন্ধু’ হিসাবে আখ্যায়িত করেন। সেই থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধু নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী বাঙালীদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার চক্রান্তে মেতে ওঠে। এ ষড়যন্ত্রকারী ও চক্রান্তকারীদের কাছ থেকে বাঙালী জাতির মুক্তির জন্য তিনি ৭ মার্চ ১৯৭১ ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার সমাবেশে তিনি বজ্রকন্ঠে ঘোষনা করেন- “ এবারের সংগ্রাম, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম” উক্ত ভাষনের মাধ্যমে সারা বাংলার জনগন নতুন প্রান ফিরে পেল। যুদ্ধে যেতে হবে, অস্ত্র ধরতে হবে, দেশ স্বাধীন করতে হবে, মাগো বিদায় দাও, দোয়া করো মহান আল্লাহর কাছে, যেন দেশ স্বাধীন করে তোমার কোলে ফিরে আসতে পারি। আর যেন চির দিনের জন্য নিশ্চিহ্ন করতে পরি আমাদের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা পাক হানাদার বাহিনী, শক্তি এবং সাহস নিয়ে বজ্র কন্ঠে ভাষন হৃদয়ে ধারন করে। কিন্তু হঠাৎ করে ২৫ শে মার্চ গভীর রাতে কিছু বুঝে ওঠার আগে হায়েনারা ঝাপিয়ে পড়লো নিরীহ, নিরস্ত্র জনগনের উপর এবং টার্গেট করলো ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ব বিদ্যালয়, রাজার বাগ পুলিশ লাইন সহ বংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক, রাজনৈতিক দলের নেতা, উকিল, দার্শনিক, কবি, সাহিত্যিক, পুলিশ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিভাবান ব্যক্তিদের উপর এবং রক্তের ¯্রােত বইতে শুরু করলো ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাজ পথে ও অলিতে গলিতে। এবং অনেক ব্যক্তিদের উপর নির্বচারে গুলি চালানো হয় ও গ্রেফতার করা হয় বাংলার ও বাঙালীর প্রানের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলেন যে তিনি গ্রেফতার হতে যাচ্ছেন। তাই গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষনা করেন বীর বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য। ২৬ ও ২৭ শে মার্চ যথাক্রমে হান্নান চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (সাবেক রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনা পত্র পাঠ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকলেও তার নামেই মুক্তিযুদ্ধ চলে। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে বাংলাদেশ সরকার শপথ গ্রহন করেন। বঙ্গবন্ধুই ছিলেন অস্থায়ী সরকারের প্রধান বা রাষ্ট্রপতি। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা দেশের জন্ম হয়। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন বাংলার রুপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। দেশে ফিরেই শাসনভার গ্রহন করেন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল খুবই ভঙ্গুর। এরপর ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবের স্বপ্ন ক্ষুধা দারিদ্রহীন সোনার বাংলা গড়ে তোলা। অল্প সময়ের মধ্যে তার লালিত স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছিল এবং বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন ও আসা শুরা হয়ে গেল কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে এবং বঙ্গমাতা তার সহধর্মিনী ও পরিবারের অনেক সদস্যদেরকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো। যা নিষ্ঠুর, নির্দয়, দেশের শত্রæ ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে মুহুর্তের মধ্যে নিভে যায় দেশের প্রান পুরুষ হৃদয় স্পন্দন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জীবন প্রদীপ। গ্রীষ্মের বৃষ্টির মত ক্ষনস্থায়ী নয়, শরতের শিশিরের মত ক্ষনস্থায়ী নয়, উল্কা পিন্ডের মত ক্ষনস্থায়ী নয়, ধুমকেতুর মত হঠাৎ আবির্ভাব নয়, বাংলার পূর্ব আকাশে রক্তিম সূর্যের মত রাজনৈতিক গগনে ধ্রæব নক্ষত্রের মতোই কাল-পরিক্রমায় বঙ্গবন্ধু বাংলার জমিনে চিরস্থায়ী আসন লাভ করেন। তার কোন মৃত্যু নাই। তিনি অমর। তিনি বেচে থাকবেন পৃথিবীতে ততদিন, যতদিন পূর্ব দিগন্তে সূর্য উকি মারতে থাকবে। বাংলার মানুষের হৃদয়ে তিনি আসন করে নিয়েছেন চিরদিনের জন্য। বাংলার মানুষকে ছেড়ে কখনও কোথাও তিনি যাবেন না,তার আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে তার প্রেরনায় নতুন জীবন নিয়ে তার অসমাপ্ত কাজ সম্পাদন করবে এদশের জনগন, এটাই আজকের প্রত্যয়। আজ তাকে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বীজ বপন করে বহু পরিচর্যার মাধ্যমে বৃক্ষে রুপান্তর করে সোনার ফসল ফলানো সম্ভব।

লেখকঃ জহিরুল ইসলাম শাহিন
সহকারী অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ