হাতুড়ি পেটায় মাদ্রাসা শিক্ষক আহত!

হাতুড়ি পেটায় মাদ্রাসা শিক্ষক আহত!

কয়রা প্রতিনিধি:: অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে বাঁধা দেওয়ায় মাদ্রসা শিক্ষক ইব্রাহীম খলিল (৫০) কে হাতুড় দিয়ে আঘাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  ঘটনাটি মঙ্গলবার উপজেলার মেঘারআইট গ্রামের।

সরেজমিনে জানা গেছে, কালনা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক ইব্রাহীমের বাড়ীর উপর দিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাঁধা দেন। একই সাথে কয়রা বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রে জানান।

 ঐ গ্রামের নজরুল সরদার (৫১) ও তার ছোট ভাই মিজানুর সরদার (৪৫) কয়রা বিদ্যুৎ অফিসে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে জেনে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার সন্ধ্যা  ৭ টার সময় কালনা বাজারে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় পিছন দিক দিয়ে ৮/৯ টি হাতুড়ের আঘাত করে। এক পর্যায়ে সে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

 বুধবার সকালে জায়গীরমহল হাসপাতালে যেয়ে দেখা যায় শিক্ষকের বাম হাতে, ঘাড়ে এবং পিঠে ৮/৯ টি হাতুড়ের পিটানো চিহ্ন আছে।

এ বিষয় শিক্ষক ইব্রাহীমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার দুঃসম্পর্কের আত্মীয় নজরুল ও মিজান সরদার শুধু মাত্র অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে বাঁধা দেওয়ায় আমার উপরে এভাবে হামলা করেছে। তিনি বলেন, নজরুল ও মিজানুর এলাকায় এর আগেও অনেককে হাতুড়ী পেটা করায় জেল হাজত খেটেছে। এ সম্পার্কে প্রত্যক্ষদর্শী মাদ্রসা সভাপতি ও প্রতিবেশী রব্বানী সরদার জানান, নজরুল ও মিজান সরদার শিক্ষক ইব্রাহীমকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায়। তবে পাশের লোকজন ছুটে এসে হাতুড় কেড়ে নেওয়ায় শিক্ষক প্রাণে বেঁচে গেছে।

এদিকে কয়রা থানা ওসি জানান, পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায় এবং উক্ত হাতুড় উদ্ধার করেন। এছাড়া মিজান ও নজরুলের বাড়ীতে তল্লাসী করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

তবে হাতুড়ি পেটানোর ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে শিক্ষকের আত্মীয়রা জানিয়েছে।

 

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এস,এম,হুমায়ূন কবির,চুয়াডাঙ্গা:: হাতী দিয়ে কৌশলে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা । খুলনা থেকে হাতী নিয়ে চুয়াডাঙ্গা আসা মাউত তরিকুল ইসলাম অকপটে স্বীকার করেছে ,হাতী দিয়ে সে দিনে দুই থেকে তিন হাজার টাকা সাধারন জনগন এর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়ার কথা । পানিতে তিমি আর ডাঙ্গায় হাতীয় সবচেয়ে বড় প্রানি । মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিশাল দেহের প্রানী হাতী কে ফাঁদে ফেলিয়ে মানুষ তার বস্ মানিয়েছে ।অর্বনীয় নির্যাতন করেই হাতীকে বসে আনা হয়েছে । এই বসে আনা হাতী দিয়ে পাহাড়ে কাঠ বহন করা হত,দর্শকের চিত্ত বিনেদন এর জন্য সার্কেসে খেলা দেখাতো আর এখন হাতী দিয়ে প্রকাশ্য হাতীদিয়ে বাড়ির দরজায়,দোকানের সামনে,সূড় তুলে এবং রাস্তায় ছোট বড় যানবহনের সামনেহাতী আড় হয়ে প্রতি দিন হাজার হাজার টাকা চাদাবাজি করতে দেখা যায় মাউত কে । চুয়াডাঙ্গার অলি গলিতে তরিকুল এই অবৈধ ব্যাবসা করছে বহু দিন থেকে ।এলাকার সাধারণ জনগন হাতীর হাত থেকে বাচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ।

হাতীর চাঁদাবাজীতে অস্থির