স্বদেশ চেতনা ধারক ও বাহক ছিলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

স্বদেশ চেতনা ধারক ও বাহক ছিলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

উৎপল দে, কেশবপুরঃ অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কবির আবক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেশবপুরের সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা প্রশাসক মোঃ তমিজুল ইসলাম খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্ব সাহিত্যকাশে বাংলাকে সমৃদ্ধ করেছেন মধুসূদন দত্ত । স্বদেশ চেতনা ধারক ও বাহক ছিলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বাঙালি মানুষ। তিনি আরো বলেন বাংলা তার মাতৃভাষা, বাঙালি তার বিশ্বাসের জায়গা। মধুসূদনও দক্ষতার সহিত এটাকে ধারণ করেই নিপুণ হাতে অনবদ্য সাহিত্যসম্ভার সৃষ্টি করেছেন। আর তাই সুদূর ভার্সাই নগরে থেকেও কবি তার স্বদেশের প্রতি ভালোবাসায় দেশের কথা শৈশব জীবনের হাজারো মধুময় স্মৃতি এতটুকু ভুলে যাননি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসীম উদ্দীন, মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি ও মধু গবেষক খসরু পারভেজ, আবু শারাফ সাদেক কারিগরি কলেজের প্রভাষক কানাইলাল ভট্টাচার্য, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মহাকবির জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহŸায়ক স্থানীয় সরকার বিভাগ যশোরের উপ-পরিচালক হুসাইন শওকত। যশোর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার বিভাগ যশোরের উপ-পরিচালক হুসাইন শওকত মহাকবির আবক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। পরে একে একে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন যশোর জেলা প্রশাসন, কেশবপুর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, কেশবপুর প্রেসক্লাব, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, চারুপীঠ আর্ট স্কুল ও লোকজ একাডেমী । আলোচনা অনুষ্ঠান সন্ঞলনা করেন সহকারি শিক্ষা অফিসার মাসুদুর রহমান ও শিক্ষক উজ্জ্বল ব্যানার্জী ।
যশোর জেলা স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের কারনে এবার জন্ম বার্ষিকী ও সপ্তাব্যাপী মধূ মেলার আয়োজন করা হয়নি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মহাকবির জন্মবার্ষিকীর দিনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্পপরিসরে আয়োজন করা হয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

Print Friendly, PDF & Email
এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন