HEADLINE
৫ দিন পর ভোমরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু দেবহাটায় পাল্টাপাল্টি মারপিটে ইউপি চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি সহ আহত ৫ সাতক্ষীরা সীমান্তে নয়টি স্বর্ণের বার’সহ চোরাকারবারি আটক সাতক্ষীরায় চেতনানাশক স্প্রে করে দুই পরিবারের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আশাশুনির কোপাত বাহিনীর প্রধান কারাগারে সজিনা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় পলাতক আসামি যশোরে গ্রেপ্তার দেবহাটায় নদীতে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে শিশুর ম’র্মা’ন্তিক মৃ’ত্যু সাতক্ষীরায় দু’বস্তা ফেনসিডিল’সহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আমাদের সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়নে অনেকটা অবহেলিত
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

সাতক্ষীরায় ৫৮ ও ৬৮ বছর বয়সী দম্পতির বিয়ে সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৪১৩
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২

হামিদা বেগমের বয়স এখন ৫৮ বছর। ছোট বোনের বিয়ে হয়ে গেলে একা হয়ে যান হামিদা। তবে নিজে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না। শেষে বয়সে হামিদা বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন। গ্রামবাসীর আয়োজনে ৬৮ বছর বয়সী মোকছেদ আলী গাজীর সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বাথুয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত শহর আলী গাজীর মেয়ে হামিদা বেগম। দিনমজুরের কাজ করে কোনো মতে চলতেন তিনি। বর মোকছেদ আলী গাজী একই উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামের মৃত ছবেদ আলী গাজীর ছেলে। 

তারালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনামুল হক ছোট বলেন, হামিদা আপার বয়স ভোটার আইডি কার্ডে ৫০ হলেও বাস্তাবে ৫৭-৫৮ বছর হবে। তিনি খুব গরিব, তবে ধর্মভীরু ও চরিত্রবান। এলাকার মানুষ কেউ কোনোদিন তার নামে কোনো বদনাম দিতে পারেনি। কেউ কখনো কোনো অভিযোগও দেয়নি তার বিরুদ্ধে। তবে আপা বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না। আসলে কী কারণে তিনি বিয়ে করতে চাইতেন না সেটি কেউ কখনো জানতেও পারেননি।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি হামিদা আপাকে কে যেন বলেছেন বিয়ে না করলে বেহেশতে যেতে পারবে না। তখন আপা বিয়ে করতে রাজি হন। এই খবর মুহূর্তের মধ্যেই গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী সবাই মিলে পাত্র খুঁজতে শুরু করে। দেখাশুনার একপর্যায়ে মোকছেদ আলী গাজী মিলে যায়। পাত্র-পাত্রী দুইজন দুইজনকে পছন্দ করলে বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। শুক্রবার (৪ মার্চ) দুপুরে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে গ্রামবাসীর আয়োজনে বিয়ে দেওয়া হয় তাদের। 

ইনামুল হক ছোট বলেন, বিয়েতে গ্রামবাসী সবাই টাকা খরচ করেছেন। গ্রামের পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত হয় বিয়ের আয়োজনে। খাওয়া দাওয়া হয়। আমিও ছিলাম বিয়ের আয়োজকদের একজন। বরযাত্রী এসেছিল ২০ জন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নতুন বর-কনেকে বিদায় দিয়ে গ্রামবাসী বাড়িতে ফিরে যায়।

জানা গেছে, হামিদা বেগমের এটি প্রথম বিবাহ। অন্যদিকে পাত্র মোকছেদ আলী গাজীর দ্বিতীয় বিবাহ। মোকছেদ আলী গাজীর প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন অনেক আগে। প্রথম স্ত্রীর দুই ছেলে রয়েছে। তারা বিবাহিত, নিজেদের আলাদা সংসার। ২০ জন আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিয়ের আসরে হাজির হন মোকছেদ আলী গাজী। জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন বউকে নিয়ে ঘরে ফেরেন তিনি।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ