পাটকেলঘাটা গাজাসহ দু’মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করলেও ধরা ছোয়ার বাইরে গডফাদার সুমন।

পাটকেলঘাটা গাজাসহ দু’মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করলেও ধরা ছোয়ার বাইরে গডফাদার সুমন।

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি:: পাটকেলঘাটার মাদক সম্রাট ইবাদুল ও তার সহযোগী আলমগীর থানা এলাকা দিয়ে গাজা পাচার করার সময় পুলিশ তাদের দুজনকে ৭৫০ গ্রাম গাজাসহ গ্রেফতার করে। কিন্তু অপর দিকে ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে পাটকেলঘাটার মাদকের ডিলার পার্টিরা।
থানাধীম বাইগুনি ও চৌগাছা গ্রামে প্রতিদিনিয়ত বেরেই চলেছে মাদকের পাইকারি ও খুচরা ব্যাবসা। এসকল মাদক ব্যাবসায়ীদের মাদকের ধরন, গাজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও মরন নেশা হেরোইনও পাওয়া যায় এই দুই গ্রামে। খুব ছোট ছোট গ্রাম দুটিতে মাদক ও চোরাকারবারিদের সংখ্যা বেশি থাকায় আস পাশের নিরিহ মানুষগুলো হয়ে আছে তাদের কাছে জিম্মি। মুখ খুললেই বিপদ জেনে  ভয়ে কেউ এদের বিরুদ্ধে অফিযোগ করতে সাহস পায়না। এসকল মাদক ব্যাবসায়ীরা হলো পাটকেলঘাটা থানাধীন বাইগুনি গ্রামের আছাদুল ইসলাম, পার্শ্ববর্তী চৌগাছা গ্রামের শেখ সুমন, মটর সাইকেল চালক মুন্তাজ, কমরেট গোলামহোসেন, শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, বিল্লান হোসেন, নব্য ব্যাসায়ী বিল্লালের পুত্র খবিরুল ইসলাম শুভ, লিমন শেখ এরা সবাই চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী।
জানা যায়, নব্য মাদক ব্যাবসায়ী লিমনকে বৃহস্পতিবার রাতে ৫০০ গ্রাম গাজা সহ পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের একটা টিম ধৃত করতে গেলে লিমন পালিয়ে যায়। কথিত মাদক ব্যাবসায়ীদের মধ্যে সুমন গডফাদার এবং মুন্তাজ বহনকারী। তাছাড়া কথিত সকল মাদক ব্যাবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হরহামেশায় পাইকারী ও খুচরা মাদকের ব্যাবসা পরিচালনা করে গেলেও প্রশাসনের তেমন কোন হস্তোক্ষেপ দেখা যায় না সেখানে।
কিছু কিছু এস আই দীর্ঘদিন যাবত এই থানায় থেকে এসকল মাদক ব্যাবসায়িদের সাথে সক্ষতা গড়ে তুলে তাদের কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ আদায় করে দিচ্ছে সুযোগ। যার ফলে উল্লেখ্য দুটি গ্রাম মাদকের রাজ্বে পরিনত হয়েছে। অপেন চলছে সকল প্রকার মাদকের ব্যাবসা। পাটকেলঘাটা থানার নবাগত ওসি যোগদান করার পর এসকল বিষয়ে তিনি কিছুই জানে না। পাটকেলঘাটাকে মাদক মুক্ত করতে গেলে উল্লেখিত মাদক ব্যাবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তানাহলে   পাটকেলঘাটার স্কুল পড়ুয়া কমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত ডুবে যাবে অন্ধকারে।
এ বিষয়ে পাটকেলঘাটা থানার অভিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, আমি এই থানায় মাত্র কয়েকদিন হলো এসেছি যতদিন থাকবো এখানে কোন মাদক ব্যাবসায়ীরা রেহায় পাবে না।
এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

উৎপল দে,কেশবপুর : দেশ ব্যাপী করোনা ভাইরাসে অসহায় হয়ে পড়া অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি চেয়ারপারর্সন সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক যশোরের কেশবপুরে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা অপুর উদ্যোগে ৫শত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার তিনি উপজেলার কেশবপুর সদর, পাঁজিয়া, সুফলাকাঠি ,গৌরীঘোনা ও সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে দলীয় নেতা কর্মীদের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা বাড়ি বাড়ি পৌছে দিচ্ছেন ,যা পর্যায়ক্রমে অব্যহত থাকবে। প্রথমাবস্থায় তিনি ৫শ পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করছেন। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা অমলেন্দু দাস অপু সাংবাদিকদের বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে মানুষ যখন দূদৃশাগ্রস্থ সে মুহুর্ত্বে আমি দলের নির্দেশনায় যশোর -৬ কেশবপুরের মানুষের পাশে দাড়ানোর আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। আমার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাজক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যহত থাকবে।

কেশবপুরে ৫শত পরিবারকে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা অপুর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

নদী ভাঙ্গন রোধে নিজেরাই বাধ দিচ্ছেন (ভিডিও)

গাছ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু(ভিডিও)

%d bloggers like this: