HEADLINE
১৯ নারী ৩ বছর পর বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে ফেরত পুজামন্ডপ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাংচুরের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন পাটকেলঘাটায় যাত্রীবাহি বাস খাদে পড়ে সুপার ভাইজার নিহত : আহত ১০ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আজ দীর্ঘ ১০ বছর পর অবশেষে সাতক্ষীরার নিউ মার্কেট’র জমির মামলার রায় দিল আদালত সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা আশাশুনির ৩ ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবার আবারও পানি বন্দী শ্যামনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মা ছেলে আহত সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সম্প্রীতি রক্ষা দিবস পালিত মথুরাপুরের জয়নাল বেকারীতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাবার
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

প্রতাপনগরে বন্যা প্লাবিত এলাকায় ভাসমান মসজিদ উদ্বোধন

আশাশুনি ব্যুরো / ১১৭
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে বন্যা প্লাবিত মসজিদে সাঁতার দিয়ে নামাজ আদায় করতে যাওয়া ইমামের খবর পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর মুসল্লিদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে সেখানে ভাসমান মসজিদ নির্মান করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) আছর নামাজের মাধ্যমে ভাসমান মসজিদের উদ্বোধন করা হয়।


আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন মসজিদটি নির্মানের উদ্যোগ নেন। প্রতাপনগর হাওলাদার বাড়ির কাছে ভাঙ্গন কবলিত পয়েন্টে ভাসমান মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মীত মসজিদটির নামকরন করা হয়েছে “আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন মসজিদে নুহ (আঃ)।” বন্যা কবলিত মসজিদ কমিটি এ মসজিদ পরিচালনা করবে। ৫৫ ফুট বাই ১২ ফুট বিশিষ্ট নৌকার উপর নির্মিত ভাসমান মসজিদে একসাথে ৮০ জন মুসাল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। মসজিদের সাথে মিনি অজুখানা, টয়লেট, সোলার লাইট, সাউন্ড সিস্টেম, কোরআন শরীফসহ বুক শেলফ রয়েছে। এ ছাড়া ভাসমান মসজিদে মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য আছে একটা ছোট নৌকা। আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন এই মহতী কাজের উদ্বোধন করেন।


ভাসমান মসজিদ পাওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে খুশি ফিরে এলেও তারা প্লাবিত মসজিদটি টিকিয়ে রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সরকারি ও বেসরকারি ভাবে মসজিদ রক্ষার্থে এখনো কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মসজিদের পাশের শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবনে সম্পূর্ণভাবে ভেসে গেছে। মসজিদের ৩ পাশের মাটি ধ্বসে গেছে এবং জোয়ারভাটা ও নদীর ঢেউয়ে ধ্বসে যাচ্ছে। ফলে মসজিদের বারান্দায় ফাটল লেগেছে। ভীতের নীচের মাটি অনেকটা করে ভেসে গেছে। দ্রæত মসজিদ রক্ষার্থে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মসজিদটি যে কোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারে। মসজিদের মুসল্লিরাসহ এলাকার মানুষ মসজিদের জন্য চোখের পানি ফেলে যাচ্ছে। তাদের দাবী ধর্মপ্রাণ মানুষসহ উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, জন প্রতিনিধিসহ সকলে সহযোগিতা নিয়ে এগুলে এলে মসজিদটি রক্ষা সম্ভব হতে পারে।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ