শ্যামনগরে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে মোটা অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ!

শ্যামনগরে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে মোটা অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ!

মোঃ নুরুজ্জামান, শ্যামনগর :: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে  বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসি।

জানাযায় উপজেলার নুরনগরের কাটাখালী ও দুরমুজখালি গ্রামের শত শত পরিবারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে নাইম মোটা অংকের টাকা উত্তোলন করেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, চৌধুরী নাঈম আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ এনে দেবেন বলে আমাদের কাছ থেকে নগদে এক হাজার টাকা ও পরে আরও পনার শত টাকা দিতে হবে, না দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের বিশ্বাস তিন থেকে চাঁর হাজার টাকা লাগে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে এবং ঘুষ না দিলে জীবনেও বিদ্যুৎ সংযোগ পাবেনা। ঘুষ না দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছেন এমন নজির নেই উপজেলার কোথাও। আর এই সুযোগ হাত ছাড়া করতে চাইনি নাইম চৌধুরী। খবরে জানা যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। কতিপয় দালাল এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মোটা অংকের টাকা চাঁদাবাজি করছে। আর একারণে শেখ হাসিনা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন মহল। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

এবিষয়ে নাইম চৌধুরীর সাথে কথা মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এই কাজটা এলাকার লোক আমাকে দিয়ে করিয়েছে। আমি কাজটা করতে চাইনি। আমি আমার বাড়ির বিদ্যুৎ এর জন্য চেষ্টা করছি। ওরা বলছে যত টাকা লাগে আমরা দেব। আমিও নিজে ২৪ হাজার টাকা দিয়েছি। যতবার বিদ্যুৎ অফিস থেকে লোকজন এসেছেন ততবা এক হাজার টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা বকশিশ দিতে হয়েছে। আজ পর্যন্ত যারা বড় বড় কথা বলে গেছে তাদেরকে টাকা দিতে হয়েছে। আর তারা তো নিজে হাতে বকশিশ দিয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভাই বিদ্যুতের কাজ টাকা ছাড়া হয় না। যে ভালো কাজ করবে তার বদনাম হবে। আমি আবেদন করলে বিদ্যুৎ অফিসারকে টাকা দিতে হয়েছে সরজমিনে আসার জন্য। তিনি হুমকির সুরে বলেন, আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় লিখে কোন লাভ হবে না। আপনারা লিখে যদি কিছু করতে পারেন তাহলে লিখেন।

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন