তালায় হাজরাকাটি চার্চের সম্পত্তি দখল ও খৃস্টা সম্প্রদায়ের লোকজনকে মারপিটের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

তালায় হাজরাকাটি চার্চের সম্পত্তি দখল ও খৃস্টা সম্প্রদায়ের লোকজনকে মারপিটের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার হাজরাকাটিতে খৃস্টান ধর্মালম্বীদের নির্মাণাধীন
উপাসনালয় চার্চের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল ও সেখানে অবস্থানরত খৃস্টান
সম্প্রদায়ের লোকজদের মারপিট ও খুন জখমের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ আগস্ট ২০২০ বুধবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আবদুল মোতালেব
মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রেয়ার হাউজ চার্চ অব
বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান স্বপন সরকার উপরোক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত
বক্তব্য রাখেন। প্রেয়ার হাউজ চার্চ অব বাংলাদেশ ট্রাস্টের উদ্যোগে
হাজরাকাটিতে দরিদ্র, অসহায় ও এতিম শিশুদের লেখাপড়া করার জন্য সেখানে একটি
চার্চ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্থানীয় খৃস্টান সম্প্রদায়ের
নেতৃস্থানীয় লোকজন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, চার্চ নির্মাণে তারা
হাজরাকাটি মৌজায় ৭০৫ দাগে ২৫১ খতিয়ানে ৭ শতক সম্পত্তি একই এলাকার মৃত
আবদুল বারি শেখের দুই ছেলে নাজিমুদ্দিন শেখ, শিহাব শেখ এবং মেয়ে নফুরন ও
জানুয়ারার নিকট থেকে গত ২৩/০৩/২০২০ তারিখে প্রেয়ার হাউজ চার্চ অব
বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে স্বপন সরকারের নামে ক্রয় করেন।
উল্লেখ্য, আবদুল বারি ও তার পরিবার বিক্রিত ওই সম্পত্তি দীর্ঘ ৭২ বছর
ভোগদখল করে আসছিলেন।
স্বপন সরকার লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, প্রেয়ার হাউজ চার্চ অব বাংলাদেশ
ট্রাস্টের ক্রয়কৃত জমিতে চার্চ নির্মাণের কাজ শুরু হলে ওই জমির পিছনে তিন
শতক জমি একই এলাকার মৃত অমল দাশের তিন ছেলে কুমার দাশ, মাধব দাশ ও উত্তম
দাশ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিল। এক পর্যায়ে তারা চার্চের জমি দখল করার
চেষ্টা করে। এ নিয়ে তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয়
জনপ্রতনিধিদের উপস্থিতিতে শালিসী বৈঠক হলেও সমাধান হয়নি। মৃত অমল দাশের
তিন ছেলের মধ্যে লিটন দাশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করার সুবাদে এলাকা প্রভাব
খাটিয়ে চার্চ নির্মাণে বাধা দিচ্ছেন এবং খৃস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে
হত্যা, খুন, জখম ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি-ধামকি
দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত খৃস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন বলেন, আমরা এলাকায়
সংখ্যালঘু হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাদের নিরাপত্তা বিধানে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

%d bloggers like this: