HEADLINE
পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট! বাংলাদেশের মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই এমপি রুহুল হক ভোমরায় পাসপোর্ট যাত্রীদের তল্লাশির নামে বিজিবির হয়রানি সাতক্ষীরা পৌরমেয়র চিশতিসহ পৌর বিএনপির ১০ নেতা আটক শাশুড়ির কামড়ে জামাইয়ের কান ও জামাইয়ের কামড়ে শাশুড়ির হাতের শিরা বিছিন্ন কালিঞ্চী এ. গফ্ফার মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বন্দে আদালতে মামলা বৈকারীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার রাত পোঁহালেই দেবহাটা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রকান্ডে ফাঁসিয়ে ভারতে পালালেন মূলহোতা নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই, আমরা গণতান্ত্রিক দল : সাতক্ষীরায় আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ যা বলতে চেয়েছিল

জহিরুল ইসলাম শাহিন / ১৯৯
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

বাংলাদেশ যা বলতে চেয়েছিল তা কি ১৯৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার পর বলতে পেরেছে? বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল সোনা বাংলা প্রতিষ্ঠিত করা। কারোর উপর বা কোন দেশের উপর নির্ভর না করে চলা। স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে বসবাস করা, সমগ্র বাংলার জনতার মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা। দূর্নীতি মুক্ত, ঘুষ মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা। সমাজ পরিবর্তন করা, অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানো, জীর্ন সমাজ ভেঙ্গে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা, দেশের প্রতি দেশ প্রেম প্রদর্শন করা। অপর দিকে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল পাকিস্থানী সেনা বাহিনী, শাসক গোষ্ঠী এবং তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে চরম প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তারা নির্মম, নিষ্ঠুর, হৃদয়হীন, বজ্রঘাতের মত অত্যাচার করেছিল পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগোষ্ঠীর উপর, লুন্ঠন করেছিল মিল কলকাখানার সমস্ত যন্ত্রপাতি, মা বোনের ইজ্জত হনন করেছিল, শুধু ইজ্জত হনন করেই ক্ষান্ত হয় নাই, জীবন্ত অসহায় নারীর উপর ষ্টীম রোলার চালিয়েছিল শারীরিক মানসিক অত্যাচার চালিয়ে জীবন্ত কবর পর্যন্ত দিয়েছিল, পূর্ব পাকিস্তানের নামী দামী সরকারী কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী বিমান বাহিনীর সদস্যদের উপর এবং বিভিন্ন বিমান ঘাটি গুলোতে অযাচিত আক্রমন রচনা করেছিল। সুস্থভাবে, সুন্দর ভাবে শান্তি পূর্ন ভাবে বাচতে দেয় নাই, থাকতে দেয় নাই এদেশের কারিগর বিশিষ্ট জ্ঞানী, উপদেষ্টা, দেশ পরিচালনার কন্ঠস্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষ, যোগ্য শিক্ষকগনদের। বিচার বিভাগের বিভিন্ন আইন জীবিদের। এখনও পর্যন্ত অনেকের খোজ খবর বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা নেতৃরা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রাখেন না। মারা গেছে, না বেচে আছে বা লাশটা হানাদার বাহিনী ও তার দোসরা কোথায় চাপা দিয়েছে বা কোন বদ্ধ ভূমিতে পুতে রেখেছে কেহ তা বলতে পারে না। কোথায় আছে মুনীর চৌধুরীর লাশ, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় এর জনপ্রিয় শিক্ষক কোথায় শায়িত আছে বাংলাদেশের একজন শ্রেষ্ঠ চলচিত্রকর জহির রায়হান, কোথায় আছে শহীদুল্লাহ আল কায়সার এবং মুক্তিযোদ্ধা দের জননী জাহানারা ইমামেম স্বামী এবং সন্তানের লাশ। বাংলাদেশ তার নীরব স্বাক্ষী। মুক্তিযোদ্ধারা, বাংলার তরুন দামাল সূর্য সৈনিকেরা যে স্বপ্ন বুকে ধারন করে যুদ্ধ করেছিল, আতœত্যাগ করেছিল, জীবন উৎসর্গ করেছিল। অত্যাচার নীপিড়ন এবং জালাময়ী যন্ত্রনাদায়ক আঘাতের বিরুদ্ধে নির্বাক দাড়িয়ে বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করলো। সমস্ত অপরাধের বিচার করলো, অস্ত্র চালিয়ে ভয়কে উপেক্ষা করে জয় তুলে নিল আজ যদি তাদের লালিত স্বপ্ন¦ বাস্তবায়ন হতো, তবে বাংলাদেশ স্বার্থক হতো। কিন্তু বাংলাদেশ নীরব দাড়িয়ে আছে। ধুকছে কাঁদছে কারন মুক্তিযোদ্ধাদের এবং উদার মনের হৃদয়ের নেতা, জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরন হয় নাই। বাংলাদেশ এখনও নীরব দাড়িয়ে আছে মু্িক্তযুদ্ধে যা বলতে চেয়েছিল তা বলতে পারে নাই সুতরাং স্বপ্ন পূনের পরিবর্তে অপরাধ আরও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। আমরা অধিকাংশ শিক্ষিত লোকেরা মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সাথে বেইমানী করেছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে বেইমানী করেছি। যারা বাংলাদেশ কে ভালবাসে, যারা দেশ প্রেমিক, যারা মুক্তি স্বাধীন বিহঙ্গের মত ডানা মেলে চলতে চায়, যারা স্বাধীন ভাবে বাচতে চায়, যারা কারোর উপর নির্ভর করতে চায় না, যারা মুক্ত বাক্য মুক্ত মঞ্চে বলতে চায়, যারা বাক স্বাধীনতা চায়, যারা মুক্ত মনের কথা বলে, যারা গনতন্ত্রের কথা বলে, যারা স্বাধীন ভাবে তাদের নেতা নির্বাচন করতে চায় ঠিক আমরা তাদের বিপক্ষে। অর্থাৎ আমরা গোটা স্বাধীন বাংলাদেশের বিপক্ষে। তাহলে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ কি পেল? পেল কি সত্যিকারের স্বাধীনতা? পেল কি সঠিক গণতন্ত্র, না স্বৈরতন্ত্র এটাই ভাবনার বিষয়। যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে ঘুষের বিরুদ্ধে, যে অত্যাচারের বিরুদ্ধে, যে পরনির্ভরশীলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলো বাংলাদেশ, সেই বাংলাদেশ আরও বিপদগ্রস্থ দেশে পরিণত হলো। প্রতিটি ক্ষেত্রে রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে দুর্নীতি। অর্থনীতিতে দুর্নীতি, বাংক বীমায় দুর্নীতি, চাকরীতে দুর্নীতি, সর্বস্তরে দুর্নীতি। কোথাও সঠিক কথা বলার অধিকার নাই। কথা বললেই বিপদ। কেন এমনটি হচ্ছে? যে দেশ অর্থনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে যাচ্ছে, ব্যবসা বানিজ্যে ব্যপক প্রসারতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বিশ্বের মানচিত্রে অনেকটা এগিয়ে। তাহলে কেন আমরা দুর্নীতি এবং ঘুষ নামক এই দুইটি জঘন্য অপরাধ দমন করে বাংলাদেশ কে শান্তিতে রাখতে পারছি না। আমার মনে হয় সামান্য সদিচ্ছার বিষয়। একটু ইচ্ছা করলে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারলে হয়তোবা বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যা বলতে চেয়েছিল তা সঠিক ভাবে বলে তার দায়িত্ব নিজস্ব গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। একটু পিছনের ইতিহাস সামনে নিয়ে আসতে পারলে বা বর্তমান সময়ের নতুন প্রজন্মের নিকট পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর ইতিহাস তুলে ধরতে পারলে হয়তো বাংলাদেশ যে কাংখিত স্বাপ্ন দেখেছিল তা পূরণ হতে পারে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বরাত অর্থাৎ ২৫শে মার্চ ভয়াল কালো রাতের কথ হয়তোবা আমাদের দেশের অনেক নবীন উদীয়মান তরুন তরুনীরা ভালভাবে জানে না। তাদের জানানো উচিত, তাদের বোঝানো উচিত। বাঙালির ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে আরও গুরুত্বের সাথে শেখানো উচিত, তাদের সংগে কথা বলে যতটুকু বুঝেছি তারা এ বিষয়ে ততটা ওয়াকবেহাল না। যারা মুক্তিযুদ্ধের যে টুকু শ্রেনী বইতে সংযুক্ত বা ইতিহাসে সংযুক্ত সেই টুকুই বলতে পারে। সুতরাং বেশীর ভাগ নবীনেরা স্বাধীনতা যুদ্ধ, ভাষা-আন্দোলন, গন অভ্যুত্থান, ছয় দফা, ১৯৭১ সালের পাকিস্তানীদের নির্মম প্রহসন এবং নারী নির্যাতন এবং তাদের দুর্নীতি সহ অনেক বিষয়ে অনেকটাই অসচেতন। ২৫শে মার্চ কালোরাত। এই রাত বাঙালী জাতির বেদনাময় রাত। গভীর রাতে হানাদার বাহিনী আক্রমন চালায় ঘুমন্ত বাঙালীদের উপর রাজাকার আলবদর, আল শামস বাহিনীর সহযোগীতায়। ঢাকা শহর ঐদিন বধ্যভূমিতে পরিণত হয়। ঐ রাতেই প্রান যায় হাজার হাজার নর নারীর। বিশ্ব বিদ্যালয়ের হল গুলিতে চালানো মহা তান্ডব ঘুর্নিঝড়ের মত নারকীয় হত্যা কান্ড। পাকিস্তানিরা চেয়েছিল সোনার বাংলাদেশের স্বপ্নকে পঙ্গু করে দিতে। রক্তে রঞ্জিত হয় এদেশের খাটি পবিত্র মাটি। ধ্বংস করে দেওয়া রাজার বাগ পুলিশ লাইন এবং ধ্বংস করা হয় অসংখ্য দালান কোঠা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলি। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় চারদিকে। আগুনের লেলিহান শিখায় ঢাকা শহর হয়ে উঠে যেন এক হিং¯্র আগ্নেয়গিরিতে। ঐ দিন হত্যা হয়েছে বাঙালীদেরকে পিপড়ার মত পিষে। ঐ দিন সমস্ত বাঙালীকে উক্ত ঘটনা শোকাহত করে। শোকাহত হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অজ¯্র মানুষ। ঐ নির্মম নিষ্ঠুর অত্যাচার রুখে দাড়াতে অনুপ্রানিত করে বীর বাঙালিদের পাকিস্তানি হানাদার শত্রæর বিরুদ্ধে। এই রাত বাঙালি জাতির জন্য কালোরাত। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে চিরতরে বাঙালিকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু, জাতির জনক বুঝতে পেরেছিলেন হয়তোবা তিনি ঐ রাতে গ্রেফতা হতে পারেন, তাই ঐদিন গভীর রাতেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন। ২৫শে মার্চ কাল রাত বাঙালিকে করেছিল আরও সাহসী এবং সবার মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত হতে শুরু করলো। এবং ঐ দিন থেকে ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত বিভিন্ন ভাবে বাঙালিদের উপর তান্ডব চলতে থাকে এবং বাঙালিরা ও অত্যান্ত সাহসের সাথে বিরের বসে শপথ নিয়ে বিভিন্ন দিক থেকে আক্রমন শুরু করে। শোষন জুলুমের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম পরিচালনা করার অগ্নি শপথ পাঠ বোধ শক্তি নিয়েই ঝাপিয়ে পড়ে মুক্তি যুদ্ধে। আপোষহীন নেতৃত্ব মুর্ত প্রতীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দিক নির্দেশনায়। সামাজিক ভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, স্বৈরশাসকেরা আমাদের কে বঞ্চিত করেছে এমনকি ১৯৫২ সালে আমাদের জাতীয় ভাষা বাংলা ভাষার দাবি ও নস্যাৎ করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল কিন্তু ব্যর্থ হয়। বিভিন্ন কায়দায় বিভিন্ন ভাবে অধিকার বঞ্চিত করে আমাদের কে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যেতে বাধ্য করে এবং বাঙালিরা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে হাজার হাজার মানুষ সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দীর্ঘ নয় মাস সংগ্রাম করে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নিয়ে আসে বিনিময়ে দিতে হয়েছে অনেক তাজা প্রাণ, রক্তের সাগর এবং মা বোনেদের সম্ভ্রম হানী। ঐ জয় শুধু ঐতিহাসিক তাৎপর্য পূর্ণ নয়, স্বাধীন ও সার্বভৌম নতুন দেশ গড়ার দৃড় শপথে বলীয়ান হওয়ার দিন হিসাবেও আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নবীন প্রজন্ম কে স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। সচেতন করতে পারলে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাংলাদেশের কোন দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে পরাজিত শত্রæ যেন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, অর্জিত স্বাধীনতাকে নস্যাৎ না করতে পারে, অপকৌশলের আশ্রয় গ্রহণ না করতে পারে সেদিকে সদা সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতা অর্জন ও জরুরী হয়ে পড়ে, কারন একটি স্বাধীন দেশে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার মেটানো অত্যান্ত জরুরী। দেশে যদি সুনাগরিক গড়ে না ওঠে সকল মানুষ যদি দেশ প্রেমিক না হয়। নিজের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সর্বদা সচেতন হয় তবে অচিরেই দেশ হয়ে উঠবে অচল, উন্নয়ন হবে বাধা গ্রস্থ, দুর্নীতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। ঠেকানো যাবে না কোন কিছু। ফলে বাংলাদেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাড় করানো সম্ভব হবে না। তাই বাংলাদেশকে খাড়া ভাবে দাঁড় করানোর জন্য তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য, মুক্তিযুদ্ধের পরিপূর্ণ স্বাদ গ্রহনের জন্য এবং সমস্ত সার্বভৌমত্ব যাতে বিকৃত না হয় তার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বঙ্গ কন্যা বর্তমান প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী তাই দুর্নীতি মুক্ত, ঘুষ মুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাবার ঘোষনা দিয়েছেন। তার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এবং বাংলাদেশকে বাচানোর জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের, সরকারের উর্দ্ধতন কর্ম কর্তাদের নবীন যুবক যুবতী দের এবং বিশেষ করে সমগ্র বাংলার শিক্ষিত জন গোষ্ঠীকে এগিয়ে আসতে হবে। তখনই বাংলাদেশ তার স্বপ্ন পূরন করতে সক্ষম হবে।

লেখকঃ জহিরুল ইসলাম শাহিন
সহকারী অধ্যাপক
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ