কয়রায় ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করায় শিক্ষক জেল হাজতে

কয়রায় ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করায় শিক্ষক জেল হাজতে

কয়রা প্রতিনিধি:: শিক্ষক কতৃক ৪র্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীর যৌণাঙ্গে লাঠি দিয়ে গুতা মারায় শিক্ষক এখন জেল হাজতে এবং ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ন্যাক্করজনক এই ঘটনানাটি কয়রা উপজেলার ৮নং খেওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত রবিবার স্কুল চলাকালীন সময় ঘটেছে বলে ছাত্রীর অভিভাবকরা জানিয়েছেন। সূত্র জানায় খেওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক রুহুল কুদ্দুস এর আগে নাকশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিশু ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করায় উক্ত শিক্ষককে ১ বছর আগে বদলী করা হয়।

সরেজমিনে জানা গেছে লম্পট শিক্ষক রুহুল কুদ্দুস রবিবার স্কুল চলাকালীন সময়ে একটি কক্ষে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ডেকে কথা বলার এক ফাকে তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে ছাত্রীর যৌণাঙ্গে আঘাত করে। এ ঘটনার পর উক্ত ছাত্রী বাড়েিত তার নানীকে বললে পরদিন সোমবার তাকে জায়গীরমহল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কর্মরত ডাক্তার জানান, জোরে আঘাত করায় শিশুটির নিম্মাঙ্গে থেতলে যায় এবং মারাক্তক ব্যাথা পাওয়ায় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে ছাত্রীর চাচা জহুরুল সরদার কয়রা থানায় উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ মঙ্গলবার লম্পট শিক্ষককে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়। এ সম্পার্কে হাসপাতালের বেডে ছাত্রীর এবং তার মায়ের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, শিক্ষক রুহুল কুদ্দুস বিভিন্ন সময় তার শরিরে হাত দেওয়ার চেষ্টা করত। তবে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন একই ঘটনার দায়ে তার সহকারি শিক্ষক কুদ্দুস ১ বছর আগে এখানে বদলী হয়ে এসেছে এবং আমি শিক্ষা অফিসকে অবগত করেছিলাম।

এ বিষয় উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবুল বাসারের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই ন্যাক্কারজনক এবং এ ধরনের শিক্ষকের শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে উপজেলা শিক্ষাকমিটির সাথে জরুরী বৈঠক হয়েছে। যে কারনে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্রবস্থা নেওয়ার সিদ্দান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু দিন আগে প্রতাপ স্বরণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণীর ছাত্র দ্বীপ জয়ের উপর অমানবিক নির্যাতন করেছেন প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। তাই এ ধরনের শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এস,এম,হুমায়ূন কবির,চুয়াডাঙ্গা:: হাতী দিয়ে কৌশলে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা । খুলনা থেকে হাতী নিয়ে চুয়াডাঙ্গা আসা মাউত তরিকুল ইসলাম অকপটে স্বীকার করেছে ,হাতী দিয়ে সে দিনে দুই থেকে তিন হাজার টাকা সাধারন জনগন এর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়ার কথা । পানিতে তিমি আর ডাঙ্গায় হাতীয় সবচেয়ে বড় প্রানি । মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিশাল দেহের প্রানী হাতী কে ফাঁদে ফেলিয়ে মানুষ তার বস্ মানিয়েছে ।অর্বনীয় নির্যাতন করেই হাতীকে বসে আনা হয়েছে । এই বসে আনা হাতী দিয়ে পাহাড়ে কাঠ বহন করা হত,দর্শকের চিত্ত বিনেদন এর জন্য সার্কেসে খেলা দেখাতো আর এখন হাতী দিয়ে প্রকাশ্য হাতীদিয়ে বাড়ির দরজায়,দোকানের সামনে,সূড় তুলে এবং রাস্তায় ছোট বড় যানবহনের সামনেহাতী আড় হয়ে প্রতি দিন হাজার হাজার টাকা চাদাবাজি করতে দেখা যায় মাউত কে । চুয়াডাঙ্গার অলি গলিতে তরিকুল এই অবৈধ ব্যাবসা করছে বহু দিন থেকে ।এলাকার সাধারণ জনগন হাতীর হাত থেকে বাচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ।

হাতীর চাঁদাবাজীতে অস্থির