HEADLINE
সাতক্ষীরা সীমান্তে অপরাধ দমনে বিজিবি ও বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক ঝাউডাঙ্গা হাইস্কুল জামে মসজিদের ওযুখানা নির্মাণ কাজ উদ্বোধন শ্যামনগরে বিদ্যুৎস্পর্শে কৃষকের মৃত্যু কাশ্মিরি ও থাইআপেল কুল চাষে সফল সাতক্ষীরার মিলন ঝাউডাঙ্গা সড়কে বাস উল্টে ১০জন আহত ঝাউডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে শুরু হচ্ছে পৌষ সংক্রান্তি মেলা কালিগঞ্জে শীতার্ত মানুষের পাশে ”বিন্দু” মাদ্রাসা শিক্ষক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ফের ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ স্বামী বিবেকানন্দ দর্শন আমাদের মুক্তির পথ : সাতক্ষীরায় ১৬০তম জন্মবার্ষিকী উৎসবে আলোচকরা আ’লীগ নেতার বাড়িতে ডাকাতি, ১৫ লাখ টাকা ও ৩৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট 
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:০১ অপরাহ্ন

ঝাউডাঙ্গায় প্যানেল চেয়ারম্যানসহ তিন মাদক কারবারি ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক

টুডে ডেস্ক / ৪১৪
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

সাতক্ষীরায় ৫ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় অপর এক মাদক ব্যবসায়ি পুলিশের হ্যান্ডক্যাপসহ পালিয়ে যায়। পরে ওই হ্যান্ডক্যাপ উদ্ধার হলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের গোবিন্দকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের গোবিন্দকাটি গ্রামের মৃত আজিবর সরদারের ছেলে ৪নং ওর্য়াড ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আজাদ হোসেন (৫৫), একই গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ সরদারের ছেলে মতিয়ার রহমান ওরফে মতি (৫০) ও হোসেন দফাদারের ছেলে বাপ্পি হোসেন (১৯)। পুলিশের হ্যান্ডক্যাপসহ পালিয়ে যায় আসামির নাম মোঃ কামরুজাজামান ওরফে রানা (৩৪)। সে গোবিন্দকাটি গ্রামের মৃত শওকত আলী বুলুর ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, ঝাউডাঙ্গা বাজারের মুরগীহাটের এক দোকানী ৫ কেজি গাঁজা আনতে দেয় ভারতে। গোবিন্দকাঠি গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে মোস্তাক ও মাদক ব্যবসায়ি মতিয়ার রহমান মতি ভারত থেকে আনা ওই ৫ কেজি গাঁজা খোয়াগেছে বলে প্রচার দেয়। তারা ওই গাঁজা রেখে দেয় স্থানীয় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আজাদের জামাতা রানার কাছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ গোপনে এ ঘটনা জানতে পারে। এদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা সদর থানার সহকারি উপপরিদর্শক জিয়াউর রহমান জিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রয়ারী) ভোর রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মতিয়ারকে গ্রেপ্তার করে। এসময় গাঁজার ওই চালান আজাদ মেম্বরের জামাতা রানার কাছে রয়েছে বলে পুলিশকে জানায় মতিয়ার। পরে পুলিশ ৫ কেজি গাঁজা সহ বাপ্পী ও রানাকে গ্রেপ্তার করে। একপর্যায় মাদক ব্যবসায়ি রানা হ্যান্ডক্যাপসহ পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ইউপি সদস্য আজাদের মাধ্যমে ওই হ্যান্ডক্যাপ উদ্ধার করে। এঘটনায় পুলিশ ইউপি মেম্বর আজাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করলেও তার জামাতা রানাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এঘটনায় সদর থানার সহকারি উপপরিদর্শক জিয়াউর রহমান জিয়া বাদি হয়ে গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিসহ রানাকে পলাতক আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির তিন মাদক ব্যবসায়ি আটকের ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ি রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যহত রেখেছে।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ