কলারোয়ায় ৯ প্রজাতির ২৪টি বন্যপ্রাণী জব্দ করেও ফেলে চলে গেলেন কর্মকর্তারা

কলারোয়ায় ৯ প্রজাতির ২৪টি বন্যপ্রাণী জব্দ করেও ফেলে চলে গেলেন কর্মকর্তারা

জামালউদ্দীন:: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জাহাজমারী এবি পার্কে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী রাখার অপরাধে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার একটি টিম বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট অভিযান পরিচালনা করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় বন্যপ্রাণী অধিদপ্তর ঐ পার্কে প্রবেশ করে অভিযান পরিচালনা করলেও শুধুমাত্রই বন্যপ্রাণী তালিকা করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করায় জনমনে চরম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী রাখার অপরাধে বন্যপ্রাণী জব্দ ও এরসাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের নিয়ম থাকলেও এখানে তা করা হয়নি। শুধুমাত্র পার্কে কতটি বন্যপ্রাণী রয়েছে তার তালিকা করে সাংবাদিকদের কোনপ্রকার তথ্য না দিয়ে স্থান ত্যাগ করে। দায়িত্বে থাকা লুৎফর পারভেজ নামে এক কর্মকর্তা জানান, প্রাণীগুলো জব্দ করে পার্কের ম্যানেজারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। (এ যেন বাঘের কাছে ছাগল পোষানী) এঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর অভিযোগের সূত্র ধরে সরকারের বিভিন্ন হট লাইনে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের দায়িত্বে থাকা ডিএফও ০১৭১৮৭৮৩৫২৯ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে বন্যপ্রাণী নির্ণয় করে জিম্মায় রাখা হয়েছে। এমন কথার প্রেক্ষিতে কেন জিম্মায় রাখা হয়েছে, কারা এর সাথে জড়িত, তাদেরকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি। কেন তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়নি এর কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের লোকজন ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে ঐ পার্কে প্রবেশ করে। কিন্তু সাংবাদিকদের অনাকাঙ্খিত অবস্থান তাদের এ ধরণের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। জব্দ করা বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে ২টি অজগর, মেছো বিড়াল ৬টি, বন বিড়াল ৫টি, শিয়াল ২টি, বানর ৩টি, বাজপাখি ২টি, তিলা ঘুঘু ২টি, গন্ধগকুল ২টি সহ আরো কয়েক প্রজাতির বন্য প্রাণী রয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন