মথুরেশপুর ইউনিয়নে ৯ নং ওয়ার্ডে সড়ক অবহেলিত

মথুরেশপুর ইউনিয়নে ৯ নং ওয়ার্ডে সড়ক অবহেলিত

মোঃ রেজাউল করিম সবুজ:: সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন মথুরেশপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের নিজদেবপুর,নিত্যানন্দপুর,বেলপুর,হাসানকাটি,রায়পুর নিয়ে গঠিত। একটা সুবিধাবঞ্চিত ৯ নং ওয়ার্ডের নাম। গ্রামের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা দেখলে মনে হতে পারে হয় এই  ওয়ার্ডটি এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া পায় নি। রাস্তাঘাট ইটের হলেও সেগুলো চলাচলের অযোগ্য। বর্ষা মৌসুমে এই গ্রামের মানুষের চলাচলের ভোগান্তির সীমানা চিন্তারও বাইরে, এমন একটা দিন খুজে পাওয়া যায় না যে যেদিন দু-একজন রাস্থায় পড়ে গুরুতর আহত হয়নি। রায়পুর হতে নিজদেবপুর সড়কের মধ্যেই অবস্থিত ২টা প্রাইমারি স্কুল, ১টা হাইস্কুল সহ আরোও কয়েকটা ইসলাম ধর্মাবলীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, যদিও সড়ক ব্যবস্থার এমন পরিস্থিতে ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা সন্তোষজন নয়। কেননা সচেতন অভিভাবক তার সন্তান কে ভোগান্তির মাঝে রাখতে চায় না। অনুসন্ধানকালে খোঁজ মেলে এমন একটা পাড়া/ মহল্লার যার জনসংখ্যা ২০০০ অধিক এর কম নয়,একুশ শতাব্দীতে এসেও রাস্তার কোন উন্নয়নের সোহা লাগেনি, হঠাৎ মানুষ অসুস্থ হলে মৃত্যু ছাড়া কোন পদ নেই কারণ রাস্তার জন্য কোন এ্যাম্বুলস বা কোন গাড়ি আসে না তাই মানুষের রোগী নিয়ে ভ্যানে করে নিয়ে  যেতে হয়,কোন গর্ভবতী নারীর ব্যাথার যন্ত্রনা উঠরে তাকে ভ্যানে নিয়ে যেতে যেতে অনেক সময় পথে সন্তান প্রসাব হয়ে যায়,তাই বাড়ি যদি কোন গর্ভবতী নারী থাকে তার আগে থেকে কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভর্তি করে রাখতে হয় এই রাস্তার জন্য। এই বিষয় কথা হয় উজ্জীবনী ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শেখ ইকবাল অালম বাবলু স্যারের সাথে।তিনি বলেন এই রাস্তার জন্য বর্ষা মৌসুমে ছাত্র/ছাত্রীরা স্কুলে আসে না শুধু বর্ষা মৌসুমের কথা নয় রাস্তার জন্য দূর থেকে কোন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হয় না,ছাত্র/ছাত্রীদের বাড়ি গিলে তাদের অভিভাবকরা বলে রাস্তা ভাল না আমার সন্তানকে ওখানে ভর্তি করবোনা। তিনি বলেন রাস্তার জন্য বড় বিপদে আছি। এই বিষয় এলাকার লোকের সাথে কথা হয় তারা রাগ করে বলেন রাস্তা আমাদের দরকার নেই,প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা সব জায়গায় কাজ শেষ করে যদি আর কাজ করার জায়গা না থাকে সে সময় তো হবে। তারা বলেন আমরা শুনেছি রাস্তা কয়েক বার হবে হবে শুনেছি কিন্তু কোন কাজ হয়নি তাই আর রাস্তার উপর আমদের কোন ভরসা নেই না হবা প্রর্যন্ত তবে কি তারা একুশ শতাব্দী তে এসেও রাস্তার সুবিধা হতে বঞ্চিত হবে? দেশরত্ন জননেত্রী যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সকল সড়কপথ কারফিটিন পাকা করণ পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করছে
তাহলে কিভাবে পূরণ হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন? এই ওয়ার্ডের মানুষের প্রানের দাবী, রাস্তাটি পাকা করা তাই তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় এমপি সাহেব আপনারা আসেন এলাকার রাস্তার অবস্থা দেখে যান। তাই তারা দাবি করে বলেন রাস্তাটি যাতে তাড়াতাড়ি পাকা করা যায় তার ব্যবস্হা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন