বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৪৬ অপরাহ্ন

পাইকগাছায় মাল্টা চাষে সফল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক

প্রবীর জয়, কপিলমুনি প্রতিনিধি / ১৯০
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২

মাল্টা বিদেশী বা পাহাড়ি ফল হিসেবে পরিচিত হলেও খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মাল্টা চাষ করে সফল হয়েছেন। তার লাগানো প্রতিটি গাছে এ বছর ৩০ থেকে ৪০টি করে মাল্টার ফলন হয়েছে। তিনি পাইকগাছা উপজেলার রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু প্রতিষ্ঠিত সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল এন্ড কলেজে দীর্ঘ ১৬ বছর প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি অত্র উপজেলার রাড়ুলী গ্রামে। বর্তমানে সেখানেই সপরিবারে তিনি বসবাস করছেন। জানা গেছে, ২০২১ সালের জুলাইতে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য উপজেলার গদাইপুর নার্সারি থেকে ৬০টি মাল্টার চারা সংগ্রহ করে ১৫ শতাংশ জায়গার মধ্যে মাল্টা চাষ শুরু করেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হরেকৃষ্ণ দাশ। আর প্রথম বছরেই ২০টি গাছে মাল্টার ভালো ফলন হয়েছে। এতে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারেও বিক্রি করা সম্ভব। হরেকৃষ্ণ দাশের বাড়িতে মাল্টা ছাড়াও রয়েছে কমলা, লেবু, পেঁপে, ড্রাগন, পেয়ারা, সফেদা, করমচা, কাঁঠাল, নারকেল, আমড়া, ল্যাংড়া আম ও আম্রফালিসহ প্রায় ২৫ ধরনের নানা প্রজাতীর ফল গাছ। এদিকে বাড়ির খালি জায়গাকে কাজে লাগিয়ে এধরনের একটি ফলজ বাগান সফলতার মুখ দেখায় বাগানটি দেখতে এবং পরামর্শ নিতে গ্রামের লোকজন আসছেন তার বাড়িতে। অনেকে তার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে বাড়ীর আঙ্গিনায় বাগান করার আগ্রহী হয়েছেন। এব্যাপারে শিক্ষক হরেকৃষ্ণ দাশ জানান, আমি ছোটবেলা থেকে গাছ লাগাতে এবং পরিচর্যা করতে ভালোবাসি। তাই বাড়ির আঙ্গিনার খালি জায়গাকে কাজে লাগানোর জন্য মাল্টাসহ বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজির বাগান করেছি। অন্য কর্মের অবসরে বাগানে সময় দিয়ে থাকি। যেকোন বয়সের নারী-পুরুষ বাড়ির আঙ্গিনায় মাল্টা চাষ করতে চাইলে সেক্ষেত্রে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেন তিনি। তবে এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। এলাকায় ব্যাপকহারে এ মাল্টার চাষ হলে দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি সম্ভব।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ