HEADLINE
ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশের ফেরার সময় ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টযাত্রীর মৃত্যু দেবহাটা প্রেসক্লাবের বার্ষিক সভায় বর্তমান কমিটির মেয়াদ বর্ধিত; সদস্য অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে উপ-কমিটি ঝাউডাঙ্গায় ৭১ সালের বালিয়াডাঙ্গা যুদ্ধের স্মৃতি চারণে আলোচনা সভা ৪র্থ বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত কলারোয়ার যুগিখালীর ইউপি সদস্য মফিজুল সাংবাদিক আজিজুল’র মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক সমিতির গভীর শোক সাতক্ষীরায় ধানক্ষেতে ইঁদুর মারা বিদ্যুতের ফাঁদে জড়িয়ে দু’জনের মৃত্যু বাংলাদেশ ভারত এর বন্ধুত্ব বিশ্বে রোল মডেলঃ নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরায় গোপন বৈঠক কালে জামায়াতে ইসলামীর ১০ মহিলা নেতাকর্মী আটক ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা উপলক্ষে মাধবকাটি বলফিল্ড মাঠে উৎসবের আমেজ পরীক্ষার সময় পরিবহন চলা নিয়ে নিশ্চিত নয় জবির পরিবহন পুল
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

ঝাউডাঙ্গা বাজারের প্রধান সড়ক এখন খানাখন্দে ভরা : বাড়ছে দুর্ঘটনা

মোমিনুর রহমান সবুজ / ৪০৯
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১

সাতক্ষীরার সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়ক যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা বাজারের প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কটির উপরের পিচ বসে, পিচ গুলো ডানে বামে সরে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় টিউমার আর খানাখন্দ! কোথাও আবার খোয়া বের হয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। আর সেই উঁচু-নিচু স্থান ও গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ।

সড়কে এ বেহাল দশার কারণে সড়কে যানবাহন চলে হেলেদুলে। আর বৃষ্টি হলে পিচের রাস্তা পানি-কাঁদা-তেল-মবিল, মিলেমিশে একাকার হয়ে রূপ নেয় মেঠো রাস্তায়। উঁচু-নিচু আর খানাখন্দে ভরা মহাসড়কটিতে চলার উপায় নেই। রাস্তাটির জরাজীর্ণতায় দুর্ভোগে পড়ে অনেকেই মনের খেদ মিটাচ্ছেন নিজের উপরেই। এসড়কে ২৪ ঘন্টায় অসংখ্য প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা যানবাহন যোগে চলাচল করলেও নজর নেই জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের। স্থানীয় জনগণ ও পরিবহন শ্রমিকরা এটিকে ‘টিউমার সড়ক’ বলে আখ্যায়িত করছেন। এই ব্যস্ততম সড়কটির কোন অভিভাবক আছে কিনা তা বোঝা যায়না। দিন থেকে মাস, মাস থেকে বছর এভাবে বছরের পর বছর চলে যায়, কিন্তু ঝাউডাঙ্গা বাজারের প্রধান সড়কের বেহাল চিত্র এমনিভাবে থেকে যায়। তবে সাধারণ মানুষ আশাবাদী স্থানীয় সংসদ সদস্য একটু সুনজর দিলেই এরাস্তা সংস্কার করা সম্ভব। অন্যথায় সুষ্ঠুভাবে চলাচলের উপযোগী করে তুলতে বাজার কেন্দ্রীক মানসম্মত কংক্রিটের সড়ক তৈরীর দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। তাই এলাকাবাসী অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করতে স্থানীয় সাংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মঙ্গলবার পয়েন্ট গুলো ঘুরে দেখা যায়, ঝাউডাঙ্গা বাজার একটি বড় বাণিজ্যিক এলাকা হওয়া শর্তেও এলাকার প্রধান সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কোথাও টিউমার আবার কোথাও খানাখন্দ এমন এক রুপ ধারণ করেছে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে সেখানে প্রতিনিয়ত হালকা ও ভারী যানবাহন পড়ে লক্কড়-ঝক্কড় হয়ে যাচ্ছে। সড়কের ওপরের পিচ উঠে কার্পেটিং, ঝিল, পাথরের ছড়াছড়ি হয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজারও মানুষ ও যানবাহন। জানা গেছে, গত কয়েকবছর আগের সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিদের্শনায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ এসড়ক নির্মাণ করেন। কিন্তু এসড়কে কী পরিমান অনিয়ম-দূর্নীতি হয়েছে তা বলার অবকাশ রাখেনা। গত মাসে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা সংস্কারের নামে একদিন একটিস্থানে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে কাজ করে গেলেও পরে আর আসেনি। যে স্থানটি সংস্কার করে রেখে গিয়েছিল সে জায়গাটি পূর্বের চেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এমন সংস্কারের নামে তালবাহানা নানান অজুহাত থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই এলাকাবাসী।

নিয়মিত চলাচলকারী বাস চালক আলী হোসেন বলেন, সাতক্ষীরা টার্মিনাল থেকে যশোর টার্মিনালে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় ঝাউডাঙ্গার এই মহাসড়কে নিয়মিত অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। প্রায় দেড় কিলোমিটার এসড়ক পথ পেরতে যেখানে ৫মিঃ সময় লাগে, সেখানে ১৫-২০মিনিট সময় লেগে যাচ্ছে। আর রাতে তো কথাই নেই। অনেকে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাত-পা ভেঙে বাড়ি যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এভাবে আর কতদিন চলবে? তাই সাধারণ মানুষের যাতায়াতের কথা চিন্তা করে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে নিয়ে আনবেন এটায় প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ