HEADLINE
ছওয়াব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ”আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনার ঝাউডাঙ্গা ভূমি অফিসের তহসিলদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ দাঁতভাঙা বিলে মৎস্য ঘের থেকে অজ্ঞাত নারীর লা’শ উদ্ধার মুখে মাস্ক পরে দেবহাটায় একরাতে ৪টি দোকানে চুরি ভাগ্য খুলতে পারে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের! স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযানে ভুয়া চিকিৎসকসহ দু’জনের কারাদণ্ড সাতক্ষীরা হার্ট ফাউন্ডেশনে সেবিকার কর্তব্য অবহেলায় বৃদ্ধার মৃ’ত্যুর অভিযোগ ডুমুরিয়ায় দুই শিশু সন্তানকে বালিশ চা’পা দিয়ে হ’ত্যার পর মায়ের আত্মহ’ত্যা ভোমরা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন : সভাপতি জাহাঙ্গীর, জিয়া সাধারণ সম্পাদক
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় পাতানো নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০৭
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩

কলারোয়ার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে পাতানো নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার ২ নভেম্বর ওই মাদ্রাসার ইফতেদায়ী প্রধান ও গবেষণাগার/ল্যাব সহকারী পদে পাতানো নিয়োগ বোর্ড বসানো হয়।

তথ্যনুসন্ধানে জানা যায়, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি গ্রামের সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় ইবতেদায়ী প্রধান ও গবেষণাগার/ ল্যাব সহকারি ২টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। ইবতেদায়ী প্রধান পদে ৫ জন ও গবেষণাগার / ল্যাব সহকারী পদে ৭ জন আবেদন করে। এদিকে গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গবেষণাগার / ল্যাব সহকারী পদে একই ইউনিয়নের জব্বারের ছেলে জাহিদ হোসেনকে ৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ও ইবতেদায়ী প্রধান পদে নজরুল ইসলামকে ৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে পাতানো নিয়োগ সম্পন্ন করা করা হবে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়। অবশেষে বস্তুনিষ্ট সংবাদের সত্যতা প্রমাণ করে সংবাদে প্রকাশিত জাহিদ হোসেন ও নজরুল ইসলামকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এ অপকর্মে সহযোগিতা করার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি প্রতিনিধি ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও কলারোয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মীর মস্তাফিজুর রহমান মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করে। তবে নিয়োগ বোর্ডের ফলাফল ঘোষণা করার পর প্রকাশিত সংবাদ গুলো দেখিয়ে সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি প্রতিনিধি ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও কলারোয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মীর মস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন। উল্লেখ্য, ইবতেদায়ী প্রধান পদে পাঁচ জন আবেদন করলেও একটি মাদ্রাসার সভাপতি জানান প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি একজন শিক্ষককে জোর করে সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় ইবতেদায়ী প্রধান পদে নিয়োগ দিবেন, যা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ