শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

আশাশুনিতে জমি বিক্রয় করে সরকারি খাস দখল বুঝিয়ে দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫৪
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জমি বিক্রয় করে সরকারি খাস জমিতে দখল বুঝিয়ে দিয়ে প্রতারণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে মোহাম্মদ নগরে। এঘটনায় এলাবাসির মাধ্যমে প্রকৃত জমিতে বিগত একমাস পূর্বে দলিলে উল্লেখিত দাগে একটি ঘর নির্মাণ করলে তাও জমির মালিক তুলসী কর্মকার ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ে করেছে ভুক্তভুগি পরিবার।

ভুক্তভুগি মাসুম শেখ জানান, বিগত ১৬/০৩/১৫ তারিখের আশাশুনি সাব রেজিষ্ট্রী অফিসের ৯৬৫নং কোবলা দলিল মুলে সাড়ে ১৬ শতক জমি বড়দল বাজার গ্রামের মৃত অশ্বিনী কর্মকার মৈত্র এর পুত্র তুলসী দাস কর্মকার মৈত্র এর নিকট হইতে খরিদ করেন। যার বুড়িয়া মৌজার এস.এ ১১নং খতিয়ান ও খারিজ ১১/৩নং যাহা হাল জরীপে বুজরত ৪৬৪নং ডিপি ১৬৭নং খতিয়ানে ৭৫০ দাগে ৩.৪৫ শতক ৭৫৭ দাগে ২৩ শতক মোট ৩.৬৮ শতক জমির মধ্যে হইতে সাড়ে ১৬ শতক জমি খরিদ করেন। কিন্তু সুচতুর তুলসী কর্মকার বুড়িয়া মৌজার জমি বিক্রয় করলেও দলিলের চৌহদ্দীতে একই সীমানাবর্তী বড়দল মৌজাস্থ তার দখলে থাকা সরকারি খাসজমি দখল বুঝিয়া দিয়ে প্রতারণা করেছেন। বর্তমানে মাসুম শেখ দলিলে উল্লেখিত দাগ সমূহে নামজারী ৫৭৬/২০২১-২২ মোকদ্দমায় ৬১৭ খতিয়ানে ৭৫০ দাগে বিলান ১৫৪৭ শতাংশ ও ৭৫৭ খতিয়ানে ০১০৩ শতাংশ জমি সর্বমোট ১৬৫০ শতাংশ অর্থাৎ সাড়ে ১৬ শতক জমি রেকর্ড প্রাপ্ত হলেও তার দখল না দিয়ে পায়তারা করে যাচ্ছেন। এঘনায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বিষয়টি বসাবসির মাধ্যমে নিষ্পতি দেন বলে জানা যায। সে মোতাবেক দলিলে উল্লেখিত দাগে একটি ঘর নির্মাণও করেন বিগত এক মাস পূর্বে। কিন্তু জমির দাতা তুলসী দাস কর্মকার তার ভাড়াটিয়া বাহিনী দারা শুক্রবার সকালে উক্ত ঘরটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে প্রায় ১লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধান করেছেন ও তার স্ত্রী সালমা খাতুন, মাতা নাজমাকে মারধর করা হয়েছে বলে তার মাসুমের স্ত্রী নাজমা জানান। স্থানীয় শাহিন হোসেন, আহসান সানা, মিয়ারাজ শেখ জানান মাসুম শেখ শ্রমজীবি হওয়া বেশির ভাগ সময় তিনি বাহিরে থাকেন। জমির কাগজপত্র ও ভাল বোঝে না সরল বিশ্বাসে তুলসীর কথামত তারা উক্ত খাস জমিতে দখল দিয়ে বিক্রত জমি সে ভোগ দখল করে যাচ্ছে। আবার এদিকে বড়দল ইউনিয়ন সহকারি কর্মকর্তা সরকারি জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার নোটিশ প্রদান করে যাচ্ছেন। অপরদিকে সুচতুর তুলসী কর্মকর্তার বিক্রিত জমির দখল বুঝে না দিয়ে পায়তারা করে যাচ্ছেন। এঘটনায় মাসু শেখ তার খরিদকৃত জমির দখল বুঝে পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তার খরিদ কৃত জমি উদ্ধার পূর্বেক প্রতারক তুলসীকে আইন আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।


এই শ্রেণীর আরো সংবাদ