কয়রায় মসজিদ কমিটির নির্বাচন, দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত-৫

কয়রায় মসজিদ কমিটির নির্বাচন, দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত-৫

কয়রা প্রতিনিধি:: মসজিদের কমিটি নির্বাচন পরবর্তী সংসদ সদস্য কে নিয়ে কটুক্তি করায় দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ঘটনাটি কয়রা উপজেলার উত্তর মহেশ্বরীপুর শিকারী বাড়ী জামে সমজিদে। জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে এই মসজিদের কমিটি করা নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা থাকায়, কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন দু পক্ষকে নিয়ে বসেন এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বরের উপস্থিতিতে ভোটাভুটি করে কমিটি করার কথা বলেন। সে মোতাবেক ৬ সেপ্টেম্বর জুম্মা নামায শেষে পুলিশের এসআই সায়ফুল ইসলাম, মেম্বর বাবু গাজী ও আওয়ামীলীগ নেতা মাষ্টার কফিল উদ্দিনের উপস্থিতিতে মুসাল্লীদের সরাসরি ভোটে কমিটি করা হয়। নির্বাচনে আবু দাউদ শিকারী সভাপতি, তৈয়েবুর সেক্রেটারী ও প্রভাষক শাহনেওয়াজ কোষাধাক্য নির্বাচিত হয়। অথচ নির্বাচনের সময় ইউপি চেয়ারম্যান বিজয় বাবুকে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত না থেকে একটি পক্ষের হয়ে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। সূত্র জানায় প্রতি পক্ষ নজু শিকারী, মোজাম শিকারী গংরা পরাজিত হয়ে নির্বাচিত কমিটি ও সংসদ সদস্য কে নিয়ে বিভিন্ন সময় কটুক্তি করে আসছিল। এ অবস্থায় ২১ সেপ্টেম্বর বিকাল আনুঃ ৫ টার সময় গিলাবাড়ী লঞ্চঘাটে নজু শিকারী ও তার লোকজন সংসদ সদস্যকে বাজে মন্তব্য করায়, মসজিদের সভাপতি দাউদ শিকারী ও প্রভাষক শাহনেওয়াজ তার প্রতিবাদ করলে দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে কমিটির পক্ষে জাহাঙ্গীর শিকারী (৩০) আবিয়ারশিকারী (২৫), নুরআলম (৩২) দিদারুল ও প্রতিপক্ষের নজু শিকারী জখম হয়ে, জাহাঙ্গীর, আবিয়ার ও নজু শিকারী খুলনায় চিকিৎসাধীন আছে এবং অপর দুইজন জায়গীরমহল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফেরেন।

এ বিষয় সভাপতি আবু দাউদ শিকারী জানান, কমিটির পক্ষে অধিকাংশ ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সমার্থক এবং প্রতিপক্ষ নজু শিকারী গংরা জামায়াত সমার্থীত। সে কারনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের চেয়ারম্যান বিজয় বাবু নজু শিকারীদের পক্ষ নিয়ে মসজিদে বিরোধ সৃষ্টি করে চলেছেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে এই এলাকায় আওয়ামীলীগ এবং জামায়াত ও আওয়ামী বিদ্রোহী গ্রুপের সমার্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে ফলে দু পক্ষের হুমকি অব্যহত আছে।

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এস,এম,হুমায়ূন কবির,চুয়াডাঙ্গা:: হাতী দিয়ে কৌশলে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা । খুলনা থেকে হাতী নিয়ে চুয়াডাঙ্গা আসা মাউত তরিকুল ইসলাম অকপটে স্বীকার করেছে ,হাতী দিয়ে সে দিনে দুই থেকে তিন হাজার টাকা সাধারন জনগন এর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়ার কথা । পানিতে তিমি আর ডাঙ্গায় হাতীয় সবচেয়ে বড় প্রানি । মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিশাল দেহের প্রানী হাতী কে ফাঁদে ফেলিয়ে মানুষ তার বস্ মানিয়েছে ।অর্বনীয় নির্যাতন করেই হাতীকে বসে আনা হয়েছে । এই বসে আনা হাতী দিয়ে পাহাড়ে কাঠ বহন করা হত,দর্শকের চিত্ত বিনেদন এর জন্য সার্কেসে খেলা দেখাতো আর এখন হাতী দিয়ে প্রকাশ্য হাতীদিয়ে বাড়ির দরজায়,দোকানের সামনে,সূড় তুলে এবং রাস্তায় ছোট বড় যানবহনের সামনেহাতী আড় হয়ে প্রতি দিন হাজার হাজার টাকা চাদাবাজি করতে দেখা যায় মাউত কে । চুয়াডাঙ্গার অলি গলিতে তরিকুল এই অবৈধ ব্যাবসা করছে বহু দিন থেকে ।এলাকার সাধারণ জনগন হাতীর হাত থেকে বাচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ।

হাতীর চাঁদাবাজীতে অস্থির