ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন স্থগিত : সময় মতো ভোট চান ভোটাররা

ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন স্থগিত : সময় মতো ভোট চান ভোটাররা

আব্দুল গফ্ফার, ভোমরা ঃ
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও বর্নিল সাজে সজ্জিত ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সদস্যদের প্রত্যাশিত ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিলেন খুলনার বিভাগীয় শ্রম আদালত। ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম, সদস্য ক্রমিক নং- ৪৪, ভোটার ক্রমিক নং- ৩২, ওই সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের কতিপয় অবৈধ ভোটাররা (সদস্য) যাহাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ২০২ (২১) ও ২১৩ ধারা মতে খুলনা বিভাগীয় শ্রম আদালতে একটি দরখাস্থ দাখিল করেন। দাখিলকৃত দরখাস্থের বরাত দিয়ে বিজ্ঞ শ্রম আদালত আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা না করতে পারে তার জন্য একটি আদেশ কপি ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশনার বরাবর প্রেরন করেন। আদেশ কপিতে বলা হয়, আদালতে স্বয়ং অথবা রীতিমত উপদেশ প্রাপ্ত একজন উকিল দ্বারা উপস্থিত হয়ে উক্ত দরখাস্থের বিরুদ্ধে কারন দর্শানোর জন্য বলা হয়। এদিকে আকর্র্ষিকভাবে নির্বাচন স্থগিতের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ভোমরা বন্দরে সিএন্ডএফ কর্মচারীরা এক উত্তাল বিক্ষোভে ফেঁটে পড়ে। একটি কুচক্রীমহল পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বাঁনচাল করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। সাধারন কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার ভোটাধিকার ও ভাগ্য উন্নয়ন কর্মকা-কে ব্যাহত করতে এক দূর্বিসহ চক্রান্ত চালানো হয়। যার প্রভাব পড়ে ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ও ভোটারদের উপর। ষড়যন্ত্রমূলক নির্বাচন বাঁনচালের বিরুদ্ধে ক্ষেঁপে উঠেছে সাধারন ভোটাররা। তারা দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। এদিকে খুলনা বিভাগীয় শ্রম আদালত থেকে আদেশ পত্র পাওয়ার পর সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের ভোটাররা নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও করে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। বিক্ষিপ্ত ভোটাররা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি জোর দাবি জানান। এছাড়া সাধারন ভোটারা সাংবাদিকদের জানান, কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের যে সমস্ত অভিযুক্ত ভোটারদের বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা যে দরখাস্থ করেছে কিন্তু বিগত নির্বাচনেও তারা গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা মেনে এবং মাসিক চাঁদা পরিশোধ করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। তবে ভুক্তভোগী সাধারন ভোটাররা অভিযোগ করে আরো জানায়, ওই কুচক্রী মহল সব কিছু জেনেও পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে বাঁধা গ্রস্থ করার লক্ষ্যে পাঁয়তারা অব্যাহত রেখেছে।

Print Friendly, PDF & Email
এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন