বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

খাজরায় মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে দানববন্ধন

আশাশুনি ব্যুরো / ৪৯
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১

আশাশুনি উপজেলার খাজরায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিটের ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে খাজরা বাজারে প্রধান সড়কে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক মোল্যার সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা দীনেশ চন্দ্র মন্ডল, মেম্বার ইব্রাহিম গাজী, রিপন হোসেন, শ্যামপদ ঘোষ, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, খাজরা ইউনিয়নে খুলনা থেকে আগত বিএনপির নেতা অহিদুল ইসলামের পূর্বা সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার সহযোগিরা খাজরা ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইবাদুল মোল্যাকে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট, শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গুরুতর আহত মুক্তিযোদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যে মুক্তিযোদ্ধারা বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে দেশকে স্বাধীন করেছে তাদের অপমান, হত্যার চেষ্টা জাতি মেনে নেবেনা। অহিদুলের নেতৃত্বে বিএনপি জামাত শিবিরের একদল সন্ত্রাসী, নাশকতা, হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী দেশের শত্রæরা আওয়ামীলীগার সেজে বিগত দেড় বছর খাজরা ইউনিয়ন অশান্ত করে তুলেছে। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অপমান, হুমকী ধামকীসহ এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষ বিশেষ করে তাদের মতের বিরোধীদেরকে দমন পীড়ন ও মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়া করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদে সতাক্ষীরায় মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করার অপরাধে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইবাদুলকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তাকে মারপিট করে চরম ভাবে অপদস্ত ও জখম করা ও হাসপাতালে ভর্তির ঘটনাকে তারা তুচ্ছ ঘটনা বলে কেবল মুক্তিযোদ্ধাদেরকে হেয় করা হয়নি, গোটা এলাকার মানুষকে হতভম্ব করে দিয়েছে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানকে এভাবে নির্মমভাবে মারপিট করে জখম করার পর তুচ্ছ ঘটনা হিসাবে প্রচারকারীদেরকে কি বলে ধিক্কার জানাব তার ভাষা আমাদের জানানেই। তাদের চরিত্র ও কলঙ্কিত আচরণের পরিচয় তুলে ধরে পবিত্র মুখকে অপবিত্র করার আমাদের শোভা পায় না। ঘটনা ৩দিন অতিবাহিত হলেও এখনো বীর মুক্তিযোদ্ধার এজাহার মামলা হিসাবে এন্ট্রি না হওয়া অবিশ্বাস্য হিসাবে উল্লেখ করে অতি দ্রæত মামলা এন্ট্রির জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের কার্যকবর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানান হয়। মামলা গৃহীত না হওয়ায় আক্রমনকারীরা আরও বেপরোয়া হতে শুরু করেছে দাবী করে বক্তারা বলেন, দেড় বছর ধরে তারা তাদের মতের বিরোধী নেতাকর্মীদের উপর হামলা মামলা হুমকী দিয়ে এসেছে। এখন বাড়িঘর ছাড়া করার হুমকী দিতে শুরু করেছে। মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিটের ঘটনা যাতে দ্রæত সঠিক তদন্ত হয় এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় সে জন্য মাননীয় এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পদকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা কেেরছন বক্তাগণ।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ