স্টাফ রিপোর্টার:: ক্লিন সাতক্ষীরা, গ্রীন সাতক্ষীরা’ এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কের দুপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্দ্যোগে রবিবার শহরের তুফান কোম্পানি মোড় এলাকা থেকে প্রধান সড়কের দুই ধারসহ পাশ্ববর্তি বাড়ির অতিরিক্ত অংশ উচ্ছেদ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট সজল মোল্লা ও শহিদুর ইসলাম।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, সাতক্ষীরাকে একটি স্থায়ী বসবাস যোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সকলে এক হয়ে কাজ করতে হবে। তারই অংশ হিসেবে ক্লিন সাতক্ষীরা, গ্রীন সাতক্ষীরা নামে যে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে সেই আন্দোলনের মধ্যদিয়ে অপরিচ্ছন্নতা দুর করে সাতক্ষীরাকে একটি সুন্দর মডেল নগরিতে পরিনত করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন।

সাতক্ষীরায় অবৈধ স্থপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত

রুহুল আমিন:: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের বহেরায় সরকারী রাস্তার জমি দখল করে ক্লিনিক নির্মাণ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি এমনই সংবাদ সাতক্ষীরা টু’ডে অনলাইন পত্রিকা ও সাতক্ষীরা টিভিতে প্রকাশিত হওয়ায় ড্রেন কেটে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছে ক্লিনিক মালিক রাইছুজ্জামান। উল্লেখ্য, বহেরা পোষ্ট অফিসের পাশে জনসেবা নামে একটি ক্লিনিকের পরপরই রাস্তার পশ্চিম দিকে ২০/২৫ বসতবাড়ি পানিবন্দী ছিলো। এই রাস্তার পূর্ব পাশে একটি পাকা ড্রেন আছে ড্রেনের পাশে তিনতলা বিশিষ্ট একটি ব্র্যাক প্রতিষ্ঠান আছে। ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত দ্রব্য এসে উক্ত ড্রেনে পড়ে জমা হয়ে থাকে। পূর্বে এই ড্রেন দিয়ে বৃষ্টির সমস্ত পানি পোস্ট অফিসের পাশে কালভাট দিযে রওশন হাজীর বাড়ির পাশে সি.এন্ড.বি রাস্তার কালভার্ট দিয়ে পূর্ব দিকের বিলে চলে যেত। কিন্তু ক্লিনিক মালিক রাইছুজ্জামান ক্লিনিক নির্মান করায় রাস্তায় পানি চলাচল করতে না পেরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এবিষয়টি নিয়ে গত রবিবার সাতক্ষীরা টু’ডে অনলাইন পত্রিকা ও সাতক্ষীরা টিভিতে প্রকাশিত হলে ক্লিনিক মালিক ডা: রাইছুজ্জামানের উপর চাপ পড়তে থাকে এবং সে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিজ উদ্যোগে ড্রেন কেটে পানি সরানোর ব্যবস্থা করছে।

এসয় কুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম সেখানে গিয়ে ক্লিনিক মালিককে বলেন, পানি বন্ধ করে রাখার কারো এখতিয়ার নেই যতদূত সম্ভব ড্রেনটি সংস্কারের কাজ শেষ করেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়ে তিনি জানিয়ে দেন।

এবিষয়ে ক্লিনিক মালিক ডা: রাইছুজ্জামান বলেন, আমি সরকারী রাস্তা দখল করে জলবদ্ধতা সৃষ্টি করিনি তাছাড়া কিছুদিন আগে আমি এবিষয়ে স্থানীয় কিছু গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করেছিলাম আর আমি বলেছিলাম যে এখন বর্ষার সময় তো ড্রেনকাটা সম্ভব হবে না কিছুদিন পর ড্রেনটি কাটবো। তিনি আরোও বলেন আমার ক্লিনিকের পাশে যার জমি আছে সে পানি চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিলো এজন্য জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিলো।

সাতক্ষীরা টুডে পত্রিকা ও সাতক্ষীরা টিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর বহেরায় ড্রেন তৈরির ব্যবস্থা