বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি / ৭৯
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১

বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ এর নেতৃবৃন্দের কাছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া জানিয়ে সাতক্ষীরায় ‘জলবায়ু পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পদযাত্রা ও সামবেশে বক্তারা বলেছেন, উন্নত বিশ^ প্রতিনিয়ত কার্বন নি:সরণ করছে। ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর বিলাসী জীবনযাপনের খেসারত বাংলাদেশের মতো দরিদ্র ও অনুুন্নত দেশগুলোকে দিতে হচ্ছে। জলবায়ু অভিঘাতের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরার দুটি উপজেলা আশাশুনি ও শ্যামনগরের মানুষ প্রতিনিয়ত জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। এসব জলবায়ু উদ্বাস্তু মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেয়ে বস্তিতে মানবেতর জীবনযাপন করছে। লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে মানুষের রোগব্যাধি বাড়ছে। ফসলের জমি বিরান হয়ে যাচ্ছে। ধনী দেশগুলোর অতিক্তি কার্বণ নি:সরণের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মানুষকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করতে হবে। সোমবার ৮ নভেম্বর, ২০২১ সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট মোড় (শহীদ আলাউদ্দীন চত্বর) থেকে জলবায়ু পদযাত্রা শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

স্বদেশ, উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরবিশে র্কমজোট (ক্লিন) Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN) ও এশয়িান পপিলস্ মুভমন্টে অন ডটে অ্যান্ড ডভেলেপমন্টে Asian People’s Movement on Debt and Development (APMDD) যৌথভাবে এ র্কমসূচরি আয়োজন করে। শহরে জলবায়ু পদযাত্রা শেষে সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পরিবেশিত হয়।

জলবায়ু পদযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক ব্যক্তিত্ব আবদুল হামিদ, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আনিসুর রহিম, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ জাসদ, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ভূমিহীন নেতা ও জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলী নুর খান বাবুল, উদীচীর জেলা কমিটির সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ক্রিস্টেন্টের নির্বাহী পরিচালক আবু জাফর সিদ্দিকী, উন্নয়নকর্মী ফারুক রহমান, ক্লাইমেট এক্টিভিস্ট এস এম শাহিন বিল্লাহ, ব্যবসায়ি মিজানুর রহমান, সাংস্কৃতিককর্মী একোব্বার হোসেন, শিক্ষার্থী শিখা প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সমন্বয় করেন মানবাধিকারকর্মী ও স্বদেশ’র নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত।

বক্তারা বলেন, গত ৩১ অক্টোবর শুরু হয়ে আগামী ১২ নভম্বের র্পযন্ত স্কটল্যান্ডরে রাজধানী গ্লাসগোতে জাতসিংঘ জলবায়ু সম্মলেন অনুষ্ঠতি হচ্ছে। এ সম্মলেনে বাংলাদশেরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চারটি মূল দাবি তুলে ধরছেনে। দাবগিুলো হলো : (১) র্কাবন নর্গিমন শূন্যে নাময়িে আনার জন্য উচ্চাভলিাষী পরকিল্পনা গ্রহণ করা (২) উন্নত দশেগুলোর প্রতশ্রিুতি অনুযায়ী প্রতি বছর ১০০ বলিয়িন ডলার ক্ষতপিূরণ দয়ো (৩) জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে নবায়নযোগ্য ও পরচ্ছিন্ন জ্বালানরি প্রযুক্তি দয়িে সহায়তা করা এবং (৪) জলবায়ু উদ্বাস্তু এবং জলবায়ু পরর্বিতনরে কারণে ক্ষতি ও ধ্বংসরে দায়-দায়ত্বি গ্রহণ করা।

জলবায়ু পরর্বিতনরে বরিূপ প্রভাবরে ফলে সারা পৃথবিী জুড়ে র্দুযোগরে সংখ্যা ও ভয়াবহতা দুটোই বড়েে গছে।ে আর এতে ক্ষতরি শকিার হচ্ছে বাংলাদশেরে মতো উপকূলীয় ও উন্নয়নশীল দশেগুলো। গত ২০ বছরে যসেব দশে জলবায়ু র্দুযোগ আক্রান্ত প্রথম পাঁচটি দশেরে মধ্যে বাংলাদশে একট।ি জলবায়ুর বরিূপ প্রভাবে দশেরে উপকূলীয় ও উত্তরাঞ্চলে লবণাক্ততা, খরা, বন্যা, অনয়িমতি বৃষ্টপিাত, নদী ভাঙন, র্ঘূণঝিড় ও জলোচ্ছ্বাসরে কারণে জীবকিা হারয়িে প্রতি বছর পাঁচ লাখরেও বশেি মানুষ জলবায়ু-উদ্বাস্তুতে পরণিত হচ্ছ।ে

জলবায়ু পরর্বিতনরে মূল কারণ বাতাসে অতরিক্তি র্কাবন নর্গিমন ও তার ফলে পৃথবিীর তাপমাত্রা বৃদ্ধ।ি পৃথবিীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ সলেসয়িাসরে মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার উদ্দশ্যেে ২০১৫ সালে প্যারসিে জাতসিংঘরে সদস্য দশেগুলো চুক্তি স্বাক্ষর কর।ে প্যারসি চুক্তরি উদ্দশ্যে পূরণ করতে হলে ২০৫০ সালরে মধ্যে র্কাবন নর্গিমন শূন্যে নাময়িে আনতে হব।ে পৃথবিীর অধকিাংশ দশে এ লক্ষ্য পূরণরে প্রতশ্রিুতি দলিওে চীন, রাশয়িা, ব্রাজলি ও ভারতরে মতো বড় নর্গিমনকারী দশে কোনো প্রতশ্রিুতি দয়েন।ি ফলে মানবজাতি রক্ষার উদ্যোগ অনকেটাই র্ব্যথ হব।ে মানবজাতরি বরিুদ্ধে অবস্থান নয়োর জন্য এসব দশেরে লজ্জা পাওয়া উচৎি।

স্বদেশ-এর নর্বিাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত বলনে, বাতাসে র্কাবন নর্গিমনরে ৭২ শতাংশই আসে জ্বালানি খাত থকে।ে কার্বন নর্গিমন কমানোর জন্য কয়লা, গ্যাস ও জ্বালানি তলেখাতে উন্নত দশেগুলোর বনিয়িোগ বন্ধ করতে হব।ে ইতোমধ্যে র্মাকনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ ৪০টি দশে জীবাশ্ম জ্বালানতিে বনিয়িোগ করবে না বলে প্রতশ্রিুতি দয়িছে।ে র্জামান,ি জাপান, চীন, অস্ট্রয়িা, অস্ট্রলেয়িা, দক্ষণি কোরয়িা, বলেজয়িামরে মতো বড় বনিয়িোগকারী দশেগুলো জীবাশ্ম জ্বালানতিে বনিয়িোগ বন্ধ করার কোনো প্রতশ্রিুতি দয়েন।ি এসব দশেরে অবলিম্বে জীবাশ্ম জ্বালানতিে বনিয়িোগ বন্ধ করতে হব।

বক্তারা অবলিম্বে কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানতি বনিয়িোগ বন্ধ করা, প্রতশ্রিুতি অনুযায়ী জলবায়ু-বপিদাপন্নদরে জন্য র্পযাপ্ত ক্ষতপিূরণ নশ্চিতি করা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নশ্চিতি করার জন্য বাংলাদশেকে সহায়তা করা, ২০৫০ সালরে মধ্যে র্কাবন নর্গিমন শূন্যে নাময়িে আনার জন্য পদক্ষপে গ্রহণ করা এবং টকেসই উন্নয়ন নশ্চিতি করার দাবি জানান।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ