আশাশুনিতে পথ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে হাঙ্গামা আহত ১

আশাশুনিতে পথ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে হাঙ্গামা আহত ১

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনিঃ আশাশুনি সদরে পথ নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক দ্ব›েদ্বর জের ধরে দু’পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে ও দুপুরে দু’দফা কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন লাঞ্চিত ও একজন আহত হয়েছেন।

সদর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মৃত ইন্তাজ আলী মোড়ল, মৃত খয়রুল্লাহ মোড়ল ও মৃত শহর আলি মোড়লের ওয়ারেশরা পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছেন। পারিবারিক পথ নিয়ে পরিবারগুলোর মধ্যে দ্ব›দ্ব দীর্ঘদিনের। মুত ইন্তাজের ওয়ারেশ করিম মোড়ল জানান, পথটি তাদের জমির উপরে, এজমালি নয়। তারাই তাদের জন্য পথ হিসাবে জমি দিয়ে ব্যবহার করেন। অপর দিকে খয়রুল্লাহর ওয়ারেশ হাসান জানান, পথটি এজমালি সম্পত্তিতে, তারা ব্যবহার করলে প্রতিপক্ষ বাধা দেয়। এনিয়ে অনেকবার মাপজোক হয়েছে। কিন্তু শেষ ফয়সালা না হওয়ায় যুগযুগ ধরে দ্ব›দ্ব বিবাদ দু’টি পরিবারকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ফেলেছে। শুক্রবার সকালে হাসানের মা হাসিনা বেগম ঘরের পিছনে ভীত সংরক্ষণে ব্যবহৃত টালি খোলা দেখতে গেলে তাদের (করিম দিং) তোমাদের বাড়িতে গেলে বের করে দাও, আমাদের পথে এসেছ কেন? জানতে চেয়ে করিম মোড়লের মেয়ে মুনিরা ও তার মা গালিগালাজ করে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাসিনা বেগমকে চড় মারা হয়। সেখানে হাসান গেলে হুমকী উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। বিষয়টি বেশিদূর না এগুলোলেও জুম্মার নামাজ শেষে করিম মোড়ল মসজিদের সামনে কালেকশানের চাউল বিক্রয় কাজে ছিলেন। হাসান বাইরের মসজিদে নামাজ শেষে বাড়িতে যেতে বাড়ির মসজিদের সামনে গিয়ে সাইকেল রাখলে করিম মোল্যার সাথে সকালের ঘটনা নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে জামার কলার ধরা ও কিল ঘুষির ঘটনা ঘটে। করিম মোড়ল রক্তাক্ত জখম হন। করিমের বাড়ির লোকজন সেখানে পৌছে পাল্টা আক্রমনে এগিয়ে গেলে হাসান মসজিদের মধ্যে ঢুকে আত্মরক্ষা করেন। উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি ঢালী সামছুল আলম ঘটনাস্থানে পৌছে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রনে আনেন। পরবর্তীতে বসে বিষয়টি ফয়সালা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। আহত করিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
এই সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন