শাঁখরা কোমরপুর এ.জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তির ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

শাঁখরা কোমরপুর এ.জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তির ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের শাঁখরা কোমরপুর এ.জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমেদ শরীফ ইকবলের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের উপবৃত্তির ফরম পূরণ বাবদ জন প্রতি ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে তিন শতাধিক টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃত্তি তালিকায় স্থান পাওয়ার জন্য এমন ভাবে টাকা নেওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৫ই মে বুধবার বেলা ১২টায় সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে সহকারী শিক্ষক আছাদ ও শিক্ষিকা ফারহানা সহ অনান্য শিক্ষকরা উপবৃত্তির ফরম ফরম পূরন বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন শত টাকা করে নিচ্ছে। টাকা নেওয়ার ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে জানতে চাইলে শাখরা গ্রামের সপ্তম শ্রেনী পড়–য়া এক ছাত্রীর পিতা সাইফুল ইসলাম, একই শ্রেনীতে পড়–য়া ছাত্রের পিতা আসাদুল ইসলাম, শাঁখরা বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক অভিভাবক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তিনশত টাকা নেওয়ার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ব্যাপারে উপবৃত্তির ফরম পূরন করার দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা ফারহানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনশত টাকা না আমরা খরচ বাবদ একশত টাকা করে নিচ্ছি। বিদ্যালয় এডহক কমিটির সদস্য শাহাজাহান আলী জানান, আমাদের বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক আলমগীর হোসেন কম্পিউটার বিষয়ে অনভিজ্ঞ। যার কারনে বাইরের কম্পিউটার হতে ফরম পূরন করতে এই খরচের টাকা নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয়ের এক জন সহকারী শিক্ষক (গণিত) দেবাশীষ দাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ সর্বমোট তিনশত টাকা নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমেদ শরীফ ইকবল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি শিক্ষার্থী প্রতি খরচ বাবদ একশত টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং কম্পিউটার শিক্ষক এর কম্পিউটার বিষয়ে পারদর্শিতা কম আছে বলে জানান। বিদ্যালয়ে এডহক কমিটির সভাপতি ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কত টাকা নেওয়া হচ্ছে আমি জানিনা। তবে কয়েকজন অভিভাবক আমার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে আমি প্রধান শিক্ষক কে টাকা বেশি না নেওয়ার ব্যাপারে সর্তক করেছি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় শুনে বলেন আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলছি। এরপর কয়েক বার তার মোবাইলে কল দিলে নাম্বার ব্যস্ত দেখায়।

Print Friendly, PDF & Email
এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন