ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরায় অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিধ্বস্ত, তলিয়ে গেছে শত শত বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরায় অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিধ্বস্ত, তলিয়ে গেছে শত শত বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরায় রবিবার ভোর রাত তিনটা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত প্রবল বেগে দমকা হওয়া থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে এর তীব্রতা কমতে থাকে। এদিকে, উপকুলীয় উপজেলা শ্যামনগরের গাবুরায় ৫ হাজ্রা কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত এবং অসংখ্য গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে জানান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুসুদুল আলম। এছাড়া উপকুলীয় উপজেলায় শতশত বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোন প্রানহানির ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকায় ৬ লাখ মানুষের বসবাস এর মধ্যে গতকাল রাত পর্যন্ত ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে ওঠেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। তবে বাকী লোকজন কি অবস্থায় আছে তা এখনও জানা যায়নি। এদিকে, উপকুলীয় এলাকার বেঁড়িবাধ গুলো খুবই ঝুকিপূর্ণ রয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, ইতিমধ্যে ২২ হাজার স্বোচ্ছাসেবক, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, নৌবাহিনী ও ১০০ জন সেনা সদস্য উপকুলীয় এলাকায় জানমাল রক্ষায় কাজ করছেন। তিনি আরো জানান, উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় কাঁচাঘর বাড়ি, মৎস্যঘের ও ফসলি জমিও রাস্তঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসব অঞ্চলে প্রায় ৬০/৭০ ভাগ ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ধ্বসে পড়েছে। একই সাথে তলিয়ে গেছে চিংড়ি ঘের। তবে, এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা যায়নি বলে তিনি জানান।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলী জানান, রাত তিনটা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৮১ কিলোমিটার।

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন