HEADLINE
ছওয়াব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ”আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনার ঝাউডাঙ্গা ভূমি অফিসের তহসিলদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ দাঁতভাঙা বিলে মৎস্য ঘের থেকে অজ্ঞাত নারীর লা’শ উদ্ধার মুখে মাস্ক পরে দেবহাটায় একরাতে ৪টি দোকানে চুরি ভাগ্য খুলতে পারে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের! স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সাতক্ষীরায় বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযানে ভুয়া চিকিৎসকসহ দু’জনের কারাদণ্ড সাতক্ষীরা হার্ট ফাউন্ডেশনে সেবিকার কর্তব্য অবহেলায় বৃদ্ধার মৃ’ত্যুর অভিযোগ ডুমুরিয়ায় দুই শিশু সন্তানকে বালিশ চা’পা দিয়ে হ’ত্যার পর মায়ের আত্মহ’ত্যা ভোমরা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন : সভাপতি জাহাঙ্গীর, জিয়া সাধারণ সম্পাদক
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন

কলারোয়া সরকারি কলেজে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

জহিরুল ইসলাম শাহীন / ৫০৯
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩

আসলে কি দিয়ে লেখাটা শুরু করি, কিছুই ভেবে পাচ্ছি না। হঠাৎ করে মনে পড়ে গেল কলেজ জীবনের কিছু ঘটনা। যখন আমরা দশম শ্রেনীতে পড়ি তখন থেকে মনের ভেতরে এক আবেগ উদ্বেলিত হতে শুরু করলো কবে এস,এস,সি পরিক্ষা শেষ হবে এবং দক্ষিন বাংলার ঐতিয্যবাহী জেলা সাতক্ষীরার অধীনে কলারোয়া উপজেলায় অবস্থিত বিদ্যাপিঠ তদানীন্তন সময়ে কলারোয়া কলেজ নামে খ্যাত কলেজটিতে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হবো এবং কাংখিত লক্ষে পৌছে যাবো। স্কুল জীবনে লেখাপড়ার ফাকে ফাকে কলারোয়ায় অবস্থিত একমাত্র কলেজ সেখানে সাতক্ষীরা জেলার নয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে কত গুলো নামকরা কলেজ আছে তাদের সংগে পাল্লা দিয়ে ৭০/৮০ দশক থেকে শুরু হয়। আজকের দিন পর্যন্ত এই কলেজ এখনও অতি সম্মানের সাথে শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে। এমন একটা বছর নেই, যে বছর উক্ত কলেজ থেকে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়, জাহাঙ্গীর নগর বিশ^ বিদ্যালয় সহ দেশের অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয় গুলোতে স্থান করে নিচ্ছে ডজন ডজন মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রীরা, আমরা তুলনা করে দেখেছি সাতক্ষীরা জেলার ভেতরে, যশোর জেলার ভেতরে, খুলনা জেলার ভেতরে এবং কুষ্টিয়া সহ দক্ষিন বাংলার অন্যান্য জেলার ভেতরে যে সমস্ত সরকারি কলেজ রয়েছে তাদের চাইতে আমাদের কলারোয়া সরকারি কলেজের লেখাপড়ার মান অনেক গুনে ভালো কোন অংশে কম নয়। এবং বাংলাদেশের সচিবলয় থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে, সেনা বাহিনী, নৌ-বাহিনী, বিমান বাহিনী সহ বিভিন্ন ক্যাডারের শীর্ষ স্থান আজ অবধি এই কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা ঘুষ ও দূর্নীতি মুক্ত পরিবেশে অতি সুুনানের সাথে তাদের পেশাগত দ্বায়িত্ব পালন করে আসছে। এই সুনাম শুরু থেকেই আজকের দিন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের সরকারের শাসনামলে সেটা পরীক্ষিত। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রশাসনের অনেক বড় বড় পদে উক্ত কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা তাদের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে আসছে এবং বিভিন্ন বোর্ডে বা পরীক্ষা কেন্দ্রে উক্ত কলেজটির ছেলেমেয়েদেরকে অত্যন্ত ভালোবাসার চোখে দেখা হয়। এমনও বলতে শোনা গেছে যে কলেজটাতে এমন কি যাদু আছে যে প্রতেকবার বি,সি,এস ক্যাডারে বিশেষ করে ম্যাজিষ্ট্রেট, সাব জজ, কাষ্টমস অফিসারে, পুলিশের এএসপি এবং শিক্ষা ক্যাডারের কর্মমকর্তা সহ সরকারি অন্যান্য চাকুরীর ক্ষেত্রে এত বেশি সংখ্যা চ্যান্স পা যে এর পেছনের কারন গুলো কি কি। কলারোয়া সরকারি কলেজের ঢাকাস্থ প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীরা হঠাৎ করে ৫০ বৎসর পূর্তি সূবর্ন জয়ন্তী অনুষ্টান অতি গাম্ভীর্যের ভেতর দিয়ে উদর্যাপন করতে যাচ্ছে এমন একটি আবেগ আপ্লুত সংবাদ যখন ফেসবুকের এর মাধ্যমে জানতে পারলাম তখন কলেজের অনেক স্মৃতি মনে ডানা বেধে উঠলো এবং প্রথম যে মিটিং টা আহব্বান করা হলো তাতে অংশো গ্রহন করার জন্য ঢাকার অনেক অনেক পুরানো বন্ধু বান্ধব আমার মোবাইল ফোনে দাওয়াত দিতে লাগলেন। উক্ত দিনে উক্ত অনুষ্টানে হাজির হওয়ার সুযোগটা লুফে নিলাম, এবং উদযাপন অনুষ্টানে হাজির হওয়ার পর যখন পরিচয় পর্ব শুরু হলো, এই কলেজ থেকে বাংলাদেশের প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের এত বড় বড় পদে চাকুরী করেন তা আমি আগে জানতাম না। এমন কি বিদেশে বিশেষ করে কানাডা, যুক্তরাষ্ট, জার্মানি, অষ্ট্রেলিয়া, ইতালি, ইংল্যান্ড সহ পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ উক্ত দেশগুলোর বিভিন্ন সরকারি চাকুরীতে তারা মর্যাদার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং সে দেশের নাগরিকত্ব ও লাভ করেছেন। আবার তাদের ভেতরে অনেকে এম ফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রীও লাভ করেছেন। সত্যিই একটা আনন্দঘন মুহুর্ত ও পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে সেখানে। আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গন করতে ছিলাম এবং এক যোগে এক সাথে সাতক্ষীরা জেলায় অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী মহা বিদ্যাপিঠ কে শুধু বাংলাদেশের নয় সারা পৃথিবীতে এর সুনাম ও মর্যাদা ও ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে হবে, এই শপথ আমরা গ্রহন করি। আর এরই ধারা বাহিকতায় ০২/১২/২০২৩ রোজ শনিবার অন লাইনে রেজি: উদ্বোধন অনুষ্টানটি একই সাথে কলারোয়া সরকারি কলেজ এবং অপর দিকে ঢাকাতে অনলাইনে রেজি: উদ্বোধন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার (ব্র্যাক ব্যাংক) কাজী আসাদুজ্জামান এবং কলারোয়া সরকারি কলেজের শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ জনাব আনোয়ারুজ্জামান সাহেব। সকলের সত:স্ফুর্ততা আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। তাই উক্ত কলেজের স্মৃতি বিজড়িত ঘটনা গুলো সকলের হৃদয়ে চির স্মরনীয় করে রাখার জন্য আমার সামান্য প্রায়স। কেন আজ কলেজটি এত উর্দ্ধে এবং মর্যাদার শীর্ষে আমরা একটু ভাবি। কলেজটি সম্ভবত ১৯৭৩ সালে তার যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৭৮-১৯৭৯ সাল থেকে তাদের প্রতি বছরের বোর্ডে ফলাফলের অন্যন্য রেকর্ড সুষ্টি করে যাচ্ছে আজ অবধি। এর পেছনে যে কারনটা কাজ করে, আমার মনে উকি মারে, সেটা হলো একটি প্রতিাষ্ঠানের আভ্যন্তরীন পরিবেশ। প্রবাদে আছে পরিবার সুখের হয় দক্ষ যোগ্য একজন রমনীর গুনে, রমনীর ইচ্ছা এবং কর্মকান্ডে সংসারে যেমন সুখ আসে ঠিক তেমনি যদি রমনী সদিচ্ছা পোষন না করে, লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয় সে সংসার তেমন একটা টেকে না। কলারোয়া সরকারী কলেজ পরিবারের যে এমন একজন সুদক্ষ, সুযোগ্য, অত্যন্ত ব্যক্তিত্ব বান এবং মিষ্টভাষী অধ্যক্ষ প্রয়াত আব্দুস সোবহান তাকে আমরা কোন ভাবে ভুলতে পারি না। আমরা শ্রদ্ধার সাথে তাকে স্মরণ করি আজ অবধি। তার পোষাক, পরিচ্ছদ, তার হাটা, তার চলা, তার কথা, তার ভাষা, তার বাচন ভঙ্গি ছিল এক একটা আর্ট বা শিল্প এবং শিক্ষা। সত্যিকারের একটা প্রতিষ্টানের প্রধান হতে হলে যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট গুলো থাকা উচিত তার সব কিছুই উনার মধ্যে ছিল, অত্যন্ত নিষ্ঠাবান সদালাপী, ধীরে ধীরে, আস্তে আস্তে কথা বলতেন, কোন সমস্যা হলে সংগে সংগে ছাত্রদের কাছে ছুটে যেতেন এবং শিক্ষক মন্ডলীদের নিয়ে কলেজের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেন। কি করলে ভাল ফলাফল হবে, কি করলে মেধাবী ছেলে মেয়ে গুলো বোর্ডে ফাইনাল পরিক্ষায় স্থান দখল করতে পারবে, সেই সব পরিকল্পনায় আমাদের অধ্যক্ষের ভেতরে ছিল। আর বুঝতেই তো পারছেন তার অধীনে শিক্ষক মন্ডলী কেমন হবেন। কলেজের শুরুতেই এবং যাদের নেতৃত্বে কলেজটি সুসজ্জিত এবং মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয় সেই সমস্ত শিক্ষকদের কথা না বললেই নয়। আমরা বলতে পারি আমাদের বাংলার দুই জন শিক্ষক যাদের ক্লাস না করলে আমাদের লেখা পড়ার বা সহিত্যের ধারা কিছুটা আমাদের মনে বা প্রানে অসম্পূর্ন থেকে যেত। আমাদের প্রান পিয় শিক্ষক জনাব মো: নজরুল ইসলাম এবং প্রায়ত আব্দুল জলিল। আসা যাক ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আমাদের ভর্তি হবার আগে দুই জন দক্ষ ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন অধ্যক্ষ আ: মজিদ (প্রয়াত) এবং জনাব অধ্যাপক মো: সাইফুল ইসলাম উনি সর্বশেষ বি.এল. কলেজ থেকে বিদায় নিয়েছেন।আমরা যখন ১৯৮৩ সালে কলারোয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হই তখন ইংরেজিতে শিক্ষক ছিলেন প্রফেসর জনাব আব্দুর রশিদ। উনি ছিলেন সরকারি কলেজের শিক্ষক কিন্তু কলারোয়া কলেজের সুনামের কথা ভেবে তিনি ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। বাবু নিমাই চন্দ্র মন্ডল (বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত) সাতক্ষীরাতে আছেন। এখন আসি, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যপক নূরুল ইসলাম যিনি নূর ইসলাম স্যার নামে অত্যন্ত সুপরিচিত, রসায়ন বিজ্ঞানের স্যার বাবু সুকুমার রায় যার কথা সমগ্র সাতক্ষীরা বাসী এখনও পর্যন্ত ভুলতে পারে না, উদ্ভিদ বিজ্ঞানের স্যার মো: শামছুজ্জামান, প্রানি বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন জনাব মো: মনিরুজ্জামান, উদ্ভিদ বিজ্ঞানের আরেকজন শিক্ষক জনাব মোঃ আবু বকর সিদ্দিক এবং গনিতের শিক্ষক ছিলেন জনাব মো: কামাল উদ্দীন। আপনারা সবাই জানেন একটা কলেজের প্রান হচ্ছে বিজ্ঞান বিভাগ। উক্ত শিক্ষক মন্ডলীর দক্ষ পরিচালনায় এবং পাঠ দানের এক অন্যন্য কারুকার্য যার ফলে সুদুর শ্যামনগর থেকে, পাইকগাছা থেকে, কয়রা থেকে, খুলনা অঞ্চল থেকে এবং এদিকে যশোর থেকে অনেক ছাত্র ছাত্রী কলারোয়া সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশুনার জন্য আসতো। আমি যখন ১৯৮৩ সালে কলারোয়া সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হই তখন বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ২৬০ জন। এছাড়া বানিজ্য বিভাগে এবং মানবিক বিভাগেও সুদক্ষ শিক্ষক ছিলেন অনেকেই তাদের মধ্যে অধ্যাপক আবু নসর, অধ্যাপক আ: মজিদ, অধ্যাপক এম.এ ফারুক (প্রায়ত) অধ্যাপক আ: রাজ্জাক(অর্থনীতি), আ: রাজ্জাক (ইসলাম শিক্ষা) অধ্যাপক আজিজুল হক, অধ্যাপক ময়নুল হক, অধ্যাপক ভুধর স্যার, অধ্যাপক সরজিত কুমার এবং ভূগোল বিভাগের মুনছুর আহম্মেদ, অধ্যাপক মো: রশিদ সহ আরও অনেকে। ঐ সময়ে আনেক শিক্ষক ছিলেন সবার নাম মনে রাখা সম্ভব নয় তাই সবার নাম না দিতে পারায় দু:খিত ও ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে সবাই দেখবেন। আমাদের কলেজটির নাম দক্ষিন বাংলার এমন কোন প্রতিষ্ঠান নাই যে জানে না। সুতরাং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আমাদের কলেজে পড়ার জন্য ছুটে আসতো এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। ৮০/৯০ এর দশকের দিকে বিজ্ঞান বিভাগের প্রত্যেক বার দুই/তিন জন বোর্ডে স্থান পেতো, মানবিক বিভাগ থেকে কয়েক বার যশোর বোর্ডে প্রথম স্থান এবং বানিজ্য বিভাগ থেকেও অনেক বার স্থান পেয়েছে। ১৯৮৯ সালে কলেজটির সার্বিক উন্নয়নের কথা ও ভাল ফলাফলের কথা বিবেচনায় নিয়ে ঐ সময়ের বাংলাদেশের রাষ্টপতি হুসেইন মো: এরশাদের (প্রায়ত) নির্দেশে সরকারি করন করা হয়। সরকারি হওয়ার পর যে সমস্ত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং শিক্ষক মন্ডলী বর্তমান সময়ে যারা কলেজের দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও কর্ম দক্ষতার গুনে এখনও কলেজটির সুনামের সাথে তাদের সেই ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছেন। তাদেরকে প্রশংসা না করে পারি না। বর্তমানে যিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সত্যিই অতি ভদ্র মানুষ ও বেশ মিষ্ট ভাষী, সুন্দর মনেরও বটে। আমাদের প্রয়াত অধ্যক্ষ সোবহান স্যারের কিছু বৈশিষ্ট্য ও গুনা গুন বর্তমান অধ্যক্ষের ভেতরে দেখা যায় বা আছে বলে আমরা মনে করি। আমি অনেক সময় উনাকে বেশ সকালে কলেজে আসতে দেখি এবং অনেক দিন দেখছি প্রায় সন্ধা পর্যন্ত কলেজে থাকতে। উনার নেতৃত্বে কলেজ বেশ কয়েকটা বিষয়ে অনার্স, এবং ইন্টারমিডিয়েট লেবেলের কয়েকটা নতুন বিষয় খোলা হয়েছে। এবং শহীদ মিনার ও চত্বর সহ কয়েকটা বহুতল ভবনের কাজ চলমান। তাই কলেজের সুর্বন জয়ন্তী অনুষ্ঠানটি উদযাপন করার জন্য জোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সবাইকে অনুরোধ করবো যারা ১৯৭৩ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত, এবং এখন যারা অধ্যয়নরত আছেন সবাই রেজিষ্টেশন করবেন যাতে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত জমকালো হয় এবং কলারোয়ার ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে থাকে। ০২/০২/২০২৩ থেকে রেজি: শুরু হয়েছে এবং ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে অনলাইনের মাধ্যমে। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়া যাবে। কলারোয়া সরকারি কলেজ সুবর্ন জয়ন্তী (গোল্ডেন জুবিলী) ইংরেজিতে সার্চ করলে অনলাইন ঠিকানা পেয়ে যাবেন। অনুষ্টানটি উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতরের পরের দিন অর্থ্যাৎ সম্ববত ১৩ এপ্রিল ২০২৪। কলারোয়া সরকারি কলেজটি আপামোর জনসাধারনের কাছে এবং সাতক্ষীরা জেলা সহ সারা বাংলাদেশে এর সুনাম, সুপরিচিতি আরো বৃদ্ধি করার জন্য আসুন আমরা প্রাক্তন ও বর্তমান সকল ছাত্র ছাত্রী মিলে মিলন মেলায় পরিনত করি। উৎসব ও উদযাপনে উপস্থিত হয়ে একটা দিনের জন্য পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দে মেতে উঠি। সে পর্যন্ত আমরা সবাই সুস্থ থাকি, ভালো থাকি। সবাইকে ধন্যবাদ।

লেখক: জহিরুল ইসলাম শাহীন
সহঃ অধ্যাপক
বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ
কলারোয়া, সাতক্ষীরা।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ