HEADLINE
চাকরি ও বাসস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রতিবন্ধী তরিকুলের আকুল আবেদন সাতক্ষীরার জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ ‘ড্রিম সাতক্ষীরা’ প্রথম বারের মতো ফটোকনটেস্টর আয়োজন কেশবপুরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শ্যামনগরে নৌ-পুলিশের অভিযানে বালখেট জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা কেশবপুরে ইট ভাটা মালিকের সংবাদ সম্মেলন সারাদেশে নদীভাঙন রোধে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী প্রকল্প হচ্ছেঃ এনামুল হক শ্রীউলায় আন্তক্রিড়া প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বলাডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধাকে অপহরণের অভিযোগ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট শ্যামনগরে বিদ্যুৎ স্পর্শে তরুণ স্বেচ্ছাসেবক মেহেদী হাসান’র মৃত্যু
শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০১:৪৩ অপরাহ্ন

মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত পাইকগাছার জয় দাশে’র

পাইকগাছা প্রতিনিধি / ১০১
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২

পাইকগাছা কপিলমুনিতে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে ৬০২তম হয়েও মেডিকেলে পড়াশুনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে জয় দাসে’র।জয় দাশ ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ের্দী মেডিকেল কলেজে মেডিকেলে চান্স পেয়েছে।

ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী,জয় দাশ কপিলমুনি সহচারী বিদ্যামন্দির স্কুল এন্ড কলেজে থেকে এসএসসি জিপিএ ৫ কপিলমুনি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ছোট থেকেই তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল। স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি অধিকাংশ সময়ই লেখাপড়ার পিছনে ব্যয় করেছেন। স্বপ্ন পূরণের এতো কাছে এসেও টাকার অভাবে স্বপ্ন ভেঙে যাবে তা মেনে নিতে পারছেন না জয়। দুই ভাইবোনের মধ্যে জয় বড় ছোট বোন ক্লাস সেভেনে পড়ে।

জয় জানান আমি সবার সহযোগিতায় পড়াশুনা সম্পন্ন করে ভালো একজন চিকিৎসক হয়ে দেশ ও দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য সারাজীবন কাজ করে যেতে চাই। গরীব ও অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে সেবা দিতে চাই। আমি গরীব ঘরে জন্মগ্রহণ করেছি গরীবের কষ্ট আমি বুঝি।

গরীব পিতা বিশ্ব দাসের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।বিশ্ব দাস কপিলমুনি বাজারে ফুটপাতের একজন বাজার করা ব্যাগ বিক্রেতা। এই ব্যাগ বিক্রি করে চলে তাদের সংসার নিজ বাড়িতে মাথাগোজার একটুকরো জায়গা ছাড়া অন্য কিছু নেই।

ছেলে মেডিকেল  পড়ে বড় ডাঃ হবে এতে খুশি হওয়ার কথা থাকলেও তার মুখে হাসি নেই। কারণ তার পড়াশুনার খরচ কীভাবে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তার গরিব পিতা। অর্থের অভাবে তার মেডিকেলে ভর্তিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।ছেলের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের  বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার মা-বাবা।

জয় দাশের ফোন নাম্বার:-01889601524

জয় দাস খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার কপিলমুনি ইউনিয়নের নাছিরপুর (ঋষি পাড়ায়) দীন মজুর বিশ্বজিৎ দাশের ছেলে। মা একজন গৃহিণী। জয় দাশের  ছোটবেলা থেকেই লেখাপাড়ার প্রতি খুব আগ্রহী ছিল।এদিকে অর্থের অভাবে ছেলেকে মেডিকেলে ভর্তি করা নিয়ে অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়েছেন হত দরিদ্র পিতা বিশ্বজিৎ দাশ।

তিনি বলেন, আমি গরিব মানুষ। আমার একটা মেয়ে ও একটা ছেলে। খুব দুঃখ-কষ্টের মধ্যে দিয়ে আমার ছেলে-মেয়েরা বড় হচ্ছে। কখনো খাবার জুটেছে, কখনো জুটছেনা। আমি দিনমজুরের পাশাপাশি কপিলমুনি বাজারে ফুটপাতে মানুষের বাজার করা ব্যাগ বিক্রি করি। এই রোজগার দিয়ে আমার সংসার চলে।  জয় দাশের পিতা বিশ্বজিৎ দাশ বলেন, আমার বড় ভাই ও বাজারে শ্রমিকের কাজ করে  আমাকে সাহায্য করার মত কোন আত্নীয় স্বজন নেই।  অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যেও সন্তানের পড়ালেখার উৎসাহ দিয়েছি। আমি বহু কষ্টে ধার-দেনা করে তাদের লেখা-পড়া চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমার ছেলে ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে  চান্স পেয়েছে।  কিন্তু তাকে ভর্তি করার মতো টাকা-পয়সা আমাদের নেই। আমি চিন্তা করে কোনো কূলকিনারা পাচ্ছি না, কীভাবে ছেলেকে ভর্তি করাবো? কীভাবে বই কিনে দিবো? কীভাবে খরচ চালাব?

সাহায্যের জন্য আমি মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ সমাজের  বিত্তবানদের কাছে আবেদন করছি। আপনারা সবাই আমার ছেলের জন্য সাহায্য করুন। আমার ছেলে কে আশীর্বাদ  করবেন। আপনারা যদি সহযোগিতা করেন তবে আমার ছেলে ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করবে। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া আমার কোনো ক্ষমতা নেই তাকে পড়ানোর।

জয় দাশের পিতা বিশ্বজিৎ দাশের মোবাইল নাম্বার
০১৮৩০৬৭৭৩৫৪।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ