বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:০৯ অপরাহ্ন

কলারোয়ায় ঘটক বেসে প্রতারক! নগত অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট

হাবিবুল্লাহ বাহার / ১২৬
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১

কলারোয়ার ধানদিয়া গ্রামে ঘটক পরিচয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে লুট করেছে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার। দিনমজুর পরিবারটি সর্বশান্ত হয়ে হতাশার প্রহর গুনছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে প্রতারক চক্রের সদস্য ধানদিয়া চৌরাস্তা বাজারের পাশ্ববর্তী ধানদিয়া (খতিব বাড়ী)  গ্রামের নুর হোসেনের বাড়িতে ঘটক পরিচয়ে নগদ ১৮ হাজার টাকা ও ২ ভরি ১০ আনা সোনার গহনা নিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির চম্পট দিয়েছে। ভুক্তভোগীর স্ত্রী আলমা খাতুন জানান, ঘটক পরিচয় দিয়ে  ২/৩  দিন ধরে  তাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করছিলো  তার মেয়েকে দেখবে এবং অজ্ঞাত ঐ ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য । কিন্তু তাদের মেয়ে সাতক্ষীরায় থেকে পড়াশুনা করে, আর সেই কারণে দুই থেকে তিন দিন প্রতিনিয়ত বাড়িতে আসছে  আর শুনে যাচ্ছেন কবে মেয়ে বাড়িতে আসবে। সোমবার  মেয়ে বাড়িতে ফেরায় মঙ্গলবার ঐ অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি ভোর ৬টা ৩০মিঃ  দিকে এসে বলে তার ছেলে আসছে মেয়েকে দেখবে বলে। তাই নাস্তা ও মেয়েকে পরিছন্ন ও পরিপাটি হওয়ার জন্য বলে ভুক্তভোগী  পরিবারকে। এই কথা শুনে মেয়ের পরিবারের সদস্যদের একটু ব্যস্ততা বেড়ে যায়। তার এক পর্যায়ে নুর ইসলাম বাজারে মিষ্টি মিঠায় আনতে যাবেন বলে তার স্ত্রীর কাছে টাকা চান, তার স্ত্রী টাকা বের করেন বাক্সের ভেতর থেকে, সেখানে রয়েছে আরও ১৮ হাজার টাকা ও মেয়ের গহনা। টাকা বের করে নুর হোসেনের স্ত্রী ভুলে বাক্সে তালা দেননি। প্রতারক চক্রের সদস্য বিষয়টি দেখে ফেলে এবং পরিবারের সদস্যদের নানান ব্যস্ততার এক পর্যায়ে বাক্সের ভেতরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার  সুকৌশলে নিয়ে বাজারে যাচ্ছি বলে প্রতারক চক্রের সদস্য তার সাথে থাকা নাম্বার বিহীন  CBZ মটর সাইকেল নিয়ে চম্পট দেয়। তার বাজার থেকে আসতে দেরি দেখে তাকে খোঁজা খুজি করেও তার কোথাও সন্ধান মেলেনি। এ দিকে তাদের মনে সন্দেহ হলেবক্স খুলে দেখে  সেখানে রাখা ২ ভরি ১০ আনা সোনার গহনা ও নগদ ১৪ হাজার টাকা অজ্ঞাত ব্যক্তির নিয়ে চম্পট দিয়েছে। 


ধানদিয়া (খতিব বাড়ী) গ্রামের নুর হোসেন জানান, তার একটি বিবাহ যোগ্য অনার্স পড়ুয়া  একটি মেয়ে আছে। তার বিবাহ দেবেন এমন কথা বার্তা চলছে, সেই সুযোগটি প্রতারক চক্রের সদস্য কাজে লাগিয়েছে। তবে লুট হওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকারের বাজার মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। ঘটনাটির বিষয়ে নুর হোসেন তাৎক্ষনিক কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে যার নং ১১০২। তবে প্রতারক চক্রের সদস্যের ব্যবহৃত মোবাইল নং টি ,(০১৭০-১৮৬৬৭৪০) নুর হোসেনের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ