ভোমরা স্থলবন্দরে ধূলাবালিতে মানুষের স্বাস্থ্যহানী : নিরসনে উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের

ভোমরা স্থলবন্দরে ধূলাবালিতে মানুষের স্বাস্থ্যহানী : নিরসনে উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের

খোরশেদ আলম: দেশের রাজস্ব আয়ের অন্যতম বন্দর ভোমরা স্থল বন্দর। প্রতিদিন ভারত থেকে বিভিন্ন মালামাল আসে এ বন্দর দিয়ে। যানজট তো লেগেই থাকে। ইতিমধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষ যানজট নিরসন করার উদ্যোগ নিয়েছে।

কিন্তু এখানে আরো বড় সমস্যা হলো ধূলার কুয়াশা। এ বন্দরের রাস্তা ঘাট শুকনা মৌসুমে ধূলা বালি আর বর্ষাকালীন সময়ে কাদা মাটি। এর ফলে ভোমরা স্থলবন্দরের সৌন্দয্য যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি এখানে কাজ করা বা এখানে যাতায়াতকারী সবাই এই ধূলার হাত থেকে বাঁচতে পারেনা। ফলে প্রচন্ড রকম স্বাস্থ্যহানী হচ্ছে। এতে মানুষের আয়ু কমেও যাচ্ছে বলে অনেকেই মনে করেন। অথচ এই ধুলাবালির হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনা।

এখানে কর্মরত অনেকেই অভিযোগ করে বলেন বন্দর কর্তৃপক্ষ বা ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক পরিষ্কার পরিছন্ন করার কোন উদ্যোগ নেইনি এখনো পর্যন্ত। অথচ প্রতি বছর ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় ২৫০০-৩০০০ টি ট্রেড লাইসেন্সীর কর পরিশোধ হয়। এর থেকে ৭০- ৭৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করে এ পরিষদ।

ভোমরা বাসীর দাবি জিরো পয়েন্ট থেকে বিজিবি বাশ কল পর্যন্ত ধূলা বালি নিরশনকল্পে পানির ট্রাক সরবরাহ সহ পরিছন্ন কর্মী নিয়োগ করা হোক।

এ বিষয়ে ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্টের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম ও ভোমরা ইউ পি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী জানান খুব শীঘ্রই ধূলাবালি নিরসন ও পানির গাড়ির ব্যবস্থা করবেন ।

এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন