HEADLINE
ঝাউডাঙ্গা ভূমি অফিসের তহসিলদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ দাঁতভাঙা বিলে মৎস্য ঘের থেকে অজ্ঞাত নারীর লা’শ উদ্ধার মুখে মাস্ক পরে দেবহাটায় একরাতে ৪টি দোকানে চুরি ভাগ্য খুলতে পারে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের! স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযানে ভুয়া চিকিৎসকসহ দু’জনের কারাদণ্ড সাতক্ষীরা হার্ট ফাউন্ডেশনে সেবিকার কর্তব্য অবহেলায় বৃদ্ধার মৃ’ত্যুর অভিযোগ ডুমুরিয়ায় দুই শিশু সন্তানকে বালিশ চা’পা দিয়ে হ’ত্যার পর মায়ের আত্মহ’ত্যা ভোমরা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন : সভাপতি জাহাঙ্গীর, জিয়া সাধারণ সম্পাদক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন

সামেক হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট হালিমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

টুডে ডেস্ক / ২৬৭
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সরকার নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে। কোনো ভাউচার ছাড়াই টেকনোলজিস্ট আব্দুল হালিম এক্স-রে, সিটিস্ক্যান, এম আর আই পরীক্ষা করতে রোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না করে লুটপাট করছে। তিনি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে এমন অনিয়ম করেছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টেকনোলজিস্ট আব্দুল হালিম কোন ভাউচার ছাড়া টেস্ট করে রিপোর্ট দিচ্ছে। ভুক্তভোগী তালা উপজেলার রেজাউল মোল্লা বলেন, আমার স্ত্রী নাদিরার কোমরে আঘাত পাওয়াই সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ডাক্তার দেখানোর জন্য নিয়ে এসেছি। ডাক্তার আমার স্ত্রীকে দেখে এক্স-রে করতে বলেন, আমি এক্স-রে বিভাগে যেয়ে ডাক্তারের দেখানো টিকিট দেখে বলো ৩০০টাকা দেন। টাকা দেয়ার পরে এক্স-রে করলো। তারপরে বলেন দুই ঘন্টা পরে এসে রিপোর্ট নিয়ে যাবেন। আমি ওনাকে বললাম আমার ভাউচার দেন, উনি বলেন নাম লিখে রাখছি ভাউচার লাগবেনা।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, এক্স-রের জন্য প্রত্যেক রোগীর কাছ থেকে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার বেশি ফি আদায় করেন। সিটি স্ক্যান ব্রেন ২০০০টাকা সরকারি ফি কিন্তু নেয়া হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৪০০০টাকা, সিটি স্ক্যান এবডোমেন (ঔষধ ছাড়া) সরকারি ফি ৪০০০ টাকা কিন্তুু নেয়া হচ্ছে ৫০০০ থেকে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছে কিন্তু আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জনস্বার্থ বিবেচনা করে এদের বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

হাসপাতালের সংশ্নিষ্ট কর্মচারীরা জানান, এদের বিরুদ্ধে আগে দু-একবার অভিযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি। এতে তারা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তারা এতই ক্ষমতাবান হয়েছে যে, কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এ বিষয় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট আব্দুল হালিম বলেন, সিটি স্ক্যান এবং এক্স-রে সরকারি ফি যেটা সেটাই নেয়া হয় আমরা অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়না,ভাউচার ছাড়াই আপনারা টাকা নিচ্ছেন এমন প্রশ্ন জবাবে বলেন ভাউচার ছাড়া যেগুলো নেয়া হচ্ছে সেগুলো ফ্রি সার্ভিস মুক্তিযুদ্ধা অথবা অসহায় ব্যাক্তি মেডিকেল ডাক্তাদের সুপারিশ নিয়ে আসে সে জন্য ভাউচার দেয়া হয় না।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা.শীতল চৌধুরী কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই বিষয়ে আমি অবগত নাই আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ