শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের প্রবেশদ্বারে বসানো হলো ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন

টিটু মিলন, বেনাপোল / ৭২
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১

মহামারী করোনা প্রতিরোধে বেনাপোল কস্টমস হাউজে প্রবেশদ্বারে ফিংগার প্রিন্ট চালু করেছে। যাদের ফিংগার প্রিন্ট কাস্টমসে এন্ট্রি করা আছে শুধু মাত্র তারাই প্রবেশ করতে পারবে। গেট দিয়ে প্রবেশের মুখে ফিংগার মেশিনে টাচ করে ভিতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। তবে তার আগে বেনাপোল কাস্টমস ব্যবাহারকারী সিএন্ডএফ মালিক ও কর্মচারীদের ফিংগার প্রিন্ট এন্ট্রি করানো হয়েছে। 


এই এন্ট্রিতে ১৫৩০ জন আছে বলে কাস্টমস সুত্রে জানা গেছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে বার বার ওই ফিংগার মেশিনে আসা যাওয়া করায় জন্য স্পর্শ করায় কারো শরীরে করোনা পজিটিভ কোন জীবানু আছে কিনা তা নির্নয়য়ের কোন ব্যবস্থা নেই। এমনকি তাপমাত্রা মাপারও কোন মেশিন সেখানে নেই।


বেনাপোল কাস্টমস গেটের প্রবেশদ্বারে রয়েছে দুটি ফিংগার মেশিন। একটি সিএন্ডএফ মালিকদের জন্য আর অন্যটি কর্মচারীদের জন্য। গেটে কর্তব্যরাত কাস্টমস সিপাই স্বপন বলেন কেউ বাইরে থেকে কাস্টমস হাউজে প্রবেশ করতে হলে এখানে ফিংগার দিতে হবে। যার ফিংগার এন্ট্রি নেই সে প্রবেশ করতে পারবে না। আর কেউ সেরকম জরুরী ভাবে ভিতরে যেতে চাইলে কাস্টমস এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অনুমতি স্বাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক সিএন্ডএফ কর্মচারী বলেন প্রায় ৭ হাজার সিএন্ডএফ কর্মচারী রয়েছে । আর মালিক রয়েছে ৫ শতাধিক। এতে করে মাত্র ১৫৩০ জন এর ফিংগার কাস্টমস এন্ট্রি করায় কাজের জন্য ভিতরে অনেকে যেতে পারছে না। এতে আমদানি রফতানি বানিজ্যে  বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া যারা ফিংগার দিচ্ছে সেই একই মেশিনে একাধিক ফিংগার দেওয়ায় করোনা জীবানু ছড়াবে না তার নিশ্চয়তা কি? কারন কারো শরীরে জীবানু আছে কি না তা পরীক্ষা নিরীক্ষার কোন যন্ত্র এখানে নেই।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ