HEADLINE
পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট! বাংলাদেশের মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই এমপি রুহুল হক ভোমরায় পাসপোর্ট যাত্রীদের তল্লাশির নামে বিজিবির হয়রানি সাতক্ষীরা পৌরমেয়র চিশতিসহ পৌর বিএনপির ১০ নেতা আটক শাশুড়ির কামড়ে জামাইয়ের কান ও জামাইয়ের কামড়ে শাশুড়ির হাতের শিরা বিছিন্ন কালিঞ্চী এ. গফ্ফার মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বন্দে আদালতে মামলা বৈকারীতে ১’শ পিস ইয়াবাসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার রাত পোঁহালেই দেবহাটা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতাকে অস্ত্রকান্ডে ফাঁসিয়ে ভারতে পালালেন মূলহোতা নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই, আমরা গণতান্ত্রিক দল : সাতক্ষীরায় আ.ক.ম মোজাম্মেল হক
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

কলারোয়ায় হাজার বিঘা ফসলী জমি পানির নিচে থাকায় বিপাকে কৃষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২০৮
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নে পানি নিষ্কাশনের অভাবে ওই এলাকার এক হাজার বিঘার বেশি ফসলী জমি পানির নিচে পতিত আছে। দীর্ঘদিন ধরে লাঙ্গলঝাড়া, রুদ্রপুর, মাহমুদপুর ও গোয়ালচাতর এলাকার মানুষ ওই জমিতে ফসলাদি চাষ করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ সমস্যা থেকে উত্তোলন হওয়ার জন্য লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের ১৪২ জন কৃষক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ওই এলাকার কৃষক সাদেক বাচ্চু, হুকুম বারী, ইনসাফ মালেক হুকুম, মান্নান, কামাল, হান্নান, শারাফত আলী, লাল বারী, খোকন ইমরান, কাশেম, আজিবর, আনোয়ার, মনিরুল ইসলাম, সিরাজুলসহ অনেকে বলেন, সদর উপজেলাধীন গোবিন্দকাটি গ্রামের বিলান জমিতে গ্রামের বসবাসরত সুবিধাভোগী মানুষ পানি নিষ্কাশনের পথ সরকারি নালা/ড্রেন বন্ধ করে মাছ চাষ করায় লাঙ্গলঝাড়া, রুদ্রপুর, মাহমুদপুর ও গোলচাতর গ্রামবাসী সকলের জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ উক্ত বিলের পানি পূর্বে যুগীবাড়ি হতে রুদ্রপুরগামী প্রধান সড়ক ভেদ করে একটি সরকারি কালভার্ট নির্মিত আছে যেটি গোবিন্দকাটি বিলের সরকারি ড্রেন দিয়ে ঝাউডাঙ্গা সরকারি খালে অনায়াসে পতিত হওয়ায় জলাবদ্ধতা থেকে আমরা সম্পূর্ণ মুক্ত ছিলাম। কিন্তু বিগত কয়েক বছর যাবৎ পানি চলাচলের ড্রেনটি ব্যক্তি সুবিধার্থে বন্ধ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে এবং আমরা গ্রামবাসী আর্থিক ও জীবিকা নির্বাহের উপায় না থাকায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। তাছাড়া বছরের পর বছর পানি জমা থাকায় পানি দূষিত হওয়ার কারণে এলাকার বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা গ্রামবাসী বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করে কোন সুফল বা সুব্যবস্থা পাইনি। এভাবে চলতে থাকলে এই এলাকার মানুষ আর্থিক অভাব অনটনের সম্মুখীন হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকি স্বরুপ হবে।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ