সাতক্ষীরার গর্ব : অজয় কান্তি, পেপার মিলের বর্জ্যয় মূল্যবান পণ্য বানানো গবেষক

সাতক্ষীরার গর্ব : অজয় কান্তি, পেপার মিলের বর্জ্যয় মূল্যবান পণ্য বানানো গবেষক

স্টাফ রিপোর্টার:

অজয় কান্তি মন্ডল, পিতাঃ শ্রীদাম চন্দ্র মন্ডল, গ্রামঃ নাটানা, পোস্টঃ হাড়ীভাঙ্গা, থানাঃ আশাশুনি, জেলাঃ সাতক্ষীরা; বাংলাদেশ সরকারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (সাইন্স ল্যাব) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে চাকুরীর পাশাপাশি বর্তমানে উচ্চ শিক্ষা (পিএইচডি ডিগ্রী) অর্জনের উদ্দেশ্যে ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি, চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে সপরিবারে অবস্থান করছেন। পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের জন্য তিনি ২০১৮ সালে চীন সরকারের স্কলারশিপ (সিএসসি স্কলারশিপ) পেয়েছিলেন। তার গবেষণা কার্যক্রমের বিষয়ঃ পেপার মিলের অব্যবহৃত বর্জ্য বা উপজাত থেকে লিগনিন পৃথক করে সেটা থেকে মূল্যবান পণ্য বানানো। তার ডিগ্রীর অর্ধ পর্যায় তিনি গবেষণা কার্যক্রম বেশ সফলতার সাথে সম্পন্ন করে চারটি আন্তর্জাতিক, খ্যাতিসম্পন্ন খুবই ভালো মানের জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করা সহ গত ডিসেম্বরে “বিসিএসআইআর কংগ্রেস ২০১৯” শীর্ষক সেমিনারে তার একটা গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করতে চীন সরকারের অর্থায়নে অন্যান্য দেশের স্বনামধন্য বিজ্ঞানীদের সাথে কয়েকদিনের জন্য বাংলাদেশে সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছিলেন।


১,২ ছবিঃ গত বছরের ডিসেম্বরে “বিসিএসআইআর কংগ্রেস ২০১৯” সেমিনারে বিদেশী বিজ্ঞানী এবং সুপারভাইজারের সাথে।
সম্প্রীতি তিনি তার গবেষণা কাজের একটি অংশ চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক আয়োজিত একটা সেমিনারে উপস্থাপন করেন। সেখানে চীনের মোট সাতাশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৭৬ জন গবেষক, শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থাপনা থেকে তার উপস্থাপনাটি প্রথম পুরুস্কার অর্জনের পাশাপাশি তিনি অসাধারণ প্রতিভা সম্পন্ন পুরুস্কার হিসাবে একটি সার্টিফিকেট এবং ১০০০ ইউয়ান (প্রায় ১৩০০০ টাকা) পকেট মানি অর্জন করেন। তার এই অর্জন ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইটে গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করে। আমরা তাঁর অর্জন কে স্বাগত জানাই। তিনি শুধু সাতক্ষীরার নয় সমগ্র বাংলাদেশের গর্ব।


৩, ৪ ছবিঃ সার্টিফিকেট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ওনার সফলতার সংবাদ।
উল্লেখ্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্রে প্রথম শ্রেনীতে স্নাতক এবং ভৌত রসায়নে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম শ্রেনীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি কিছুদিন একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। আমরা তার জীবনের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।

Print Friendly, PDF & Email

%d bloggers like this: