HEADLINE
ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশের ফেরার সময় ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টযাত্রীর মৃত্যু দেবহাটা প্রেসক্লাবের বার্ষিক সভায় বর্তমান কমিটির মেয়াদ বর্ধিত; সদস্য অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে উপ-কমিটি ঝাউডাঙ্গায় ৭১ সালের বালিয়াডাঙ্গা যুদ্ধের স্মৃতি চারণে আলোচনা সভা ৪র্থ বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত কলারোয়ার যুগিখালীর ইউপি সদস্য মফিজুল সাংবাদিক আজিজুল’র মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক সমিতির গভীর শোক সাতক্ষীরায় ধানক্ষেতে ইঁদুর মারা বিদ্যুতের ফাঁদে জড়িয়ে দু’জনের মৃত্যু বাংলাদেশ ভারত এর বন্ধুত্ব বিশ্বে রোল মডেলঃ নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরায় গোপন বৈঠক কালে জামায়াতে ইসলামীর ১০ মহিলা নেতাকর্মী আটক ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা উপলক্ষে মাধবকাটি বলফিল্ড মাঠে উৎসবের আমেজ পরীক্ষার সময় পরিবহন চলা নিয়ে নিশ্চিত নয় জবির পরিবহন পুল
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

কলারোয়ায় অবৈধ কয়লা উৎপাদান কারখানার ফলে ঝুঁকিতে পরিবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২৭
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় উপজেলায় হেলাতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ভাটার সামনে গড়ে উঠেছে অবৈধ কয়লা উৎপাদন কারখানা। বহুবার বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে নিউজ হলেও কলারোয়া প্রশাসন নিরব ভুমিকায়। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এসকল ভাটা কলারোয়া উপজেলায় এই প্রথম গড়ে তুলেছেন বাশার নামে একজন কলেজ শিক্ষক। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কৃষিজমি বিলীন করে সেখানে গড়ে উঠেছে ৮ থেকে ১০টি বিশাল আকারের চুলা যা সবগুলোতেই প্রচুর পরিমাণে আস্ত গাছের গুড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা। এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষক জানান আমার জমির গাছের ক্ষতি হচ্ছে, গাছের পাতা পেকে যাচ্ছে ফল ঝরে যাচ্ছে। এলাকার একজন সচেতন নাগরিক বলেন, গাছ নিধনের বড় ভূমিকা পালন করছে বর্তমানে কলারোয়ার এই কারখানাটি এখানে এখন তিনি প্রচুর পরিমাণ কাঠ পোড়ানো হচ্ছে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। ফলে পরিবেশ দিনদিন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে চারিপাশে বড়ই( কুল) গাছের চাষ হয়েছে পটল আম স্বরবৃত্ত ফসলের চাষ তার মাঝেই করে উঠেছে এই অবৈধ স্থাপনা। প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই বাশার নিজের ক্ষমতা বলেই গড়ে তুলেছেন এই ব্যবসা। এ ছাড়াও বাশার নিজে এলাকায় গড়ে তুলেছেন ক্যাডার বাহিনী। স্থায়ী একটি সূত্র থেকে জানা গেছে তিনি সবাইকে বলে বেড়াচ্ছেন তিনি প্রশাসনের সকল অনুমতি পেয়ে গিয়েছেন। পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় শাখায় যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছেন এ সকল প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধতা নেই এবং কোথাও গড়ে উঠলে তা আমরা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে জেল এবং জরিমানা আওতায় নিয়ে আসছি। এইসব বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বাশার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমরা এখন কাজ করছি এতে করে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তাদের জীবিকার নির্বাহ হয় এখান থেকেই।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ